যুল-কিফলের জীবনে পরীক্ষা:ইবলিশ ঐ দিন তার সাথে যা করেছিল

যুল-কিফল’ উক্ত মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছেন দেখে ইবলীস হিংসায় জ্বলে উঠল। সে তার বাহিনীকে বলল, যেকোন মূল্যে তার পদস্খলন ঘটাতেই হবে। কিন্তু সাঙ্গ-পাঙ্গরা বলল, আমরা ইতিপূর্বে বহুবার তাকে ধোঁকা Continue reading “যুল-কিফলের জীবনে পরীক্ষা:ইবলিশ ঐ দিন তার সাথে যা করেছিল”

মৃত্যুর অল্প কিছুক্ষণ আগে মানুষের সাথে যা হয়

মৃত্যু একটি অবধারিত বিষয়। ‘জন্মিলে মরতে হবে’ এটি থেকে কারো বাঁচার উপায় নেই। মহান রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘পৃথিবীর সব প্রাণীকেই মৃত্যুস্বাদ গ্রহণ করতে হবে।’ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভয় পায় মৃত্যুকে। এর থেকে Continue reading “মৃত্যুর অল্প কিছুক্ষণ আগে মানুষের সাথে যা হয়”

সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নবীজি যা বলেগেছিলেন

শাম দেশ সিরিয়া হচ্ছে পুরো পৃথিবীর প্রাণ ভোমরা, সিরিয়ার অশান্ত মানিই পুরো পৃথিবীর অশান্তি, প্রতি মহূর্তে মনে পড়ছে, বিশ্ব নবী রাসূল (সাঃ) এর নিচের ভবিষ্যবাণীটি…

ইবনুল মুসাইয়াব (রাঃ) বর্ণনা করেছেন। Continue reading “সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নবীজি যা বলেগেছিলেন”

দেবর ভাবি একা হলে যা খেলে … লজ্জার জোকস

দেবর টা অনেকক্ষণ ধরে ছটফট করছে কখন ভাবি একা হবে দেখুন তার পর কি করলো
শাকিলের দুই ভাবি দাবা খেলছে . Continue reading “দেবর ভাবি একা হলে যা খেলে … লজ্জার জোকস”

মেয়েদের খৎনা নবীজি যা বলেছেন

মেয়েদের খৎনা করা এটা শুধু শাফেয়ী ও হামবলী মাযহাবে আছে তাও তাদের মাযহাবে সেটা সুন্নত। তবে আমরা মেয়েদের খৎনা করাটা অস্বীকার করি কারন সাহাবীরা এটা করেন নি। এটা মূলত বেদুঈনদের রীতি তবে Continue reading “মেয়েদের খৎনা নবীজি যা বলেছেন”

সাতটি গোপন কথা যা আপনার স্বামী কখনও মুখে বলবেন না

কখনও কি এমন মনে হয়েছে যে – কত ভাল হত যদি আপনি আপনার স্বামীর মন পড়তে পারতেন? পাশ্চাত্য সংস্কৃতিতে স্বামী স্ত্রীর খোলাখুলি আলোচনা করার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়। কিন্তু আমাদের মতো অনেক Continue reading “সাতটি গোপন কথা যা আপনার স্বামী কখনও মুখে বলবেন না”

বিয়ের প্রথম রাতে স্ত্রী যা দেখলো: চরম জোকস

শফিক আর কেয়ার ছোট্ট সংসার। এর মাঝে একদিন উটকো এক অতিথির আগমন। দিন গড়িয়ে সপ্তাহ পেরোয়, অতিথির আর যাওয়ার নামগন্ধ নেই। বিরক্ত হয়ে একদিন লোকটাকে তাড়ানোর ফন্দি আঁটল দু’জন।

পরদিন সকাল না হতেই তুমুল ঝগড়া শুরু করল শফিক-কেয়া। ঝগড়া একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে চলে গেল। অবস্থা বেগতিক দেখে চুপচাপ বাক্স-পেটরা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল অতিথি। অতিথি বেরিয়ে গেলে ঝগড়া থামাল দু’জন। শফিক : ওগো, বেশি লেগেছে তোমার?

কেয়া : আরে নাহ্! আমি তো লোক দেখানো কাঁদছিলাম!

এমন সময় দরজা দিয়ে ঢুকতে ঢুকতে অতিথি বলল-

অতিথি : আমিও তো লোক দেখানো গিয়েছিলাম


jokes 2
ম্যানেজার : তুমি নাকি আলমারির চাবি আবারও হারিয়েছ?

