যে যত বেশি শিক্ষিত সে তত বেশি নির্লজ্জ !

যে যত বেশি শিক্ষিত সে তত বেশি
নির্লজ্জ ! সে তত বেশি অসভ্য !
** কেন বললাম..??
—–কারণ
** আমি কখনো দেখিনি-গ্রামের একটা
অশিক্ষিত
মেয়ে অর্ধ নগ্ন জামা-কাপড় পড়ে
রাস্তায়
চলাফেরা করতে ।। কিন্তু – আমি অসংখ্য
শিক্ষিত
মেয়েকে দেখেছি অর্ধনগ্ন হয়ে
লোকালয়ে ঘুরতে ।
** আমি কখনো দেখিনি পড়াশোনা
না জানাএকটা ছেলে গার্লফ্রেন্ডের
জামার ভেতরে হাতদিয়ে রাস্তায় হাটতে
।। কিন্তু
অসংখ্য শিক্ষিত ছেলেকে দেখেছি
এইনির্লজ্জ
দৃশ্যে।
** আমি কখনো শোনিনি অশিক্ষিত কোন
ছেলে মেয়ের সেক্স স্ক্যান্ডাল বের
হয়েছে ।। কিন্তু শিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের
এই অসভ্যকার্য আমরা প্রতিনিয়ত শোনছি।
** আমি কখনো শোনিনি গ্রামের
অশিক্ষিত ১২-১৩ বছরের ছেলে মেয়ে
হোটেলে রাত কাটাতে গিয়েছে ।।
** আমি কখনোই শোনিনি গ্রামের কোন
অশিক্ষিত কৃষক অসংখ্য মেয়েদের সতিত্ব
নিয়ে
খেলা করতে ।। কিন্তু শিক্ষিত পরিমলের
কথা
আমরা সবাই জানি ।
** আমি কখনো শোনিনি একটি অশিক্ষিত
মেয়ে
তার হাত খরচার জন্য দেহ বিক্রি করেছে
।। কিন্তু –
ইউনিভারসিটি কলেজের বেহায়াদের
কথা আমরা সবাই
শোনেছি ।।
** আমি কখনো শোনিনি গ্রামের কিছু
অশিক্ষিত
ছেলে মেয়ে ল্যাংটা ছবি বানাতে গিয়ে
ধরা
খেয়েছে ।।
* এইবার প্রশ্ন শুধু একটা বলুন অসভ্য এবং
নির্লজ্জ
কারা??
এটার নাম ই কি শিক্ষিত সমাজ?
এটার নাম ই কি সভ্যতা?
কেউ কেউ বলে ‘তাহলে কি দেশ থেকে শিক্ষা তুলে দিলে ভালো হবে?
আমি বলি কেনো শিক্ষা তুলে দিবে?
প্রতিটা স্কুল কলেজে যদি ধর্মিয় শিক্ষা -বোরকা ‘হিজাব বাধ্যতা মূলক করা হতো’আর ছেলে মেয়েদের ওপেন চলাচল বন্ধ করে দেয়।তাহলে হয়তো কিছু কিছু শিক্ষিত অসভ্য মানুষ কিছুটা সভ্য হতো।

আমি কথাগুলো সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলিনি ।
শুধু যারা এই সব করে তাদের বলছি ।

আরে শিক্ষা অর্জন করো ঐ শিক্ষা -যে শিক্ষা মানুষকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।
দুনিয়া ও আখিরাত সুন্দর করে-
সমাজের মানুষ তাকে ভালো বলবে।
সবার কাছে সম্মান পাবে।

আর হমম কিছু কিছু মা ও বাবার উদ্দেশ্যে বলছি।
সন্তানের খুজ খবর নেনতো ঠিকঠাক ।কি করে কোথায় যায়?
কি ভাবে চলাফেরা করে?
ও মা ও বাবা তোমরা কি জানোনো -ছেলেমেয়েদের জন্যই তোমরা অপরাধ না করেও অপরাধী হবে।এদের জন্যই তোমাদের কে জাহান্নামে দিবে।
কেনো তোমরা ছেলে মেয়ের জন্য শাস্তি ভোগ করবে?
সময় থাকতে তোমরা তোমাদের ছেলে ‘মেয়েকে
বুঝাও কোন কাজ করলে ভালো হবে -কোনটা করলে খারাপ ।
ভালো কাজের আদেশ এবং খারাপ কাজের নিষেধ করো।
আর ভাই বোনদের উদ্দেশ্যে বলছি ।
তোমরা কি চাও – নিজের কঠিন পরিস্থিতি ও মা বাবার শাস্তি।
আশা করি কোনো ছেলে কিংবা মেয়েরা
নিজের _ এবং মা বাবার খারাপ টা চায় না।

ওকে ‘
পরিশেষে সবাইকে বলতে চাই ।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ো।
হালাল হারাম মেনে চলো’
আল্লাহর আদেশ নিষেধ- নবীর সুন্নত অনুযায়ী জীবন গড়ো'”
তবেইতো জীবন সুন্দর ও সার্থক হবে।

★#বিঃদ্রঃ- পোষ্টটি কেমন লাগল?
আপনার মূল্যবান লাইক ও কমেন্ট দিয়ে জানাতে ভুলবেন না।
পোস্ট ভাল লাগলে #শেয়ার_করবেন

