গরুর পেটে অদ্ভুত ছিদ্র, ঢুকে যাচ্ছে মানুষের হাত!

কখনও কি গরুর পেটে কি আছে উঁকি মেরে দেখেছেন? কখনও ভেবেছেন গরুর পেটের মধ্যে হাত ঢোকানোর কথা? শুনতে অবাক হলেও সুইৎজারল্যান্ডের গ্রাঙ্গেনিউভের অ্যাগ্রোস্কেপের গবেষকরা নিত্য এই কাণ্ড Continue reading “গরুর পেটে অদ্ভুত ছিদ্র, ঢুকে যাচ্ছে মানুষের হাত!”

গতকাল থেকে ইয়াবা সেবনের পরপরই ইয়াবা সেবনকারি মারা যাচ্ছে।(বিস্তারিত ভিডিওতে)

মায়ানমার আর্মি নাকি এক প্রকার বিষ দিয়ে ইয়াবা বানিয়ে বাজারে ছাড়ছে। রোহিংগাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছে। এজন্য মায়ানমার সরকার ইয়াবার সাথে বিষ মিশিয়ে বাংলাদেশের বাজারে ছেড়েছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী নিরীহ জনগণদের বাঁচাতে হাজার কোটি টাকার ইয়াবা নষ্ট করে ফেলছে ।

বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান সংস্থার তথ্য মতে, নাখালপাড়াতে ইয়াবা খেয়ে একটা মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটছে এই সপ্তাহে। আর গতকাল ৪/৫ জন ইয়াবা খাওয়ার পরে প্রেশার অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। ইমিডিয়েট হসপিটালাইজ করতে হয়েছে।
মেরুল বাড্ডাতে এ পর্যন্ত দু জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এবং ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের মুখ দিয়ে লালচে লালা বের হচ্ছে !! মারা যেতে পারে যে কোন মুহূর্তে।
দয়া করে এই খবরটি কপি-পেস্ট করে ছড়িয়ে দিন। ইয়াবা সেবনকারীরা এদেশেরই নাগরিক। কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেটে প্রাণঘাতী উপাদান মেশাচ্ছে মায়ানমার। এই নতুন ইয়াবা সেবনের ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই মানুষের সেরিব্রাল এটাক হয় এবং মাথার রক্তনালী ফেটে গিয়ে তাৎক্ষনিক মৃত্যু হয়। জীবন বাঁচাতে ইয়াবা সেবন থেকে নিবৃত করুন।
মানবসেবায়ঃ বাংলাদেশ ম্যান ফর ম্যান

সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেয়া, মধ্যবর্তী নির্বাচন-কী হতে যাচ্ছে?

মারাত্মক সাংবিধানিক সঙ্কটে ধাবিত দেশ- এ রকম আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিদ্বজ্জনেরা। আশা ছিল, শুভবুদ্ধির উদয় হবে। সঙ্কটের সফল সমাপ্তি ঘটবে। শাসক দলের নরম-গরম বক্তৃতা এবং পর্দার অন্তরালে আপসরফার প্রয়াস দেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল সাংবিধানিক পথেই অগ্রসর হবে উভয়পক্ষ। কিন্তু আকস্মিকভাবেই প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার একটি মন্তব্য সর্বোচ্চ কর্তৃত্বকে বেসামাল করে তোলে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তি ও গণমাধ্যম বিষয়টিকে উসকানিমূলকভাবে পরিবেশন করে। উদাহরণস্বরূপ সস্তায় বিক্রীত একটি দৈনিকে শিরোনামটা ছিল এরকম ‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে অপসারণের কথা অ্যাটর্নি জেনারেলকে স্মরণ করিয়ে দিলেন এস কে সিনহা’।

অথচ বক্তব্যটি এমন ছিল না। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম যখন বলেন, চার দিকে ঝড় উঠেছে তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, ঝড় তো আপনারাই তুলেছেন। পাকিস্তানে রায়ের পরে তো কোনো ঝড় ওঠেনি। এ বক্তব্যকে বিকৃত করে যখন পরিবেশিত হয়, তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

তার বক্তব্যের সারাংশ এ রকম : ক. ‘সব সহ্য করা যায়, কিন্তু পাকিস্তানের সাথে তুলনা করলে এটা আমরা কিছুতেই সহ্য করতে পারব না। পাকিস্তানে রায় দিলো দেখে কেউ ধমক দিবে- জনগণের কাছে এর বিচার চাই, … আজকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সাথে কেন তুলনা করবে? খ. অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করতে দেয়া হবে না। যদি কেউ সে অপচেষ্টা চালায়, তাকে সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। গ. সব বিচারপতির স্বাধীন মতামত দেয়া নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায়ে সব বিচারপতি স্বাধীনভাবে মতামত দিতে পেরেছেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই সুযোগটা বোধ হয় প্রধান বিচারপতি দেননি’।

