যে যত বেশি শিক্ষিত সে তত বেশি নির্লজ্জ !

যে যত বেশি শিক্ষিত সে তত বেশি
নির্লজ্জ ! সে তত বেশি অসভ্য !
** কেন বললাম..??
—–কারণ
** আমি কখনো দেখিনি-গ্রামের একটা
অশিক্ষিত
মেয়ে অর্ধ নগ্ন জামা-কাপড় পড়ে
রাস্তায়
চলাফেরা করতে ।। কিন্তু – আমি অসংখ্য
শিক্ষিত
মেয়েকে দেখেছি অর্ধনগ্ন হয়ে
লোকালয়ে ঘুরতে ।
** আমি কখনো দেখিনি পড়াশোনা
না জানাএকটা ছেলে গার্লফ্রেন্ডের
জামার ভেতরে হাতদিয়ে রাস্তায় হাটতে
।। কিন্তু
অসংখ্য শিক্ষিত ছেলেকে দেখেছি
এইনির্লজ্জ
দৃশ্যে।
** আমি কখনো শোনিনি অশিক্ষিত কোন
ছেলে মেয়ের সেক্স স্ক্যান্ডাল বের
হয়েছে ।। কিন্তু শিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের
এই অসভ্যকার্য আমরা প্রতিনিয়ত শোনছি।
** আমি কখনো শোনিনি গ্রামের
অশিক্ষিত ১২-১৩ বছরের ছেলে মেয়ে
হোটেলে রাত কাটাতে গিয়েছে ।।
** আমি কখনোই শোনিনি গ্রামের কোন
অশিক্ষিত কৃষক অসংখ্য মেয়েদের সতিত্ব
নিয়ে
খেলা করতে ।। কিন্তু শিক্ষিত পরিমলের
কথা
আমরা সবাই জানি ।
** আমি কখনো শোনিনি একটি অশিক্ষিত
মেয়ে
তার হাত খরচার জন্য দেহ বিক্রি করেছে
।। কিন্তু –
ইউনিভারসিটি কলেজের বেহায়াদের
কথা আমরা সবাই
শোনেছি ।।
** আমি কখনো শোনিনি গ্রামের কিছু
অশিক্ষিত
ছেলে মেয়ে ল্যাংটা ছবি বানাতে গিয়ে
ধরা
খেয়েছে ।।
* এইবার প্রশ্ন শুধু একটা বলুন অসভ্য এবং
নির্লজ্জ
কারা??
এটার নাম ই কি শিক্ষিত সমাজ?
এটার নাম ই কি সভ্যতা?
কেউ কেউ বলে ‘তাহলে কি দেশ থেকে শিক্ষা তুলে দিলে ভালো হবে?
আমি বলি কেনো শিক্ষা তুলে দিবে?
প্রতিটা স্কুল কলেজে যদি ধর্মিয় শিক্ষা -বোরকা ‘হিজাব বাধ্যতা মূলক করা হতো’আর ছেলে মেয়েদের ওপেন চলাচল বন্ধ করে দেয়।তাহলে হয়তো কিছু কিছু শিক্ষিত অসভ্য মানুষ কিছুটা সভ্য হতো।

আমি কথাগুলো সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলিনি ।
শুধু যারা এই সব করে তাদের বলছি ।

আরে শিক্ষা অর্জন করো ঐ শিক্ষা -যে শিক্ষা মানুষকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।
দুনিয়া ও আখিরাত সুন্দর করে-
সমাজের মানুষ তাকে ভালো বলবে।
সবার কাছে সম্মান পাবে।

আর হমম কিছু কিছু মা ও বাবার উদ্দেশ্যে বলছি।
সন্তানের খুজ খবর নেনতো ঠিকঠাক ।কি করে কোথায় যায়?
কি ভাবে চলাফেরা করে?
ও মা ও বাবা তোমরা কি জানোনো -ছেলেমেয়েদের জন্যই তোমরা অপরাধ না করেও অপরাধী হবে।এদের জন্যই তোমাদের কে জাহান্নামে দিবে।
কেনো তোমরা ছেলে মেয়ের জন্য শাস্তি ভোগ করবে?
সময় থাকতে তোমরা তোমাদের ছেলে ‘মেয়েকে
বুঝাও কোন কাজ করলে ভালো হবে -কোনটা করলে খারাপ ।
ভালো কাজের আদেশ এবং খারাপ কাজের নিষেধ করো।
আর ভাই বোনদের উদ্দেশ্যে বলছি ।
তোমরা কি চাও – নিজের কঠিন পরিস্থিতি ও মা বাবার শাস্তি।
আশা করি কোনো ছেলে কিংবা মেয়েরা
নিজের _ এবং মা বাবার খারাপ টা চায় না।

