রাসুল (সাঃ)-এর এই ভবিষ্যতবাণী কি ১০০% মিলে যায় নি?

রাসুল (সাঃ) বলেছেন, সিগ্রই আমার উম্মতের কিছু লোক মূর্তিপূজা করবে এবং কিছু লোক মুরতিপুজারিদের সাথে মিশে যাবে। (সুনান ইবনে মাজাহ- ৩৯৫২) Continue reading “রাসুল (সাঃ)-এর এই ভবিষ্যতবাণী কি ১০০% মিলে যায় নি?”

মেয়েদের খাতনা করা কি জায়েজ?

মেয়েদের খৎনা করা এটা শুধু শাফেয়ী ও হামবলী মাযহাবে আছে তাও তাদের মাযহাবে সেটা সুন্নত। তবে আমরা মেয়েদের খৎনা করাটা অস্বীকার করি কারন সাহাবীরা এটা করেন নি। এটা মূলত বেদুঈনদের রীতি তবে Continue reading “মেয়েদের খাতনা করা কি জায়েজ?”

শিক্ষণীয় একটি গল্পঃ….চোখের পানি ধরে রাখা যায় না …

এক বিবাহিত যুবক, কঠিন রোগে মৃত্যু শয্যায় তার স্ত্রীকে ডাকলেন।তার চোখ দিয়ে অনুশোচনার অশ্রু ঝরছে।যুবকের স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন,এবং এটিই তাদের প্রথম সন্তান!
সে স্ত্রী কে বললো: দেখো,আমি সারা জীবনে নামাজ-রোজা করিনি!আজ মৃত্যু সময়ে ভুল ভেঙ্গে গেছে,কিন্তু আমি নিরুপায় আমার আর কিছু করার সময় সুযোগ হলো না। যদি তোমার গর্ভের সন্তান বেঁচে থাকে,বড় হয় তাহলে তুমি তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিও।শুনেছি সন্তানের উসিলায়ও বাবা মা বেহেশতে যেতে পারে!
স্ত্রী তাকে শান্তনা দিয়ে বললেন,তোমার কথাই রাখবো!
দু দিন পর যুবক মারা গেলেন।এর কয়েক দিন পর তার স্ত্রীর একটি ছেলে জন্ম নিলো!অনেক কষ্টের মাঝে যখন
ছেলেটির বয়স ছয় বছর পুর্ণ হলো তার মা তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিলেন!
প্রথম দিন মাদ্রাসায় শিক্ষক তাকে একটি আয়াত শিখালেন।

আয়াতটি হলো: ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম!
(পরম করুনাময় মহান আল্লাহ্ তায়ালার নামে শুরু করছি! )
মাদ্রাসা থেকে বাড়ীতে যাওয়ার পর ছেলেকে নিয়ে স্ত্রী স্বামীর কবরের কাছে জিয়ারতে গেলেন!
ছেলেকে কবরের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে মা বললেন,ঐ তোমার বাবার কবর।ওখানে গিয়ে তোমার বাবার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবে!
(মাদ্রাসায় পড়া শিশুরা প্রায় সব সময় তাদের শিখিয়ে দেয়া আয়াত বা কালাম এমনি এমনি পড়তে থাকে)
এত ছোট্ট শিশু কিভাবে দোয়া করতে হয়,কিছুই জানে না।কিন্তু মাদ্রাসায় শিখানো জীবনের প্রথম আয়াতখানা বার বার কবরের সামনে তিলাওয়াত করতে লাগলো।

ওই ছোট্ট মুখের তিলাওয়াতের এমন শক্তি,আমার আল্লাহর দরবারে বিনা বাধায় পৌঁছে গেলো।মালিকের রহমতের দরিয়ায় বাঁধভাঙা জোয়ারের ডাক এসে গেলো!
মহান আল্লাহ্ তায়ালা আজাবের ফেরেশতাদের
বললেন,এই মুহুর্তে ওই কবরবাসীর কবর আজাব বন্ধ করে দাও!
ফেরেশতারা বললোঃ হে দয়াময় পরোয়ারদিগার এই লোকটির আমলনামায় এমন কী পুণ্য পাওয়া গেলো?
যে তার জন্য নির্ধারিত কঠিন কবরের আজাব ক্ষমা করে দেয়া হলো?
ফেরেশতারা শোনো:
কবরের উপরে একটা অবুঝ শিশু বার বার তিলাওয়াত করছে,”বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”!
তিলাওয়াতকারী এই কবরবাসীর ওয়ারিশ,তার অবুঝ সন্তান।সে স্বাক্ষী দিচ্ছে আল্লাহ্ রাহমানির রাহিম!
-আল্লাহ্ পরম দয়ালু।
আমি যদি কবরবাসীকে ক্ষমা না করি,তাহলে আমি কেমন দয়ালু?
(সুবহানাল্লাহ)
আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার ও আমল করার তৌফিক দান করুন…
বাবা মার জন্য বেশি বেশি দোয়া করুন।

যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করবেন
আপনাদের লাইক কমেন্ট শেয়ারই আমাদের নতুন
একটি পোস্ট করার অনুপ্রেরণা যোগায়…

পাঁচমিশালীঃ চশমায় উলঙ্গ দেখা যায়

স্ত্রীর দিকে মনোযোগ

ইতিহাসের ক্লাশ চলছে . . .
শিক্ষকঃ তুমি কি জানো, আলেকজান্ডার কে?
ছাত্রঃ না স্যার!
শিক্ষকঃ জানবে কিভাবে? যদি পড়াশুনায় মনোযোগ দিতে তাহলে ঠিকই জানতে।
ছাত্রঃ স্যার আপনি কি জানেন শামসু কে?
শিক্ষকঃ না তো!
ছাত্রঃ জানবেন কিভাবে? যদি আপনার স্ত্রীর দিকে মনোযোগ দিতেন তাহলে ঠিকই জানতেন’

দুই জন থেকে তিন জন

বিল্টু গ্রামে তার মায়ের কাছে ফোন করেছে…
বিল্টুঃ মা, একটা সুখবর আছে।
মাঃ বলিস কি! তাড়াতাড়ি বলে ফেল।
বিল্টুঃ এখন থেকে আমরা দুই জন থেকে তিন জন
হয়ে গেছি, মা।
মাঃ এই সুখবরটা এত দেরিতে বললি কেন?
তা ছেলে না মেয়ে হয়েছে রে?
বিল্টুঃ ওসব কিছু না। আমার বউ
আরেকটি বিয়ে করে ফেলেছে, মা!

কো-ও-ত করে পাদ দিল….

একদি বুড়ো আর বুড়ি ভাত
খেতে বসলো ।
বুড়া কানে একটু কম শুনে ।
.
খাওয়ার সমায় বুড়ি
কো-ও-ত করে পাদ দিল ।
-বুড়া বলে কে রে দরজা খুললো ।
.
-পাশের রুম থেকে ছেলের বউ
বলে::-
.
.
আম্মা দরজাটা বন্ধ করেন,
কুকুর ঢুকবে ।

সোনিয়া ছোট ছোট কাপড় পরে !!!

বস: আচ্ছা সোনিয়া, তুমি এত ছোট ছোট কাপড়
পরে অফিসে আস কেন?
সোনিয়া: বস, আপনি খুব কম বেতন দেন বলে আমার
পর্যাপ্ত কাপড় কেনার জন্য বাড়তি টাকা থাকে না।
.
.
.
.
.
.
.
বস: আগামী মাস থেকে তোমার বেতন বন্ধ….!

চশমায় উলঙ্গ দেখা যায়

আবুল চিন দেশে বেড়াতে গেছে। ওখানে গিয়ে একটা (x-ray optic) চশমা কিনছে। যে চশমা চোখে দিলে সবাইকে কাপড় ছাড়া দেখা যায়। তো চিন দেশে ওই চশমা পরে ভালো মজা মারছে। এবারে বাসায় এসে দেখে আবুলের স্ত্রী তার বন্ধুর সঙ্গে উলঙ্গ হয়ে সুয়ে আছে। আবুল তাড়াতাড়ি চশমা খুলে ফেলল। তবু দেখে একয় অবস্তা। আবুল এবারে রাগ হয়ে এক আচাড়ে চশমা ভেঙ্গে ফেলে বলল। শাল চায়না জিনিসের কোনো গেরান্টি নেই। চায়না চশমা চোখে দিয়ে আমার চোখেই চায়না হয়ে গেছে।