প্রধানমন্ত্রী প্রধান বিচারপতির নিয়োগ, জাতীয় সংসদ, অবৈধ ক্ষমতা দখল, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি বিষয়ে বক্তব্য দেন। এসব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘এ কথাগুলো বলার আগে ওই পদ থেকে তার সরে যাওয়া উচিত ছিল’। সংসদের বৈধতা ও অবৈধতা প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনী আইনে আছে, অন্য কোনো প্রার্থী না থাকলে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। কোনো দল নির্বাচনে অংশ না নিলে যিনি এভাবে নির্বাচিত হয়ে আসেন সেটা তো তার দোষ না। সে জন্য সংসদের বৈধতা ও অবৈধতার প্রশ্ন আসতে পারে না’।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করলে এটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, তিনি প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ওপর মহা ক্ষিপ্ত হয়েছেন। কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় নিয়মতান্ত্রিকতার যে খানিকটা সুর ধ্বনিত হচ্ছিল, তার তীব্র বাক্যবাণে তা নস্যাৎ হয়ে গেল। তিনি প্রকারান্তরে প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। পরবর্তীকালে তার এই আহ্বানকে কার্যকর করার জন্য যে অপকৌশল আওয়ামী লীগ নিয়েছে, তা যেকোনো আইনকানুন, রীতি-রেওয়াজ, ভদ্রতা-সভ্যতা, শিক্ষা-সংস্কৃতির বিরোধী।

আওয়ামী লীগের নেতা, পাতি নেতা, হাইব্রিড নেতা সবাই তারস্বরে চিৎকার করছেন প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চেয়ে। আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ২৩ আগস্ট হাইকোর্টের সামনে মানববন্ধন করে প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ দাবি করে এবং এ জন্য পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়। আওয়ামী লীগের নেতারা এমন কোনো কুৎসিত মন্তব্য বাকি রাখেননি, যা তারা সুরেন্দ্র কুমার সিনহার প্রতি আরোপ করেননি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী তাকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ উল্লেখ করেছেন। অপর দিকে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বলেছেন, ‘যারা বঙ্গবন্ধুর একক নেতৃত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তাদের রক্ত পরীক্ষা করা উচিত। এই স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বাংলাদেশে বসবাস করলেও অন্তরে তাদের পাকিস্তান’। যেকোনো ব্যক্তি যখন কোনো না কোনোভাবে আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করে অথবা তাদের স্বার্থের প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়, তখন তারা সেই ব্যক্তিকে স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী বলে চিহ্নিত করে। এ ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। তবে ভাগ্যবান সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোক। আর তা না হলে ইতোমধ্যে রাজাকার খেতাব পাকাপোক্ত হয়ে যেত। তারা সিনহাকে শান্তি কমিটির লোক বলেও প্রচার করেছে। কিন্তু, নাগরিকসাধারণ যা বোঝার তা-ই বুঝেছেন।

সবচেয়ে মৌলিক আইনগত এবং সাংবিধানিক প্রশ্ন, সরকার পক্ষ কি এটা পারেন? আইন যদি সবার জন্য সমান হয়, হাকিম নড়ে তো হুকুম নড়ে না- এ কথা যদি সত্যি হয়, তাহলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ কি এ রকম বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে পারে? এখন একজন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রায় ফেরানোর জন্য কি দেনদরবার করতে পারে? সে যদি তা না পারে তাহলে সরকার, সংসদ ও দল কেউই তা পারে না। তাকে অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়ায়ই অগ্রসর হতে হবে। স্বাভাবিক ছিল ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের পর্যালোচনা চেয়ে আবেদন করা- সরকার তা বলেছিল। কিন্তু তা না করে তারা অবৈধ, অন্যায় ও অনিয়মতান্ত্রিক পথে পা বাড়িয়েছেন। ২০১৪ সালে বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা যখন জাতীয় সংসদ নিজ হাতে তুলে নেয়, তখন সাধারণ নাগরিকেরা বিচলিত ছিল এই ভেবে যে, নাগরিক অধিকারের শেষ আলোটুকু অর্থাৎ উচ্চ আদালতের কাছে আবেদন করার শেষ সুযোগটুকুও বুঝি থাকছে না। স্মরণ করা যেতে পারে, তত দিনে ক্ষমতাসীনেরা আইনসভা বেআইনিভাবে দখল করেছে। প্রশাসনকে দলের অংশে পরিণত করেছে।

‘আইন ও শৃঙ্খলাবাহিনীর গোপালীকরণ’ করেছে। মানুষের দাঁড়ানোর আর কোনো জায়গা নেই। অবশেষে ট্যানেলের শেষে আলোর রেখা দেখা গেল। ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের সূত্রে অনেক আশা করে তারা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন সংখ্যালঘু ব্যক্তিত্বকে প্রধান বিচারপতি পদে অধিষ্ঠিত করেন। অনেকে তখন বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেনি। কিন্তু, তারা এখন দেখতে পাচ্ছেন যে একজন আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি কিভাবে শক্তিমত্ততার সাথে লড়াই করে চলছেন। নাগরিকসাধারণ শঙ্কিত। তারা কখন কী করে বসে!