ওকে ‘
পরিশেষে সবাইকে বলতে চাই ।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ো।
হালাল হারাম মেনে চলো’
আল্লাহর আদেশ নিষেধ- নবীর সুন্নত অনুযায়ী জীবন গড়ো'”
তবেইতো জীবন সুন্দর ও সার্থক হবে।

★#বিঃদ্রঃ- পোষ্টটি কেমন লাগল?
আপনার মূল্যবান লাইক ও কমেন্ট দিয়ে জানাতে ভুলবেন না।
পোস্ট ভাল লাগলে #শেয়ার_করবেন

“ ম্যাডাম! ঐখানে যত বেশি ঘষবেন! ঐটা ততই বাড়বে!

ছোট্র বাচ্চাদের ক্লাসে ঢুকে শিক্ষিকা দেখলেন, ব্লাকবোর্ডে ছোট করে ‘বালের এর ক্লাশ’ এই লাইনটি লেখা।

ভীষণ রেগে গিয়ে, তারাতারি করে সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে দিয়ে শিক্ষিকা বললেনঃ ‘কে লিখেছে এটা?’

কিন্তু কেউ উত্তর দিলো না।
পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার একই লাইনটি আরেকটু বড় করে লেখা।

আবারও ক্ষেপে গিয়ে শিক্ষিকা বললেনঃ ‘কে লিখেছে এটা?’

এবারো কেউ উত্তর দিলো না।
শিক্ষিকা আবার সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।

পরদিন আবার ক্লাসে সেই একই কান্ড, এবার লাইনটি আরো বড় করে লেখা।
এবার শিক্ষিকা কিছু না বলে শুধু ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে দিলেন লেখাটা।

তার পরদিন আবারও একই কান্ড, এবার সম্পূর্ন ব্লাকবোর্ড জুড়ে ঐ একই লাইন লেখা।
শিক্ষিকা বহুকষ্টে মেজাজ ঠিক রেখে ডাস্টার ঘষে লেখাটা মুছলেন!

তার পরদিন ক্লাসে এসে শিক্ষিকা দেখলেন, ব্লাকবোর্ডে লেখাঃ ↓ ↓ ↓
.
.
.
.
.
.
. . . . . . . . “ ম্যাডাম! ঐখানে যত বেশি ঘষবেন! ঐটা ততই বাড়বে!

হাসির জোকসঃ চাকরীর ইন্টারভিউতে যত কান্ড

প্রথম প্রার্থী এক বাঙালি ইন্টারভিউ রুমে ঢুকেছে….
বসঃ দিল্লী চলো কে ডাক দিয়েছিলেন ?
বাঙালিঃ স্যার নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস l
বসঃ  বাঃ বাঃ খুব ভালো, আচ্ছা একজন
দেশপ্রেমিকের নাম বলুন তো ?
বাঙালিঃ স্যার অনেকেই তো আছেন, যেমন
মহাত্মা গান্ধী l
বসঃ বাঃ বাঃ খুব সুন্দর, আচ্ছা বলুন তো
ভারত কবে স্বাধীন হয় ?
বাঙালিঃ স্যার, ভারত ১৯৪২ সালে স্বাধীন হবো
হবো করতে করতে শেষে ১৯৪৭ সালের
১৫ই আগস্ট স্বাধীন হয় l
বসঃ খুব সুন্দর ! আচ্ছা এবার লাস্ট
প্রশ্ন,
বলুন তো আকাশে কত গুলো তারা আছে ?
বাঙালিঃ স্যার এখনও সেটা প্রমানিত হয়নি
তবে বিজ্ঞানিদের গবেষণা চলছে l
বসঃ এবার আপনি আসতে পারেন l
******************************
******* বাঙালি চলে যাবার সময় পরের প্রতিযোগী
এক বিহারী ছিল l কিন্ত সে বাংলা জানেনা,
তাই বাঙালিকে দরজার কাছে খুব তাড়াতাড়ি
জিজ্ঞেস করলো——ভাই তোমাকে কি কি
প্রশ্ন
ধরলো ? বাঙালিঃ ভাই প্রশ্ন আমার মনে নেই, তবে
উত্তর গুলো হল…..
1) নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস
2) অনেকেই তো আছে, যেমন মহাত্মা গান্ধী
3) ১৯৪২ সালে হবো হবো করতে করতে
শেষে ১৯৪৭ সালে ১৫ই আগস্ট
4) ঠিক এখনও জানা যায়নি, বিজ্ঞানিদের
গবেষণা চলছে
বিহারির প্রবেশ…..
বসঃ আপনার নাম কি ?
বিহারীঃ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস l