কেরানি : জ্বি স্যার।

ম্যানেজার : আগে একটা হারিয়েছিলে। তাই এবার তালার সঙ্গে দুটো চাবিই তোমাকে দিয়েছিলাম।

কেরানি : দুটো-ই হারাইনি স্যার! একটা হারিয়েছি।

ম্যানেজার : তাহলে অন্যটা কোথায়?

কেরানি : হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে আগে থেকেই সাবধান ছিলাম। তাই ওটা আলমারির মধ্যেই সংরক্ষণ করে রেখেছিলাম।

jokes 3
বিয়ের প্রথম রাতেই স্ত্রী তার স্বামীকে দেখলো সিগারেট খেতে-
স্ত্রী: তুমি প্রতিদিন কয় প্যাকেট সিগারেট খাও?
স্বামী: এই এক প্যাকেট বেনসন।
স্ত্রী: এক প্যাকেটের দাম কত?
স্বামী: ২০০ টাকা।
স্ত্রী: মানে মাসে ৬ হাজার টাকা। বছরে ৭২ হাজার টাকা। কয় বছর থেকে খাও?
স্বামী: তা প্রায় ১০ বছর।
স্ত্রী: তার মানে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই টাকা দিয়ে তো একটা টয়োটা গাড়ি কেনা যেত। হায় হায়, এটা তুমি কী করলা? এতদিনে আমাদের একটা টয়োটা গাড়ি থাকত।
স্বামী: তুমি সিগারেট খাও?
স্ত্রী: ছি ছি, এসব বাজে জিনিসের ধারে কাছেও আমি যাই না।
স্বামী: তাইলে তোমার টয়োটা গাড়ি কই?

একদিন রাতে ইহুদি মেহমানের সঙ্গে মহানবী (সা.) যা করেছিলেন

একদিন মদিনায় সন্ধ্যা নেমে এলো। মদিনা আলো-বাতাসে ছড়িয়ে পড়লো বেলালি সুর। মিনারের আল্লাহু ধ্বনি খেজুরের পাতা ছিড়ে পৌঁছে গেল ওলিতে গলিতে। সাহাবিরা মসজিদে। সেজদা-তাসবিহ-তেলাওয়াতে মগ্ন, নবীজী (সা.) তখন মসজিদে। এসময় দয়াল নবীর দরবারে এসে পৌঁছল একদল মুসাফির। সন্ধ্যার এর অবেলায় নবীজি মুসাফিরদের মেহমানদারির আয়োজন করলেন। সাহাবিদের বললেন, যাও মেহমানদের যথাসাধ্য আপ্যায়ন করো, ওরা আমাদের অতিথি। রাসুল নিজেও একজন অতিথি ঘরে নিয়ে গেলেন। আরবের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পাপের গন্ধ। পথিক মানেই ভয়-আতঙ্ক। লোটেরা-ডাকাত। সব ডর-ভয় উপেক্ষা করে দয়াল নবী অচেনা অজানা মেহমানদের আপ্যায়নে ব্যস্ত। রাসুল সা. এর ঘরে সেই অতিথি ছিলো ইহুদি। জেনে শোনেও নবীজি তাকে নিজ হাতে খাওয়ালেন।

ইহুদি বলে কথা। মুহাম্মদকে বিপদে ফেলাতে না পারলে আবার কেমন ইহুদি। সে মনে মনে ইচ্ছা করলো, ‘আজ আমি ঘরের সব খাবার একাই খাব’। ভাবনা ও কাজের মিল পাওয়া গেল। একেবারে পেট পুরে খেলো। নবীজি নিজেই তার বিছানা করলেন। ইহুদি মেহমান গা এলিয়ে দিল ঘুমাবের বিছানায়। গভীর রাত। নীরব নিস্তদ্ধ। ঘুম ভেঙে গেল অতিথির। একেতো মরু পথের দীর্ঘ ক্লান্তি, আবার খেয়েছেও গলা ভরে। এবার বাতরুমের প্রচন্ড চাপ। কিন্তু এতো রাতে, অজানা অচেনা জায়গায় কোথায় যাবে সে? এমন সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে বিছানা নষ্ট করে ফেলেছে আগন্তুক। এবার ভয় পেয়ে গেল ইহুদি, মুহাম্মদ সা. মদিনার স¤্রাট। তার ঘরে এমন অপকর্ম? লোকটি ভয়ে পালিয়ে গেলো। ছুটে পালাচ্ছে সে যেদিকে দুচোখ যায়। যদি মুহাম্মদের লোকেরা তাকে ধরে ফেলে – এমন ভয়ে ছুটছে প্রাণপণে। এমনি সময় তার মনে হলো সে তলোয়ার ফেলে এসেছে মুহাম্মদরে ঘরে। সে সময় তলোয়ার ছাড়া ভ্রমণ কল্পনাই করা যায় না। কি করবে আগন্তুক? সিদ্ধান্ত নিল আবার মদিনায় যাবে, তলোয়ার ছাড়া একমুহুর্তও অসম্ভব। চুপিচুপি মুহাম্মদ সা.-এর ঘরে এসে ঢুকেছে ইহুদি। মনে বড় ভয়! কি জানি কি হয়! আরে! একি কি দেখছে সে? ইহুদি মেহমান নিজের চোখকে বিশ্বাস করাতে পারছে না। রাসুল সা. নিজের হাতের লোকটির নষ্ট করে যাওয়া বিছানা ধুয়ে দিচ্ছেন। চেহারায় রাগের চিহ্ন নেই। রাসুল সা. তাকে দেখে ছুটে এসেছেন তার কাছে। তাকে বলতে লাগলেন, ও ভাই! আমার ভুল হয়ে গেছে, রাতে তোমার খোঁজ নিতে পারিনি, আমার জন্য তুমি অনেক কষ্ট করেছো। আমাকে মাফ করে দাও! ইহুদি ভাবতেও পারছে না এমনটা। মানুষ বুঝি এমন হয়। তাও রক্ত মাংসে গড়া মানুষ! মানবিক মানুষের উপমা। ইহুদি মেহমান এবার মাথা নুইয়ে দিলেন নবীজির কাছে। সমকণ্ঠে উচ্চারন করলেন, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইলাল্লাহু মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ। ওগো আল্লাহর নবী-আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি; আল্লাহ এক-আপনি আল্লাহর রাসুল। সূত্র : বায়হাকি