সরকারি দলের এই অবস্থানের বিপরীত হচ্ছে বিরোধী দলের অবস্থান। এত দিন ধরে নিপীড়ন, নির্যাতন ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে অক্ষমতা বিরোধী দলকে নিঃশেষ করে ফেলছিল। ষোড়শ সংশোধনীর রায়ে তাদের বিরুদ্ধে অনেক স্পর্শকাতর মন্তব্য আছে। তবুও হয়তো ‘শেষ ভালো’ হিসেবে তারা রায়টি গ্রহণ করেছে। ষোড়শ সংশোধনীর রায় এবং পর্যালোচনা অবশেষে বিরোধী দল যুক্তি উত্থাপন করেছে- প্রথমত, এ রায়ের মাধ্যমে সরকার শাসন করার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে। দ্বিতীয়ত, সংসদ অকার্যকর এ মন্তব্যের ধারাবাহিকতায় সংসদের কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তৃতীয়ত, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং দলীয়করণের মাধ্যমে যেভাবে ‘সুশাসনের অভাব’ দৃশ্যমান হয়েছে তাতে শাসক দলের অযোগ্যতা প্রমাণ করেছে।

চতুর্থত, নির্বাচনব্যবস্থাকে বিশেষ করে ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে যেভাবে ‘প্রতিনিধিত্বহীন’ করা হয়েছে তাতে সংসদীয় গণতন্ত্রের অকার্যকারিতা এবং অপরিপক্বতা প্রমাণ হয়েছে। পঞ্চমত, বিগত বছরগুলোতে অনানুষ্ঠানিক যে জনমত দেখা গেছে, তাতে মানুষ তেতিয়ে উঠেছে। ‘বারুদের গন্ধ চারিদিকে’। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের ভাষায় ‘ঝড় উঠেছে’।

সুতরাং বিরোধীদের দাবি, সরকারের পদত্যাগ করা উচিত। শুধু প্রধান বিরোধী দল নয়, সব বিরোধী দল সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। বামমোর্চা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে যে, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী রায় নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা, তাদের সমর্থিত আইনজীবী, মন্ত্রী, এমপিরা যেভাবে এই রায়ের পর্যবেক্ষণ উচ্চ আদালত, এমনকি প্রধান বিচারপতিকে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ করে বক্তব্য দিচ্ছেন, যা উচ্চ আদালতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। তাদের বক্তব্য-বিবৃতি শিষ্টাচারের সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে সম্মানিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাবেক প্রেসিডেন্ট বি. চৌধুরী, ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখ নেতৃবৃন্দ সরকারের অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছেন। বিচার বিভাগ নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় পেশাজীবী তথা সিভিল সোসাইটি সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছে। আইনজীবীদের শীর্ষ সংগঠনগুলো এবং অন্যান্য পেশাজীবী সম্প্রদায় সরকারের শক্তি প্রয়োগের সমালোচনা করেছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক- সুজন মনে করে, বর্তমান সংসদ বহাল রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। ষোড়শ সংশোধনী রায়ের ধারাবাহিকতায় এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন হয়। অর্থাৎ সর্বাত্মকভাবে সরকারের পদত্যাগ অথবা সংসদ ভেঙে দেয়া অথবা মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে সর্বত্র জল্পনা-কল্পনা ও আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে।

পদত্যাগ আন্দোলনের প্রতিযোগিতা যখন শুরু হয়েছে, তখন কাউকে না কাউকে হয়তো পদত্যাগ করতে হতে পারে। ক্ষমতাসীন সরকারের জন্য যেহেতু এটি একটি মানসম্মানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, তারা হয়তো চাইবে ‘ছলে, বলে, কলে, কৌশলে’ এস কে সিনহাকে পদত্যাগে বাধ্য করতে। এমনকি তারা অসাংবিধানিক পথও বেছে নিতে পারে। সংবিধানে এবং বর্তমান বাস্তবতায় তাকে অপসারণের কোনো অবকাশ নেই। এতদসত্ত্বেও সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক সরকারকে অপসারণের কুবুদ্ধি বাতলিয়েছেন। প্রধান বিচারপতিকে সামরিক সরকারের মতো বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানিয়ে পদত্যাগের আহ্বান হয়তো সম্ভব হবে না। গণমাধ্যম জগতে স্ব-আরোপিত অথবা সরকার আরোপিত সেন্সর কাজ করছে কি না, জানি না।

তবে ইতোমধ্যে ফেসবুকে প্রধান বিচারপতি সিনহার পোস্ট থেকে জানা গেছে, তিনি ‘শির দেগা নেহি দেগা আমামা’। তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবেন না। জেদাজেদি কারোর জন্যই ভালো নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক সঙ্কটের ফলে কোনো ‘রাজনৈতিক দুর্যোগ’ নেমে আসুক নাগরিকসাধারণ তা কামনা করে না। এত কিছু সত্ত্বেও সমস্যাটির রাজনৈতিক সমাধানের পথে সংশ্লিষ্ট সবাই অগ্রসর হবেন- এই প্রত্যাশা সবার। ‘শুভস্য শীঘ্রম’।

বার্সা ফ্যান কাঁদিয়ে, এবার কোন পথে যাচ্ছে মেসি |

দলবদলের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটাই মনে হয় খাচ্ছে বার্সালোনা।  এক নেইমারকে হারিয়েই টালমাটাল অবস্থা বার্সার।  এখন যদি মেসিও চলে যায় তাহলে নিশ্চিত ভাবেই বিপদে পড়বে বার্সালোনা।