বসঃ (অবাক হয়ে) আপনার বাবার নাম
কি?
বিহারীঃ অনেকেই তো আছে, যেমন মহাত্মা
গান্ধী l
বসঃ (আরও অবাক হয়ে) আপনার কবে
জন্ম হয়েছে ? বিহারীঃ ১৯৪২ সালে হবো হবো
করতে করতে
শেষে ১৯৪৭ সালে ১৫ই আগস্ট l
বসঃ আপনি কি পাগল হয়ে গেছেন ?
বিহারীঃ ঠিক এখনও জানা যায়নি, তবে
বিজ্ঞানীদের গবেষনা চলছে l
বসঃ অজ্ঞান…..

রাতে যত দেরি করে খাবেন তত বিপদ!

রাতে যত দেরি করে খাবেন তত বিপদ

দেরি করে ঘুমোন? রাতের খাবারও দেরিতে খান? ভুল করছেন। যত দেরি করে খাবেন, তত বিপদ। দেরি করে রাতের খাবার হার্টের জন্য বিপদ ডেকে আনে। বাড়বে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা। ডায়াবেটিসের আশঙ্কা। এতো খাবার! তাও আবার রাতে!

ঘড়ির কাঁটা ১০টা ছোঁয়ার পর রাতের খাবার খেয়েছেন তো বিপদে পড়েছেন। রাতের খাবারের আদর্শ সময় ১০টা। তারপরে রাতের খাবার খেলেই বিপদ।

স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ক্রনিক অম্বল, গ্যাসের সমস্যা। বাড়বে রক্তচাপ। স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ বাড়বে। ওজন বাড়ার সম্ভাবনা।

বদলাচ্ছে লাইফস্টাইল, নতুন প্রজন্মের খাদ্যাভ্যাস বদলে যাচ্ছে। ঘুম থেকে উঠেই কেরিয়ারের পিছনে ছোটা। দিনভর ছুট, ছুট আর ছুট। খাওয়ার রুটিনটাই বদলে গিয়েছে। কিন্তু শরীর তো আর সেকথা শুনবে না। সে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। নিয়ম বদলালেই শরীরের দফারফা। তাই শরীর ঠিক রাখতে ঠিক সময়ে পরিমাণমতো খাওয়া আর রাতে পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি।  

সাম্প্রতিক একটি মার্কিন গবেষণা বলছে, বেশি রাতে খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়লে খাবার হজম হয় না। ফলে, অম্বল, বুক জ্বালা, অস্বস্তি। বদহজমে বারবার ঘুমও ভেঙে যেতে পারে। ধীরে ধীরে ইনসমনিয়ার মতো রোগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে।

রাতে যত দেরি করে খাবেন তত বিপদ
রাতে যত দেরি করে খাবেন তত বিপদ

বেশি রাতে খাওয়ার ফলে পরের দিন সকালে খিদে পাবে না। ফলে ব্রেকফাস্ট বাদ। একে বলে মর্নিং অ্যানোরেক্সিয়া। কিন্তু সারাদিনের খাওয়ার মধ্যে ব্রেকফাস্টই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

রাতে জাঙ্ক খাবার, মিষ্টি বা নোনতা খাবার বা উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা অনেকটা বেড়ে যায়।
ধীরে ধীরে শরীরে ফ্যাট জমা হবে। ওবেসিটির সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বেশি রাতে খেয়েই ঘুম। ব্যস। ব্লাড প্রেসার বাড়বে। তাই রাত ১০টার মধ্যে খেয়ে নিতেই হবে। খেয়েই ঘুমিয়ে পড়া চলবে না। অন্তত ২ ঘণ্টা পর ঘুমতে হবে।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, বেশি রাতে খাবার খেলে স্মৃতিশক্তির ওপর প্রভাব পড়ে। ভবিষ্যতে অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগ হতে পারে।  