মানুষ যখন ক্ষুদ্ধ ও রাগান্বিত হয়, তখন সে শয়তানের হাতের খেলার ’বল’ হয়ে যায়।

“শয়তানের গোমরাহ করার
প্রচেষ্টা”
বনী ইসরাঈলের এক বুযুর্গকে শয়তান
গোমরাহ ও পথভ্রষ্ট করার জন্যে
বারবার চেষ্টা করেছেন; কিন্তু
পারেননি। একদিন তিনি বিশেষ
কোন প্রয়োজনে কোথাও
যাচ্ছিলেন। শয়তানও তখন তার
সঙ্গী হয়ে পড়ল। পথে রিপুকাম ও
ক্ষোভের অনেক হাতিয়ারই ব্যবহার
করল সে। মাঝে মধ্যে তাকে ভয়
দেখাবারও চেষ্টা করল। কিন্তু ব্যর্থ
হলো বারবারই।
বুযুর্গ একবার পাহাড়ের পাদদেশে
বসেছিলেন। শয়তান তখন পাহাড়ের
উপরে উঠে একটি পাথর ছেড়ে দিল।
বুযর্গ যখন লক্ষ করলেন বিশাল একটি
পাথর তার দিকে গড়িয়ে পড়ছে। তখন
তিনি আল্লাহর যিকিরে মশগুল হয়ে
পড়লেন। পাথর তাকে পাশ কেটে
অন্য দিকে গড়িয়ে পড়ল। শয়তান বাঘ
ও সিংহের আকৃতি ধরে তাকে ভয়
দেখাতে চাইল। তাতেও কাজ
হলোনা। একবার বুযুর্গ নামায
পড়ছিলেন। শয়তান তখন সাপের
আকৃতি ধরে বুযুর্গের মাথা থেকে পা
পর্যন্ত জড়িয়ে ধরল। অতঃপর তার
ফনাটি সিজদার স্থানে বিছিয়ে
দিল। বুযুর্গ এতেও ভীত হলেন না।
এবার শয়তান পূর্ণ নিরাশ হয়ে
সম্পূর্ণ নিজের আকৃতিতে সেই
বুযুর্গের সামনে এলো এবং বলল :
আপনাকে গোমরাহ করার সকল
কৌশলই আমি অবলম্বন করেছি।
কিন্তু তার কোনটিই কাজে আসেনি।
তাই আমি এখন আপনার সাথে বন্ধুত্ব
করতে চাচ্ছি। সিদ্ধান্ত নিয়েছি
এখন থেকে আপনাকে আর ভ্রষ্ট করার
চেষ্টা করবনা। সুতরাং আপনিও
বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিন। বুযুর্গ
বললেন : এটাতো তোর সর্বশেষ
কৌশল। দুর্ভাগা, তোর ভীতি
প্রদর্শনেও আমি ভীত হইনি। তোর
বন্ধুত্বেরও আমার কোন প্রয়োজন
নেই।
শয়তান তখন বলল : আমি কি
আপনাকে একথা বলে দিব, মানুষকে
আমি কিভাবে গোমরাহ করি?
বুযুর্গ বললেন : বল।
শয়তান বলল : তিনটি বিষয়ের
দ্বারা-
১. কার্পণ্য, ২. ক্রোধ ও ৩. নেশা।
শয়তান বলল : মানুষের মধ্যে যখন
কার্পণ্য সৃষ্টি হয়, তখন সঞ্চয়ের
নেশায় পড়ে যায়। খরচ করেনা।
অন্যের হক নষ্ট করে। আর মানুষ যখন
রাগান্বিত হয়ে পড়ে, তখন সে
আমাদের হাতের খেলনায় পরিণত
হয়। যেমন ছোট বাচ্চাদের হাতে
খেলার বল থাকে ঠিক তেমন। আমরা
তার ইবাদত বন্দেগীর মোটেও
পরোয়া করিনা। সে যদি স্বীয় দু’আর
দ্বারা মৃতকে জীবিতও করে তবুও
আমরা নিরাশ হইনা। আমরা একটি
কথায় তার সকল বন্দেগী মাটিতে
মিশিয়ে দেই। আর মানুষ যখন নেশা
করে মাতাল হয়ে পড়ে, তখন আমরা
ছাগলের মত তার কান ধরে যে কোন
পাপের দিকে নিয়ে যাই এবং খুব
সহজেই নিয়ে যাই।
ফকীহ আবুল লাইস (রঃ). বলেন : এ
ঘটনায় জানা গেল মানুষ যখন ক্ষুদ্ধ ও
রাগান্বিত হয়, তখন সে শয়তানের
হাতের খেলার ’বল’ হয়ে যায়। ছোট
শিশুরা যেমন ’বল’ এদিক-ওদিক ছুড়ে
মারে, শয়তানও তাকে অনুরুপ ইচ্ছামত
এদিক সেদিক নিতে থাকে। তাই
রাগের সময় আমাদের ধৈর্য্য ধারণ
করা চাই, যাতে শয়তানের হাতের
ক্রীড়ানক হতে না হয়।
শিক্ষা : উল্লেখিত
ঘটনা থেকে আমরা একটি শিক্ষা
নিতে পারি যে, আল্লাহওয়ালাদের
সংস্পর্শে এসমস্ত শয়তানের ধোঁকা
থেকে বাঁচতে পারব।
————————–০০০———————–