ছয় সপ্তাহ আগেই তৈরি হয়ে গেছে চুক্তির কাগজপত্র।  কিন্তু এখনো সেখানে সই করেনি কোন পক্ষই।  সঙ্গে উসমান ডেম্বেলের সঙ্গে বার্সার চুক্তি আর মেসিতে ম্যানচেস্টার সিটির আগ্রহ; সবমিলিয়ে এক জানুয়ারি মেসির বার্সেলোনা ছাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সবচেয়ে বড় খবরটি দিয়েছেন বার্সেলোনার 

সভাপতি পদে নির্বাচন করা প্রার্থী আগুস্তো বেনেদিতো।  স্প্যানিশ এক রেডিওর কাছে দাবি করেছেন, ২০১৮ সালের এক জানুয়ারি বার্সা ছাড়ছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।

এদিকে ডেম্বেলকে বার্সায় ভেড়ানো হয়েছে ১৩৮ মিলিয়ন পাউন্ডে।  চুক্তি শেষ, আনুষ্ঠানিকতা বাকি।  এই খবর চাউর হয়েছে ইএসপিএনের সাংবাদিক ফার্নান্দো পালামোর বরাত দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘যতদূর জানি, চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা দ্রুতই শেষ হবে।  কাতালানরা ডেম্বেলের জন্য সবমিলিয়ে ১৫০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করবে। ’

যদিও ম্যানচেস্টার সিটি ৩০০ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজ পরিশোধ করে হলেও মেসিকে কিনতে প্রস্তুত।  বেশ কয়েক বছর ধরেই ফুটবল জাদুকরকে দলে পেতে মরিয়া ইংলিশ ক্লাবটি।  মেসিকে প্রস্তাব দেওয়ার খবরটিও বেশ ফলাও করে প্রচার করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষস্থানীয় ক্লাবটি।

ক্লাবটির জন্য শাপেবর হয়ে এসেছে বার্সার নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে মেসির কোন্দল।  এমন সময়ই চুক্তির শেষ অবস্থানে মেসি।  তাই বার্সা ছাড়ছেন মেসি, আলোচনাটা আরও বেশি গাঢ় হচ্ছে।  সাবেক সতীর্থ নেইমারের পথই অনুসরণ করবেন তিনি, এমনটাই ভাবা হচ্ছে। 

বিচারের দাবিতে কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছে সালমান শাহের ভক্তরা

বিচারের দাবিতে কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছে সালমান শাহের ভক্তরা

সালমান শাহের খুনিদের শাস্তির দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলনে নামছে সালমান শাহ ঐক্য জোট। সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক কবি এসপি সেবু সিলেট থেকে জাগো নিউজকে এমনটা জানান।

তিনি বলেন, আজ শনিবার সিলেটে সালমান শাহের খুনিদের হত্যার দাবিতে সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে সেটা হয়নি।

সেবু বলেন, ‘আমরা কর্মীরা সংক্ষিপ্ত আলোচনা করি সিলেটের সামলান শাহের দারিয়াপাড়ার বাসায় সামনে। আমাদের এই আলোচনা সভার নেতৃত্ব দিয়েছেন সালমান শাহ ঐক্য জোটের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও সালমান শাহের মামা আলমগীর কুমকুম। সেখানে পরবর্তী কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়।’

এ ব্যাপারে আলমগীর কুমকুম জাগো নিউজকে বলেন, ‘পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে সালমান শাহ ঐক্য জোটের পক্ষ থেকে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর গণ অনশন ও বিক্ষোভ মিছিল করা হবে। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর সারাদেশের ৮টি বিভাগের মোট ৪৫টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত সালমান ঐক্য জোটের থেকে অর্ধদিবস কিংবা পূর্ণদিবস হরতালের ডাক দেয়া হবে।’

এদিকে কবি এসপি সেবু বলেন, ‘আমাদের দাবি একটাই। সালমান শাহের খুনিদের ফাঁসি চাই। মৃত্যুর ২১ বছর পর এসে নতুন করে যে রহস্য তৈরি হয়েছে আসামী রুবির ভিডিও দিয়ে সেটিকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। এই রুবিকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। সালমানের খুনিদের শাস্তি বাংলার মাটিতেই দেখতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘সালমান শাহের মা লন্ডনে রয়েছে। উনি মানসিক ভাবে ভেবে পড়েছেন। আমার সঙ্গে শুক্রবার রাতে কথা হয়েছে। এই সপ্তাহেই নীলা ম্যাডাম দেশে ফিরবেন বলে জানান। এরপর তিনি আমাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করবেন।’

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান সালমান শাহ। তখন এটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন আলামতে বোঝা যায়, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি, তাকে খুন করা হয়েছিল। গেল সোমবার রুবি নামের এক আমেরিকা প্রবাসী নারী ফেসবুক লাইভে এসে জানান, সালমান শাহকে খুন করা হয়েছিল। তিনি সব জানেন। যদিও দুদিন পর রুবি সব অস্বীকার করেন।