সৌদি আরবে হজ্ব করতে গেলে যা আপনাকে জানতেই হবে

(১) সৌদি আরবে অবস্থানকালে ট্রাফিক আইন মেনে চলুন, সিগন্যাল পড়লে রাস্তা পার হোন। রাস্তা পার হওয়ার সময় অবশ্যই ডানে-বায়েঁ দেখেশুনে সাবধানে পার হবেন। কখনো দৌড় দেবেন না।
(২) হাঁচি কিংবা কাশি দেওয়ার সময় অবশ্যই আপনার মুখ ঢেকে নিন।
(৩) শরীরের কোন স্থান কেটে গেলে অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম ব্যবহার করুন এবং ক্ষতস্থানটি প্লাস্টার কিংবা ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে নিন।
(৪) সৌদিআরবে অবস্থানকালে কোনো চাঁদা ওঠানো, সাহায্যে চাওয়া, ভিক্ষা করা দন্ডনীয় অপরাধ। সুতরাং এগুলো থেকে বিরত থাকুন।
(৫) মনে রাখবেন, মসজিদে নববী ও মসজিদুল হারামের সীমানার মধ্যে ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
(৬) কাবা শরীফ ও মসজিদে নববীর ভেতরে কিছুদুর পরপর পবিত্র কোরআন মজিদ রাখা আছে আর পাশে জমজম পানি (স্বাভাবিক ও ঠান্ডা) খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

(৭) হজ্বযাত্রীদের যাবতীয় তথ্য, দেশের পরিবার-পরিজনের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে সংবাদ পৌঁছানো যায়। হারানো হজ্বযাত্রীদের খুঁজে পাওয়া ইত্যাদি বিষয়ে বাংলাদেশ হজ্ব মিশনে বিজনেস অটোমেশন লি. আইটি হেল্প ডেস্ক সাহায্য করে।
(৮) কোনো ধরনের অসুস্থতা কিংবা দুর্ঘটনায় পড়লে বাংলাদেশ হজ্ব মিশনের মেডিকেল সদস্যদের (চিকিৎসক) সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
(৯) মদিনা থেকে যদি মক্কায় আসেন, তাহলে ইহরামের কাপড় সঙ্গে নিতে হবে।
(১০) আরাফাতের ময়দানে অনেক প্রতিষ্ঠান বিনা মূল্যে খাবার, জুস, ফল ইত্যাদি দিয়ে থাকে। ওই সব খাবার আনতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কি হয়, তাই সাবধান থাকবেন।