গবেষকদের দাবি, ভরপেট খাবার না খেয়ে একটু স্যালাড, অল্প একটু গরম দুধ খাওয়া যেতে পারে। সহজ পাওয়া যায় শাক-সবজি খাওয়াই ভালো। রেড মিট, ভাজাভুজি, সোডা, ক্যান্ডি খাওয়া চলবেই না। রাতের খাবার আর ঘুমানো যাওয়ার মধ্যে অন্তত ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখতেই হবে। ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, রাতের খাবারের মধ্যে সঠিক ব্যালান্স করতে হবে। একেবারে অনেকটা না খেয়ে সারাদিনে অল্প পরিমাণে খেতে হবে।

মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে মানুষ কি দেখতে পায় | জানলে আৎকে উঠবেন (ভিডিও সহ)

মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে মানুষ কি দেখতে পায় | জানলে আৎকে উঠবেন (ভিডিও সহ)

মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে মরণাপন্ন ব্যক্তি তার মৃত বন্ধু, স্বজনদের দেখতে পান! মৃত্যু যত কাছে আসে মরনাপন্ন মানুষটা মৃত ব্যক্তিকে তত স্পষ্ট, বেশি করে দেখতে পায়। ক্যানিসিয়াস কলেজের বিজ্ঞানীদের করা এক সমীক্ষায় এ দাবি করা হয়েছে।

দাবি করা হয়েছে, ৬৬ জন মরণাপন্ন ব্যক্তিকে হাসপাতালের এক বিশেষ ঘরে রাখার পর তারা জানিয়েছেন তাদের দেখতে এসেছে এমন কিছু মানুষ যারা আগেই ধরাধাম ত্যাগ করেছেন।
সেইসব মরণাপন্ন মানুষরা জানিয়েছেন, মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই বন্ধু ও আত্মীয়রা রয়েছেন। এ কথা জানিয়েই তারা মারা যান। সেই রিপোর্টে এমনও দাবি করা হয়েছে যে, মৃত্যুর মাসখানেক আগে থেকেও অনেক মরণাপন্ন রোগী মৃত ব্যক্তিদের দেখতে পান।

এই রিপোর্ট নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। মৃত্যুর আগে মানুষের সঙ্গে ঠিক কী হয় তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা গবেষণা চলছে। অনেকেই দাবি করেছিলেন মরণাপন্ন ব্যক্তিরা নাকি মৃত ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন।

ভিডিওঃ-

প্রভা-মিলা-শমী কায়সারসহ এক ডজন জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নামে যত স্ক্যান্ডাল

প্রভা-মিলা-শমী কায়সারসহ এক ডজন জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নামে যত স্ক্যান্ডাল

তারকাদের জীবনে স্ক্যান্ডাল কখনো আশীর্বাদ, অভিশাপরূপে আসে। শুধু সেক্স স্ক্যান্ডাল দিয়ে রাতারাতি বড় তারকা বনে গেছেন হলিউডের কিম কার্দেশিয়ানের মতো আরো অনেক তারকা। আবার সেক্স স্ক্যান্ডালের কারণে ক্যারিয়ারে ধস নেমেছে এমন উদাহরণ বাংলাদেশী প্রভাসহ অনেক আছে।হলিউড কিংবা বলিউডের মতো সেক্স স্ক্যান্ডালের ঘটনা বাংলাদেশের শোবিজে খুব বেশি নেই। যা আছে তাও ফেক। তারকারা অপপ্রচারের বলি। তবে সব যে অপপ্রচার তাও নয়। আসুন দেখি কম বেশি যাদের এসব সেক্স স্ক্যান্ডাল ছড়িয়েছে তা জেনে নেই।

প্রভা-মিলা-শমী কায়সারসহ এক ডজন জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নামে যত স্ক্যান্ডাল
প্রভা-মিলা-শমী কায়সারসহ এক ডজন জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নামে যত স্ক্যান্ডাল