গত দুই দশকেও এই মামলার রহস্য উদঘাটন হয়নি। পুলিশ দুই দফা ময়নাতদন্ত করে একে আত্মহত্যাই বলেছিল। কিন্তু নারাজি আবেদন করেছে সালমান শাহের পরিবার। মামলাটির বিচার বিভাগীয় তদন্তও হয়েছিল। এখন মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইয়ে রয়েছে।

নুসরাত ফারিয়া একি করলো | যার কারনে তাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে

যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র ‘আশিকী’ দিয়ে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু নুসরাত ফারিয়ার। এই চলচ্চিত্র দিয়েই উপস্থাপনা থেকে চলচ্চিত্র নায়িকা হিসেবে পদচারণা তার।

চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া ঢাকাই ছবিতে এসেছেন খুব বেশি দিন না হলেও, আসার পর থেকে প্রশংসার তুলনায় তার নামে সমালোচনাই বেশি হয়েছে। নানা কারণে হয়েছেন বিতর্কিত।

গতকাল (২৬মে) শুক্রবার সন্ধ্যায় ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত জিৎ-নুসরাত ফারিয়ার ‘বস টু’ সিনেমার ‘আল্লাহ মেহেরবান’ শিরোনামের একটি আইটেম গান। সব কিছু ঠিক থাকলে আসছে ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে দুই বাংলার আলোচিত মুক্তি প্রতীক্ষিত ‘বস- টু’ সিনেমাটি।

এই সিনেমার আরেক আকর্ষণ দুই নায়িকা এক নায়ক। জিৎ -ফারিয়া ছাড়াও আরেক নায়িকা হিসাবে থাকছেন টলিগন্জের আরেক জনপ্রিয় নায়িকা শুভশ্রী গাঙ্গুলি।

এর আগে ২০১৩ সালে কলকাতায় জিৎ ও শুভশ্রী অভিনীত ‘বস’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল এবং ব্যবসা সফল হয়। এর সিক্যুয়েল হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে ‘বস ২’ ছবিটি। এবার বস ২ নিয়েও দর্শকদের প্রত্যাশা তুঙ্গে এবং দুই নায়িকার সঙ্গে জিৎ এর রসায়ন নতুন করে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন সিনেমা প্রেমীরা।

কিন্তু মুক্তির আগেই সমালোচনার জড় বইতে শুরু করেছে এই সিনেমার ‘আল্লাহ মেহেরবান ‘ এ গানটি নিয়ে। কারণ দিন পেরোলেই শুরু মুসলিম ধর্মের সিয়াম সাধনার মাস। তাছাড়া রমজান মাসের এক দিন আগে এমন শিরোনামের গান প্রকাশ মানে দর্শকরা ভেবেই নিয়েছেন যে, এটি ধর্মীয় ঘরানার গান। কিন্তু, গানের কথা নিয়ে কোনো আপত্তি না থাকলেও গানের দৃশ্যে ফারিয়ার পোশাক ও নাচ কড়া সমালোচিত হচ্ছে।

যদিও গানটি মুক্তির ২৪ ঘন্টা আগেই গণ্ডগোল পাকিয়ে গেল অন্তর্জালে। ২৫ মে ফেসবুকে এটি মুক্তির আগাম খবর জানালো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া। যেখানে গানের শিরোনামের সঙ্গে নুসরাত ফারিয়ার বেশ খোলামেলা একটি ছবি সংযুক্ত ছিল। অন্তর্জালে বিষয়টি নিয়ে খটকা আর সমালোচনা শুরু তখন থেকেই।

যে সমালোচনার আগুনে ঘি পড়েছে গানটির ভিডিও প্রকাশের পর থেকে। যেখানে গানের শিরোনাম, কথা অথবা ভাবধারার সঙ্গে ফারিয়ার খোলামেলা উপস্থিতি দারুণ সাংঘর্ষিক বলেই মনে করছেন বেশিরভাগ সিনেমাপ্রেমী ও সমালোচক।

অবাক করার বিষয় হলো, গানটির সঙ্গে জিৎ-এর কালো কাবলি-পাগড়ি-ড্রেসআপ এবং উপস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক অথবা মার্জিত। ফলে গানটিতে বাংলাদেশের মেয়ে নুসরাত ফারিয়ার এমন খোলামেলা উপস্থিতি কতটা প্রাসঙ্গিক আর কতটা উদ্দেশ্যমূলক- সেটি নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে প্রচুর।

আল্লাহ মেহেরবান গানের দৃশ্যে নুসরাত ফারিয়া
আল্লাহ মেহেরবান গানের দৃশ্যে নুসরাত ফারিয়া

তবে গানের শিরোনাম এবং রোজাকেন্দ্রিক এই সময়টাকে ‘স্কিপ’ করে গেলে- প্রাঞ্জলের কথায়, জিৎ গাঙ্গুলীর সুর-সংগীতে, নাকাশ ও জনিতার গাওয়া গানটি এক কথায় অসাধারণ। এতে ফারিয়া দারুণ সাবলীল এবং সেট-কোরিওগ্রাফি অদ্ভুত সুন্দর।