(১১) মুজদালিফায় রাতে থাকার জন্য প্লাস্টিকের পাটি পাওয়া যায়। মক্কায়ও কিনতে পারবেন।
(১২) আরাফাতের ময়দান থেকে যদি হেটে মুজদালিফায় আসেন, পথে টয়লেট সেরে নেবেন। কেননা মুজদালিফার টয়লেটে অনেক ভিড় লেগে যায়।
(১৩) হজ্ব মন্ত্রনালয় মিনার গুরুত্বপূর্ন স্থানে (যেখানে হজ্বযাত্রীদের সহজে চোখে পড়ে) কম্পিউটার-নিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রনিক বিলবোর্ডে পৃথিবীর প্রায় ১৮টি ভাষায় বিভিন্ন জরুরি দিকনির্দেশনা ও গুরুত্বপূর্ন তথ্য বাংলায় প্রচার করে।
(১৪) হজ্বের বেশির ভাগ সময় হজ্বযাত্রীদের মিনায় তাঁবুতে অবস্থান করতে হয়। তাই মিনাকে এক হিসেবে তাঁবুর শহর বলা যায়। চারদিকে তাঁবু আর তাঁবু-সব তাঁবু দেখতে একই রকম।
(১৫) মোয়াল্লিম নম্বর বা তাঁবু নম্বর জানা না থাকলে যে কেউই হারিয়ে যেতে পারেন। বিশেষ করে বাংলাদেশি হজ্বযাত্রীদের বড় অংশ বৃদ্ধ বয়সে হজ্ব করতে আসেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখেন না। অনেকে হারিয়ে ফেলেন গন্তব্য। বাংলাদেশি হজ্বযাত্রী কিছু আছেন সচেতন, তাঁরা বাদে বাকিরা তাঁবু নম্বর মনে রাখতে পারেন না। সব তাঁবু দেখতে একই রকম হওয়ায় পথ হারিয়ে ফেলেন। বাংলাদেশের পতাকা বা বাংলায় কথা বলা শুনে প্রবাসী বাংলাদেশি হজ্বকর্মীরা তাঁদের গন্তব্য পৌঁছে দেন। এ সমস্যা এড়ানোর জন্য যে তাঁবুতে অবস্থান করেন, সেসব তাঁবু চিহ্নিত করে নিন।
(১৬) মোয়াল্লিম অফিস থেকে তাঁবুর নম্বরসহ কার্ড দেওয়া হয়; তা সাথে রাখুন। বাইরে বের হওয়ার সময় সঙ্গে রাখুন।
(১৭) হজ্বযাত্রী সচেতন থাকলে হারিয়ে যাওয়ার কোনো ভয় নেই। অনেক বাংলাদেশি হারিয়ে যাওয়ার কারনে হজ্বের আহকাম বা নিয়ম-কানুন ঠিকমতো পালন করতে পারেন না।

(১৮) মক্কা-মদিনায় প্রচুর বাংলাদেশি হোটেল আছে। মক্কার হোটেলগুলোর নাম ঢাকা, এশিয়া, চট্টগ্রাম, জমজম ইত্যাদি। এসব হোটেলে ভাত, মাছ, মাংস, সবজি, ডাল-সবই পাওয়া যায়। হোটেল থেকে পার্সেলে বাড়িতে খাবার নিয়ে দুজন অনায়াসে খেতে পারেন।
(১৯) মক্কা-মদিনায় প্রচুর ফলমূল ও ফলের রস পাওয়া যায়। এগুলো কিনে খেতে পারেন।
(২০) মক্কা-মদিনায় অনেক বাংলাদেশি কাজ করেন, তাই ভাষাগত কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কেনাকাটার সময় দরদাম করে কিনবেন।
(২১) হজ্বের সময় প্রচুর হাঁটাচলা করতে হয়, পকেটে টাকা থাকলেও যানবাহন পাওয়া যায় না।
(২২) মিনায় চুল কাটার লোক পাওয়া যায়। নিজেরা নিজেদের চুল কাটবেন না, এতে মাথা কেটে যেতে পারে।
(২৩) মিনায় কোনো সমস্যা হলে হজ্বযাত্রীদের সেবা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ হজ্ব মিশনের তাঁবুতে যোগাযোগ করবেন।
(২৪) মক্কা-মদিনা থেকে বাংলাদেশে কম খরচে ফোন করা যায় (কোনো বাংলাদেশিকে বললে দেখিয়ে দেবেন)। সৌদি আরবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে চাইলে সঙ্গে সেট নিয়ে যাবেন, ওখানে (হজ্ব প্যাকেজ) মোবাইল সিম কিনতে পাওয়া যায়। বর্তমানে বাংলাদেশেও সৌদি সিম পাওয়া যায়।
(২৫) হজ্বের আগে ও পরে আরও উমরাহ করতে চাইলে তানঈম মসজিদ এ (উমরাহ মসজিদে) গিয়ে উমরাহর নিয়ত করে আসা যায়। কাবা শরীফের বাইরে বাস অথবা ট্যাক্সিতে উমরাহ মসজিদে যাওয়া যায়।
(২৬) মসজিদে নববীতে নারীদের জন্য আলাদা নামাজ পড়ার জায়গা আছে।