শমী কায়সারা: শমী কায়সার বেশ কিছুদিন থেকে অভিনয়ের বাইরে আছেন। একসময়ে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন শমী কায়সার। শমী কায়সার তার অভিনয় জীবনে সবচেয়ে আলোচিত হন সেক্স স্ক্যান্ডালের কারণে। কলকাতার রিঙ্গোকে ভালোবেসে বিয়ে করেন তিনি। তাদের গোপন ভিডিও বাজারে আসে ২০০৩ সালের দিকে। এসময় সিডি তৈরি করে ব্যবসা করেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।সাদিয়া জাহান প্রভা: জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা যখন দেশের শীর্ষ মডেল ও অভিনেত্রী, ঠিক সেই সময়েই তার একটি ভিডিও ফুটেজ বাজারে ছাড়েন তার সেই সময়ের হবু বর রাজীব। মুহূর্তেই তা দেশ বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাজীব এবং প্রভার বিয়ে পারিবারিকভাবেই চূড়ান্ত হয়েছিলো। সব ঠিকঠাক এগুচ্ছিলোও। তাই অনেকটা দাম্পত্য জীবনের মতোই ছিলো তাদের সম্পর্ক। কিন্তু এর মাঝে অভিনেতা অপূর্বর সাথে প্রভার মনদেয়া নেয়া হলে প্রভা পালিয়ে অপূর্বকে বিয়ে করে বসেন। এরপরই প্রতিহিংসার বশে রাজীব তার হবু স্ত্রী প্রভার একান্ত সময়ের কিছু ফুটেজ ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন। প্রভার পক্ষ থেকে এমনটাই অভিযোগ করা হয়েছিল। এ নিয়ে তুমুল বিতর্কে পরেন প্রভা। অপূর্বর সাথেও সংসার ভেঙ্গে যায়। ক্যারিয়ারে ধস নামে। দীর্ঘ ২ বছর মিডিয়া থেকে আড়ালে ছিলেন তিনি।পপ তারকা মিলা: জনপ্রিয় পপ শিল্পী মিলা’র ক্যারিয়ার শুরু হয় গানের মাধ্যমেই। পরে অবশ্য বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনেও মডেলিং করেন এই পপ তারকা। কিন্তু ক্যারিয়ারের জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই তার নাম চলে আসে ভিডিও স্ক্যান্ডালের তালিকায়। ইন্টারনেটে ‘মিলা’ নামে একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ৩৩ সেকেন্ডের ঐ ভিডিওটিতে মাতাল অবস্থায় থাকা তরুণীর চিত্র রয়েছে। এ ঘটনার কয়েকমাস পর মিলা এ বিষয়ে মুখ খোলেন। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত ভিডিও চিত্রের মেয়েটি তিনি নন। এটি আসলেই মিলা কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তবে স্ক্যান্ডাল থেকে রক্ষা পাননি তিনি।নাদিরা নাছিম চৈতি: প্রভার আপত্তিকর ভিডিও চিত্র প্রকাশ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই পরের বছরই মডেল ও উপস্থাপিকা চৈতির একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ হয়। নির্মাতা এনামুল কবির নির্ঝরের সাথে এই ভিডিওতে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায় চৈতিকে। ভিডিওটি মোবাইলে ধারণ করা হয়েছিলো। এই আপত্তিকর ভিডিও চিত্রটি প্রকাশের পরপরই তুমুল সমালোচনার মধ্যে পড়েন চৈতি। এ ঘটনা মিডিয়া অঙ্গনসহ সাধারণ মহলেও বিষয়টি নিয়ে কড়া সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর অনেক দিন মিডিয়ায় দেখা যায়নি এই তারকাকে।ইভা রহমান: সঙ্গীতশিল্পী ইভা রহমানের নামে একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ভিডিও চিত্র প্রচুর জনপ্রিয়তা পায়। ভিডিও দৃশ্যে দেখা যায়, একটি হোটেল কক্ষে এক বিদেশীর সাথে সেক্স করছেন ইভা রহমানের মতো দেখতে এক নারী। ইভা রহমান অবশ্য জোর গলায় এটিকে গুজব বলে উড়িয়ে দেন।নোভা: মডেল অভিনেত্রী নোভার নামও জড়িয়ে পরে ভিডিও স্ক্যান্ডালে। ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময়ে একটি ভিডিও ফুটেজ বিতর্কে ফেলে দেয় এই তারকাকে। ২০১০ সালে তার নামে একটি অর্ধ বিবসনা ফুটেজ ছড়িয়ে পরে। যা এ তারকাকে স্ক্যান্ডালের তালিকায় ফেলে দেয়। যদিও ফুটেজটির মেয়েটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি: ভিডিও স্ক্যান্ডালের সাথে জড়িয়ে পরে বাংলাদেশের জনপ্রিয় মডেল অভিনেতা তিন্নি-হিল্লোল জুটি। একটি হোটেল কক্ষে তরুণ-তরুণীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধারণকৃত একটি ভিডিও ফুটেজ দুজনের নামে ছেড়ে দেয়া হয় বাজারে। ভিডিওটির পাত্র-পাত্রী হিসেবে চলে আসে এ জুটির নাম। এই ভিডিওটির সত্যতা মেলেনি। কিন্তু সমালোচনার হাত থেকে রেহাই মেলেনি এই তারকা-জুটির।আনিকা কবির শখ: জনপ্রিয় মডেল আনিকা কবির শখের নামে একটি ভিডিও ফুটেজ বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে ২০১১ সালের মাঝামাঝিতে। ভিডিও ক্লিপটি প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই এটি নানাভাবে ছড়িয়ে পরে সর্বত্র। ভিডিওতে বিবসনা নারীটি আসলেই শখ কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ার পর শখের ক্যারিয়ার ইমেজে দর্শকদের নেতিবাচক বার্তা পৌছায়।বিদ্যা সিনহা মীম: লাক্স সুপারস্টার জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মীম বেশ ক্লিন ইমেজ নিয়েই মিডিয়ায় ছিলেন। কিন্তু এতে বাঁধা হয়ে উঠে একটি আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ। গত বছর এক বিদেশি ক্রিকেটারের সাথে আপত্তিকর দৃশ্যের এ ফুটেজ প্রকাশ হয়। এনিয়ে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে এটা আসলেই তারকা বিদ্যা সিনহা মিম কিনা তা নিয়েও অনেকে সংশয় প্রকাশ করেন।মেহজাবিন: বাংলাদেশের সেক্স স্ক্যান্ডালের সর্বশেষ বলি উঠতি তারকা মেহজাবিন। কিছুদিন আগে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে মেহজাবিনের নামে এক পর্নো ক্লিপ। মেহজাবিন অবশ্য জানিয়েছেন, এটি স্রেফ ভাইরাস। তার বিরুদ্ধে শত্রুতা করে কে বা কারা তার নামে এই অপপ্রচার চালিয়েছে।সারিকা: ভিডিও স্ক্যান্ডালের ফাঁদে পড়তে হয়েছে জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সারিকাকেও। ইন্টারনেটে বেশ কয়েকটি ওয়েব সাইটে সারিকার নামে একটি পর্ণো ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হয়। এই ভিডিও চিত্রটিও সেলফোন, মনিটরে ঘুরে ঘুরে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে প্রকাশিত ভিডিওর নারী চরিত্রটি সারিকা নয় বলে তার ঘনিষ্ঠজনরা দাবি করেছেন।পড়শী: বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী পরশীও রেহাই পায়নি এই সাইবার ক্রাইম থেকে। ভিডিও স্ক্যান্ডালের শিকার হতে হয়েছে তাকেও। পরশীর নাম ব্যবহার করে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়। যদিও ভিডিওর মেয়েটির পরিচয় জানা যায়নি।