এদিকে গানটি প্রকাশের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে বইছে সমালোচনার ঝড়। দর্শকরা গানটির ছবি শেয়ার দিয়ে মন্তব্য করছেন- ‘আল্লাহ মেহেরবার’ গানটি ছবি থেকে বাদ দেয়া হোক! আবার কেউ গানটি ‘বস ২’ ছবি থেকে বাদ দেয়ার জন্য চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।`

এই গানের জন্য শুধু নুসরাত ফারিয়াকে নয়, সঙ্গে দর্শকরা ধুয়ে দিচ্ছেন দেশের অন্যতম চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়াকে।

গতকাল জাজ মাল্টিমিডিয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ফ্যান পেজে ছবিটির গান শেয়ার দেওয়া হলে মন্তব্যের বাক্সে সমালোচনার ঝড় উঠে। স্বপ্নিল আরিফ নামে একজন লিখেছেন, বস২ সিনেমার আল্লাহ মেহেরবান গানের ভিডিও দেখলাম নাকি সানি লিওনের পানিওয়ালা ডান্স গানের ভিডিও দেখলাম। আল্লাহর নামকরে এই সব কাপড় পড়ে ডান্স ছি…ছি….ছি….শেষ পর্যন্ত আল্লাহর নাম নিয়া ভণ্ডামি শুরু হলো বাংলা সিনেমায়।

মো. আলামিন নামে একজন লিখেছেন, মহান আল্লাহ পাকের নাম দিয়ে গান করে অশালীন ডেস পরে নাচানাচি করে অন্তত মুসলমানদের মনে আঘাত করা হয়েছে,,, গানটাকে সিনেমা থেকে বাদ দেওয়ার আহবান করছি। আপনার সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষ সব ধর্মের মানুষ আপনাদের ভালবাসবে এটায় স্বাভাবিক কিন্তু আপনাদের মনে রাখা দরকার কোন কারণে কোন ধর্মের মানুষ যেন ছোট না হয়ে যায়।

এস মুন্না আরেকজন লিখেছেন, গান আর দুনিয়ার বুকে ছিলনা আল্লাহকে নিয়ে বানিয়েছে আবার মুখে আল্লাহর নাম নিচ্ছে, আর নাচতেছে অশ্লীল ভঙ্গিমায়। মোটেই ভাল হয় নি……..ছি ছি নুসরাত ফারিয়া. তাই অামরা বস ২ বাংলাদেশ থেকে বয়কট করব।

শাহারিয়ার হাসান লিখেছেন, আপনাদের কমনসেন্স দেখে আমি কি বলব রাগে ভাষা খুজে পাচ্ছি না, আপনারা এই রকম একটা আইটেম সং এ কিভাবে আল্লাহর নাম জরানোর সাহস পেলেন! সবকিছুর লিমিট থাকা উচিত, এখন কি ধর্ম বেইচ্চা ব্যবসা করার কথা ভাবতেছেন? বাংলাদেশের হয়ে থাকলে চালাইয়েন এই গান, মানুষজন হল ভাইঙ্গা থুইয়া আসবে! যদি পারেন তো মানুষকে সুস্থ বিনোদন দেন আর না হলে দিয়েন না, তাও এমন ভন্ডামি কইরেন না।

আল কায়ছার নামে একজন লিখেছেন, ‘বস-২’ ছবির ‘আল্লাহ মেহেরবান’ শিরোনামের গানটি ছবি থেকে বাদ দেওয়া হোক। ফাইজলামীর একটা সীমা থাকে। ‘আল্লাহ মেহেরবান’ শিরোনামে গানের কথার সাথে নুসরাত ফারিয়ার অর্ধনগ্ন হয়ে নৃত্য মেনে নেওয়া যায় না। ‘আল্লাহ মেহেরবান’ শিরোনামে কখনো আইটেম গান হতে পারে না। ছবিটির সাথে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করছি, গানটি ছবি থেকে বাদ দিন এবং গানটির সমস্ত প্রচারণা বন্ধ করুন।

বাবা যাদব পরিচালিত এই ছবিতে জিতের বিপরীতে অভিনয় করেছেন নুসরাত ফারিয়া ও শুভশ্রী ছাড়া আরও আছেন ইন্দ্রনীল, অমিত হাসান প্রমুখ। জাজ মাল্টিমিডিয়া ও কলকাতার জিতস ফিল্ম ওয়ার্কস প্রাইভেট লিমিটেডের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে এ ছবিটি।

২০১০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক’ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে মিডিয়ায় যাত্রা শুরু করেন নুসরাত ফারিয়া। দাদা আর্মি অফিসার ছিলেন। সেই সূত্রে ঢাকার ক্যান্টনমেন্টে যৌথপরিবারে তার শৈশব কৈশোর কেটেছে। তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো হলো, আশিকী, হিরো ৪২০, বাদশা-দ্যা ডন, প্রেমী ও প্রেমী, ধ্যাততেরিকি ও বস টু। এ বছরই আসছেন ডিটেকটিভ ও গাওয়াহ নামের দুটি চলচ্চিত্র নিয়ে। বলিউড থেকে মুক্তি পাবে হিন্দি ছবি গাওয়াহ।