জেনে নিন, মানুষ ঘুমালে তার আত্মা কোথায় যায়? রাসুলুল্লাহ(সাঃ) যা বলেছেন

আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মানুষ ঘুমালে তার আত্মা আকাশে চলে যায় এবং তাকে আল্লাহর আরশের কাছে সিজদা করার নির্দেশ দেয়া হয়।

যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার আত্মা আল্লাহর আরশের কাছেই সিজদা দেয় এবং যে ব্যক্তি অপবিত্র ছিল তার আত্মা আরশ থেকে দূরে সিজদা দেয়।
মানুষ ঘুমালে তার আত্মা কোথায় যায়? জেনে নিন রাসুলুল্লাহ(সাঃ) যা বলেছেন

(বায়হাকী, ইমাম বুখারী এ হাদীসটি তাঁর আৎ-তারীখুল কাবীর’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন)। মহানবী (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার মাথার কাছে একজন ফেরেশতা রাতযাপন করে এবং

ঐ ব্যক্তি জাগ্রত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত দোয়া করতে থাকে, “হে আল্লাহ! তুমি তোমার এই বান্দাকে ক্ষমা করে দাও কেননা সে পবিত্র অবস্থায় রাতযাপন করছে। (তাবরানী ও বায়হাকী)

অতএব আসুন আমরা পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় যাতে আমাদের আত্মা আল্লাহর আরশের কাছেই সিজদা দিতে পারে এবং ফেরেশতা আমাদের ক্ষমা চেয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে।

আল্লাহ রিজিকদাতা হলে মানুষ না খেয়ে মারা যায় কেন?

বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবীদ ডা. জাকির নায়েককে প্রশ্ন করা হয়, আল্লাহর ৯৯টি নামের একটি হলো ‘রাজিক’। রাজিক মানে অন্নদাতা। আল্লাহ যদি অন্নদাতা হন তাহলে ইউথুপিয়া ও সোমালিয়ায় মানুষ না খেয়ে মারা যাচ্ছে কেন? উত্তরে ডা. জাকির নায়েক বলেন, কোরআনে বলা হয়েছে আল্লাহ রিজিকদাতা। তিনি রক্ষাকারীও। একই সাথে কোরআনে এ কথাও বলা হয়েছে যে, আমি মানুষকে পরীক্ষা করি সম্পদের অভাব দিয়ে, বিভিন্ন রকম বিপর্যয় দিয়ে। যেমন তিনি আমাদের দুর্ভিক্ষ দিয়ে পরীক্ষা করেন, বন্যা দিয়ে পরীক্ষা করেন। আর এর মাধ্যমে দেখতে চান সত্যিকারের বিশ্বাসী কে? তিনি পরীক্ষা করেন তোমাকে যদি একটু খাবারের কষ্ট দিই, তখনও কি আমাকে বিশ্বাস করবে? তোমাকে যদি দারিদ্রের মধ্যে রাখি, তখনও কি আমাকে বিশ্বাস করবে? সুরা মুলকের ২য় আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘এই পৃথিবীর জীবন পরকালের জন্য পরীক্ষা।’