তুমি আমাকে যত পার শাস্তি দাও | তবুও আল্লাহ্ প্রতি ভালোবাসা এক বিন্দুও কমবে না

তুমি আমাকে যত পার শাস্তি দাও তবুও আল্লাহ্ প্রতি ভালোবাসা এক বিন্দুও কমবে না, বরং বাড়বে"

ফেরাউন কন্যার চুল আঁচড়ানোর কাজে নিয়োজিত ছিল একজন মহিলা। কোনো একদিন ফেরাউন কন্যার চুল আঁচড়ানোর সময় সহসা চিরুণি তার হাত থেকে মাটিতে পড়ে গেল। তা ওঠাতে গিয়ে আনমনে তার মুখ থেকে বের হয়ে পড়ল,বিসমিল্লাহ্। আল্লাহু আকবর।
এ কথায় ফেরাউনের কন্যার সন্দেহ হলে জিজ্ঞেস করল, ফেরাউন ছাড়াও কি তোমার কোনো আল্লাহ আছে নাকি? দাসী জবাবে বলল,
“আমার আল্লাহ সেই যে ফেরাউনেরও আল্লাহ। শুধু ফেরাউন নয় সে আকাশ জমিনেরও আল্লাহ। তিনি একক তাঁর কোনো শরীক নেই।