জানলে অবাক হবেন | ২কেজি পাথরকুচি পাতা থেকে তৈরি বিদ্যুৎ চলবে ১ বছর (ভিডিও সহ)

জানলে অবাক হবেন | ২কেজি পাথরকুচি পাতা থেকে তৈরি বিদ্যুৎ চলবে ১ বছর (ভিডিও সহ)

শুধু ব্যাবহারেই নয় প্রযুক্তির উদ্ভাবনে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। পাটের জীবন রহস্য উদ্ঘাটন সহ অসংখ্য আবিষ্কার তার প্রমান। তেমনই অর্জন বিকল্প বিদ্যুৎ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চাইলে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাদ দিতে পারেন, কারন পাথরকুচি পাতা থেকে বিদ্যুৎ আবিষ্কার করার উপায় বের করেছেন আমাদের বাঙ্গালি বিজ্ঞানী। বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন-

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লুঙ্গি পরেই শেষ করতে যাচ্ছেন শিক্ষা জীবন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লুঙ্গি পরেই শেষ করতে যাচ্ছেন শিক্ষা জীবন

লুঙ্গি পরে ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছেন শাহরিয়ার হোসেন l প্রথম আলোখাবারের দোকানে কাজ করা তরুণ, সিগারেট বিক্রেতারাও আজকাল লুঙ্গি পরেন না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। সবাই প্যান্ট পরেন। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে লুঙ্গি পরে ঘুরে বেড়ান। ক্লাসও করেন লুঙ্গি পরে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লুঙ্গি পরেই শেষ করতে যাচ্ছেন শিক্ষা জীবন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লুঙ্গি পরেই শেষ করতে যাচ্ছেন শিক্ষা জীবন

ব্যতিক্রম এই শিক্ষার্থীর নাম শাহরিয়ার হোসেন ওরফে অনিক। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়ছেন। মেহেরপুরের মুজিবনগরে তাঁর বাড়ি।গত মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কথা হয় শাহরিয়ারের সঙ্গে। খয়েরি চেকের লুঙ্গির সঙ্গে সাদা ফুলহাতা শার্ট। পায়ে স্যান্ডেল। একটু আগে তিনি বাংলা একাডেমি থেকে উত্তরাধিকার পত্রিকাসহ বই কিনে ফিরেছেন।লুঙ্গির প্রসঙ্গ তুলতেই শাহরিয়ার বললেন, ‘গ্রামে সবাই পরে। শহরে বাসাবাড়িতে পরে। এই ঢাকা শহরে রাস্তাঘাটে বহু মানুষ লুঙ্গি পরে চলাচল করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প​রলে সমস্যা কী? শুনেছি, গুলশানে রিকশাচালকদেরও লুঙ্গি পরে ঢোকা নিষেধ। পোশাক দিয়ে কেন উঁচু-নিচু ভেদাভেদ করা হচ্ছে?’লুঙ্গি পরে ক্লাসে যাওয়াকে শিক্ষক-সহপাঠীরা কীভাবে দেখেন? ‘প্রথম দিকে শিক্ষকেরা বিরক্ত হয়েছিলেন। সহপাঠীরা পাগলও ডাকতেন। এখন আর সমস্যা হচ্ছে না’—বললেন শাহরিয়ার।ক্যাম্পাসে শাহরিয়ারের বন্ধুর সংখ্যা একেবারে কম নয়। তবে তিনি আড্ডা দেন কম। বেশির ভাগ সময় বই পড়ে সময় কাটান। অবশ্য পাঠ্যবইয়ে আগ্রহ কম। শুধু নম্বর পাওয়ার জন্য পড়তে ভালো লাগে না তাঁর। পরীক্ষার ফলাফলও আহামরি নয়। তা নিয়ে আক্ষেপও নেই।এসব ‘পাগলামো’ বাড়িতে জানে? শাহরিয়ার লাজুক হাসেন। বলেন, লুঙ্গি পরে ক্লাস করার কথা জানে না। জানলে বাবা বকবেন না? ‘আপনি লিখলে বাবা পড়বেন, আর হেসে হেসে বকা দেবেন।’বাবা শাহার আলী স্বাস্থ্য বিভাগের পরিদর্শক। মা আয়েশা সিদ্দিকা গৃহিণী। তিন ভাই, এক বোনের মধ্যে শাহরিয়ার বড়। জানালেন, বাবা তাঁর আসল বন্ধু। ছোটবেলা থেকে তিনিই সাহিত্যের বই কিনে দিতেন। প্রতিটি বইমেলার সময় কিছু টাকা আলাদা করে দিতেন বই কেনার জন্য।এবারের মেলার সময় বাবা কম টাকা দিয়েছেন জানিয়ে শাহরিয়ার বলেন, ‘মন খারাপ হয়েছিল। বাবাকে না জানিয়ে ১৫ হাজার টাকা ধার করে বই কিনে ফেলেছি। সেই টাকা এখনো শোধ করতে পারিনি। বাবা মাসখরচের যে টাকা দেন, তা থেকেও বই কিনে ফেলি। মাসের শেষের কটা দিন কষ্ট করে চলি।’সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়েও কথা বলেন শাহরিয়ার। তাঁর আক্ষেপ, উত্ত্যক্তের শিকার ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে একজন বাবা আত্মহত্যা করলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা কত কিছু নিয়ে আন্দোলন করেন, এটা নিয়ে কিছু করলেন না।পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করবেন না শাহরিয়ার। দেশি মাছ ও মুরগির খামার করার ইচ্ছা। বাবাও বলেছেন, ‘চাকরি করতেই হবে, তা তো না।’ তারপর উদাস কণ্ঠ শাহরিয়ারের, ‘কত ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। দেশি ধানের জাতগুলো হারিয়ে যাচ্ছে।’শাহরিয়ারের বন্ধু তৌফিক আনজাম, আশিক, মাহমুদুল হাসান সিদ্দিকসহ অন্যরা তাঁকে মেধাবী বলেই মানলেন। তাঁর লুঙ্গি পরাকে পাগলামো নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক সীমাবদ্ধতা থেকে বেরিয়ে আসার উদাহরণ হিসেবেই দেখতে চান তাঁরা।আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. তানজীম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, স্রোতের বিপরীতে দাঁড়ানোর জন্য যে মানসিক শক্তি দরকার, তা এই ছেলের আছে। এ কথাও ঠিক, ব্রিটিশ শাসকেরা যদি লুঙ্গি পরতেন, আমরাও লুঙ্গি পরতাম। এ ধরনের ব্যতিক্রমী চিন্তার মানুষ এখন কম। আমরাও এ ধরনের চিন্তার মানুষকে দূরে ঠেলে দিই। থাকুক না কিছু ব্যতিক্রম।’