mr._zakir_naik1আর আল্লাহর পরীক্ষা একেক জনের জন্য একেক রকম হয়ে থাকে। সবার পরীক্ষা একরকম হয় না। আপনি/আমি ভাগ্যবান খাবার পাচ্ছি। কিন্তু আল্লাহ অন্যভাবে আমাদের পরীক্ষা করছেন। সম্পদ দিয়ে তিনি পরীক্ষা করবেন, আপনি তার পথে খরচ করছেন কি না? এমনিভাবে কাউকে সন্তান দিয়ে, কাউকে খাবার দিয়ে, কাউকে স্বামী-স্ত্রী দিয়ে পরীক্ষা করেন। মোটকথা আলাদা আলাদাভাবে সবাইকে পরীক্ষা করেন তিনি। আর পরীক্ষা দিতে বসে নিশ্চয় বলতে পারবেন না ‘সবাইকে একই রকম পরীক্ষা দিতে হবে।’ তবে পরীক্ষা যাই হোক বিচারটা কিন্তু সঠিক হতে হবে। আর আল্লাহ আপনাকে যে পরীক্ষা দিবেন, সে হিসাবেই বিচার করবেন। যেমন ১০০ মিটারের দৌড়ের প্রতিযোগিতায় কেউ যদি খোড়া থাকে তাহলে শুরুতে তাকে ৫০মিটার এগিয়ে রাখা হবে। আর যার কোনো সমস্যা নেই, দুটো পা’ই আছে তাকে প্রথম (১০০মিটার) থেকেই দৌড়াতে হবে। অতএব আল্লাহ আপনাকে যে পরীক্ষা দিবেন, সে অনুযায়ী-ই বিচার করবেন। যদি খাবার দিয়ে করেন, তার ফলাফলও দিবেন।

কোরবানির এক গরুতে কত শরিক হওয়া যায়?

কোরবানি মৃত ব্যক্তির নামে সাতের অধিক নাকি একই গরুতে দেওয়া যায়। এটা কতটুকু সত্য? অর্থাৎ সাত শরিকের উপরে একটা গরুতে দেওয়া যায়— এটা কতটুকু সঠিক?

আপনি মৃত ব্যক্তির নামে কোরবানি দেওয়ার যে মাসয়ালা উল্লেখ করেছেন, সেটি সঠিক। যদি মৃত ব্যক্তির পক্ষে কোরবানি করার জন্য বা সদকা করার জন্য আপনার ইচ্ছে হয়, এটি জায়েজ রয়েছে। এটি করতে পারেন, নাজায়েজ নয়।

সাধারণ নিয়মে যদি গরু, মহিষ অথবা উট হয়, সে ক্ষেত্রে সাতজন শরিক হতে পারবে। কিন্তু তারা যদি একই পরিবারের হয়ে থাকে, তাহলে ওই পরিবারের সবাই অংশগ্রহণ করতে পারবে। পরিবারে যতজনই থাকুক না কেন, ১০ জন, ২০ জন, সবাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।

এখানে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। অন্য পরিবার থেকে ১০ জন হবে না। একটি পরিবার থেকে সাতের অধিকও অংশগ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু একের অধিক পরিবার হতে গেলে সাতের অধিক অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

জেনে নিন, যে জিকিরে অন্তর্জগত খুলে যায়!

জেনে নিন, যে জিকিরে অন্তর্জগত খুলে যায়!

আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন, তোমরা যদি আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব। এ কথায় প্রমাণিত হয় যে, জিকিরের গুরুত্ব ও ফজিলত অত্যাধিক। আল্লাহ তাআলা অনেক আয়াতেই সব সময় তার জিকির করার নির্দেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে উত্তম জিকির হলো- (اَللهُ) ‘আল্লাহ’ শব্দের জিকির।

কারণ (اَللهُ) ‘আল্লাহ’ শব্দটি মহান আল্লাহ তাআলার জাতি নাম। এর অর্থ হলো- তিনি সেই জাত যে, ইবাদাতের একমাত্র উপযুক্ত তিনিই।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কবিদের কথার মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ কথা হলো, কবি লাবিদের এ কথাটি, তিনি বলেন- ‘আল্লাহ ব্যতিত আর সব কিছু বাতিল।’ (বুখারি)

(اَللهُ) ‘আল্লাহ’ জিকিরের ফজিলত-

>> যে ব্যক্তি (اَللهُ) ‘আল্লাহ, আল্লাহ’ জিকিরটি প্রতিদিন এক হাজার বার করবে, সে (صَاحِبِ يَقِيْن) ‘সাহেবে ইয়াক্বিন’ বা দৃঢ় বিশ্বাসী ব্যক্তিতে পরিণত হবে।
>> যে ব্যক্তি প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের পর একশত বার (اَللهُ) ‘আল্লাহ, আল্লাহ’ জিকির করবে, তার অন্তর্জগত খুলে যাবে। অর্থাৎ সে (صَاحِبِ كَشْف) ‘সাহেবে কাশ্‌ফ’ হয়ে যাবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আল্লাহ, আল্লাহ জিকিরের মাধ্যমে দৃঢ় বিশ্বাসী ব্যক্তি ও কাশফের অধিকারী হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।