একথা শুনে রাগে ফেরাউনের কন্যা অগ্নিশর্মা হয়ে পিতার কাছে গিয়ে বলল, আব্বা আমার চুল বিন্যাসকারিণী বলে কি, আমার আল্লাহ সেই যে ফেরাউনেরও আল্লাহ, আসমান জমিনেরও আল্লাহ। তার কোনো শরীক নেই।

তুমি আমাকে যত পার শাস্তি দাও  তবুও আল্লাহ্ প্রতি ভালোবাসা এক বিন্দুও কমবে না, বরং বাড়বে"
তুমি আমাকে যত পার শাস্তি দাও তবুও আল্লাহ্ প্রতি ভালোবাসা এক বিন্দুও কমবে না


ফেরাউন বলল, এক্ষুণি তাকে হাজির কর’। সাথে সাথে তাকে হাজির করা হলো। 
সেও নির্ভয়ে হাজির হলো।
আজ তার আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার ঈমানী পরীক্ষার দিন। এতে প্রাণ দিতে হলে দেবে। তারই ভালোবাসায় যদি জীবন দেওয়া যায় তবেই তো ধন্য।

ফেরাউন জিজ্ঞেস করল, তুমি আমাকে ছাড়া অন্য কারও ইবাদত কর?
তিনি বললেন, “হ্যাঁ”।
ফেরাউন বলল, সে আল্লাহকে ছেড়ে এখনই আমার সামনে আমার আল্লাহয়ী স্বীকার কর’।
তিনি বললেন, “না কিয়ামত পর্যন্তও তা আমার দ্বারা সম্ভব হবে না”।

নির্দেশ দেওয়া হলো তাকে সিকল দিয়ে বেধে ফেলার। তৎক্ষণাৎ তাকে শুইয়ে তার হাতে ও পায়ে সিকল বাধা হলো। তারপর আল্লাহ ওয়ালাদেরকে কষ্ট দেওয়ার জন্য যে বিষাক্ত সাপ, বিচ্ছু রাখা হতো তাও এনে তার উপর ছেড়ে দেওয়া হলো।

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

লাবণ্যময়ী ত্বক পেতে অ্যালোভেরার যত ব্যাবহার

আজকাল প্রতিটা নারীই তার সৌন্দর্য সম্পর্কে সচেতন।সুন্দর ও আকর্ষণীয় ত্বক সকলেরই স্বপ্ন। এই স্বপ্ন পূরণের জন্য ব্যবহার করা হয় নানা ধরনের ক্রিম এবং ফেসপ্যাক। অথচ হাতের কাছে থাকা একটি প্রাকিতিক উপাদান দিয়ে নিখুঁত ও সুন্দর ত্বক পাওয়া সম্ভব। আর সেই জাদুকরী উপাদানটি হলো অ্যালোভেরা জেল। আসুন, তাহলে আজ জেনে নেওয়া যাক অ্যালোভেরার কিছু কার্যকরী ফেসপ্যাকের কথা।

লাবণ্যময়ী ত্বক পেতে অ্যালোভেরার যত ব্যাবহার
লাবণ্যময়ী ত্বক পেতে অ্যালোভেরার যত ব্যাবহার

১। অ্যালোভেরা জেল, মধু এবং এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো দিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে এই প্যাকটি।

২। একটি অ্যালোভেরা পাতার জেল এবং দুটি লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি রোদেপোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।

৩।  মুলতানি মাটি, অ্যালোভেরা জেল, মধু এবং অর্ধেকটা লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী।

৪। মসুর ডালের গুঁড়ো, অ্যালোভেরা জেল, অর্ধেকটা টমেটোর পেস্ট, সামান্য আদার পেস্ট মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা দুধ মেশাতে পারেন।

৫। অ্যালোভেরা জেল, শসার পেস্ট, টকদই এবং মধু একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি ত্বকের নানান সমস্যা সমাধান করে দেবে