পলিব্যাগ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্লাস্টিকের চাল!দুনিয়া কোথায় যাচ্ছে ?

পলিব্যাগ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্লাস্টিকের চাল! দুনিয়া কোথায় যাচ্ছে ?? Artificial rice making with poly bag! বছর দুয়েক আগে থেকেই আমরা দেখছি বাংলাদেশের সবার কাছেই পরিচিত হয়ে উঠেছে নকল ডিম। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ডিমের পাশাপাশি এখন চালেরও নকল তৈরি হচ্ছে।
নাইজেরিয়ার কাস্টমস অফিসাররা ১০২ ব্যাগ নকল চাল জব্দ করেছেন। এর মাঝে পাওয়া যায় প্লাস্টিকের চালসদৃশ গুটি। ওই ব্যবসায়ী দেশের ভেতরে এগুলো চালান দিয়ে ক্রিসমাসের সময়ে তা বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছিল।

পলিব্যাগ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্লাস্টিকের চাল!
পলিব্যাগ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্লাস্টিকের চাল!

প্রায় বছরখানেক ধরে মূল্যস্ফীতি প্রতি মাসেই বেড়ে চলেছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে। গত ডিসেম্বরে এক ব্যাগ চালের দাম যা ছিলো, এখন তা হয়ে উঠেছে প্রায় দ্বিগুণ। এ কারণে একদম সাধারণ খাবার জোগাড় করতে গিয়েও হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। এই সুযোগে কিছু মানুষ টাকা অর্জনের শর্টকাট উপায় হিসেবে কম দামে বিক্রি করার চেষ্টা করছে নিকৃষ্ট মানের এমনকি বিপজ্জনক পণ্য।

লাগোসের কাস্টমস চিফ হারুনা মামুদু জানান, তাদের কর্মকর্তারা মোট ২.৫৫ টন চাল জব্দ করে, যার ব্র্যান্ডের নাম ছিলো “বেস্ট টমেটো রাইস”। এতে কোনো ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট ছিল না। কর্মকর্তারা এই চাল সেদ্ধ করে দেখেন তা ঠিক চালের মতো নয়। ফলে তা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য।
দি গার্ডিয়ান জানায় মামুদুর ভাষ্যমতে: “আমরা এই চাল প্রাথমিক পর্যায়ে বিশ্লেষণ করি। সেদ্ধ করার পর এটা আঠালো হয়ে যায় আর মানুষ খেলে যে কি অবস্থা হতো ঈশ্বর জানেন।”
এখনো জানা যায়নি এই চাল আসলে কোথায় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু নকল খাদ্যদ্রব্য তৈরিতে চীনের কুখ্যাতি আছে। এ কারণে অনেকেই আঙ্গুল তুলছেন চীনের দিকেই। ২০০৮ সালে দুধে মেলামাইন মেশানোর স্ক্যান্ডাল আমাদের সবারই জানা। এরপর ২০১১ সালে কোরিয়া টাইমসের একটি রিপোর্টে বলা হয় চীনে এমন নকল চাল তৈরি হয়। এই রিপোর্টের মতে, এই চাল তৈরিতে আলু, মিষ্টি আলু এবং প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয় এবং চীনের বাজারে প্রচুর বিক্রি হয় এই চাল।
নকল ডিমে যেমন কোনো খাদ্যগুণ নেই, বরং মানবদেহের জন্য তা ক্ষতিকর হতে পারে, একই কথা এই চালের জন্যও প্রযোজ্য। প্লাস্টিকের উপস্থিতি যে মানুষের জন্য খারাপ, তা বলাই বাহুল্য।