একটি শিক্ষিত ভুতের গল্প

একটি শিক্ষিত ভুতের গল্প

তখন ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। সেদিন ছিল অমাবশ্যার রাত। চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। একহাত সামনের জিনিসও দেখা যায়না। তখন প্রায় রাত ১১টা। আমার দেশের বাড়িতে কিন্তু রাত ১১টা অনেক রাত। সবাই লাইট নিভিয়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমি রাস্তা দিয়ে হাটছি। হাটছি মানে বাসায় ফিরছি। এক বন্ধুর বার্থডে ছিলো। সেই বন্ধুর বাড়িতে আড্ডা মেরে, খাওয়া-দাওয়া সেরে বাসায় ফিরছি। সব দোকান পাট বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তায় শুধু বিক্ষিপ্ত ভাবে ২/১টা কুকুর ঘোরাফেরা করছে। আমি মেইন রোড পার হয়ে গলিতে ঢুকলাম।

আমার বাসায় যাইতে হলে এখন এই গলিটা পার হয়ে যাইতে হবে। ঝিঁ ঝিঁ পোকা ডাকার আওয়াজ আসতেছে। কেমন একটা গা ছমছমানি ভাব। আমার অবশ্য কখনোই ভুত প্রেতের ভয় ছিলনা। অনেক সময় রাত ২/৩টার দিকেও এই গলি দিয়ে এসে রাস্তার মোড়ের টং দোকান থেকে সিগারেট কিনে নিয়ে গেছি। সেদিনও এমন কোন ভয় আসেনি আমার মনের মধ্যে। গলি দিয়ে হাটছি। হাতে জ্বলন্ত একটা সিগারেট। মোবাইলের আলোতে মাঝে মাঝে রাস্তা দেখে নিচ্ছি আর গুনগুন করে গান গাইছি “দেখা তো তুঝে ইয়ার, দিল মে বাজে গীটার” ঠিক তখন গলির মাঝামাঝি হঠাত্‍ শুনতে পারলাম কে যেন বললো এঁক্সকিউজ মিঁ ভাঁইয়া। আমি মোবাইলের আলো আশেপাশে ঘুরাইলাম। তাকালাম আশে পাশে কিন্তু কোথাও কেউ নেই। মনে করলাম গলির দুই পাশের কোন বাসায় হয়তো কেউ বলেছে। আবার হাটা শুরু করলাম। দুই ধাপ ফেলতেই আবার সেই ডাক এঁক্সকিউজ মিঁ ভাঁইয়া, আঁপনার সাঁথে এঁকটু কঁথা ছিঁলো। এইবার দাড়িয়ে পড়লাম। হালকা পাতলা ভয় পেলাম তবে সেটা ভুতের না ছিনতাইকারীর। আবার চিন্তা করলাম আমি যদি এখন এইখান থেকে দৌড় দেই আর এটা যদি আমার পরিচিত কেউ হয় তাইলে তো দৌড়ের কথা সবাইকে বলে দিয়ে আমার প্রেস্টিজ পাংচার করে দিবে।

গলা দিয়ে কথা আসছিলো না। তবুও কৃত্রিম সাহস এনে গম্ভির কন্ঠে বললাম “কে?”। উত্তর আসলো ভাঁইয়া আঁমি আঁপনার এঁকজন ছোঁট ভাঁইয়ের মঁত। আঁমি খুঁব বিঁপদে পঁড়েছি। আঁপনার হেঁল্প দঁরকার। আমি এইবার কন্ঠে কিছুটা বিরক্তি নিয়ে জিগ্যেস করলাম তো এমন নাকি সুরে ভুতের মত কথা বলছো ক্যান? উত্তর দিল ভাঁইয়া আঁমি তো ভুঁত ই। ভুঁত হঁয়ে কিঁ আঁমি ছাঁগলের মঁত কঁথা বঁলবো? আমি কি বলবো বুঝলাম না। ওরে কে কোথায় আছিস আমারে বাঁচা বলে একটা চিত্‍কার দেওয়ার চিন্তা কেবল করতাছি এমন সময় সে আবার বললো ভাঁইয়া আঁপনার হাঁতের সিঁগারেট টা নিঁভিয়ে ফেঁলে দিঁন তাঁহলে আঁমি আঁপনার সাঁমনে আঁসতে পাঁরবো। আঁপনি তোঁ জাঁনেনই ভুঁতরা আঁগুন দেঁখলে ভঁয় পাঁয়। আঁপনি তোঁ আঁমাকে দেঁখতে পাঁরছেন নাঁ। দেঁখতে পাঁইলে দেঁখতেন ভঁয়ে আঁমার শঁরীরের সঁব লোঁম নেঁতিয়ে গেঁছে। ভয়ে লোম নেতিয়ে যায় নাকি? এতদিন তো শুনেছি ভয়ে লোম খাড়া হয়ে যায়। সে বললো আঁপনাদের মাঁনুষদের ভঁয়ে লোঁম খাঁড়া হঁয়ে যাঁয়। আঁমাদের ভুঁতদের লোঁম তোঁ সঁব সঁময় খাঁড়ায় থাঁকে তাঁই ভঁয় পেঁলে নেঁতিয়ে যাঁয়। আমি সিগারেট ফেলে না দিয়ে জোরসে একটা টান দিলাম। ভুতটা কিছুটা আকুতির মত করে বললো ভাঁইয়া প্লিঁজ আঁপনার পাঁয়ে ধঁরি এঁইভাবে ভঁয় দেঁখাবেন নাঁ। আঁমার হাঁর্টের প্রঁবলেম আঁছে।

আমি বললাম তুমি কে সত্যি করে বলো। আমি জানি তুমি আমার পরিচিত কেউ। আমার সাথে ফাইজলামি করতাছো। আমি ভুত বিশ্বাস করিনা। সে বললো এঁইভাবে বঁলবেন নাঁ ভাঁইয়া। আঁমরা ভুঁত বঁলে কিঁ আঁমাদের কোঁন মাঁন সঁম্মান নাঁই? আঁপনি এঁই ভাঁবে আঁমাদের অঁস্তিত্ব কেঁ অঁস্বীকার কঁরতে পাঁরেন নাঁ। আঁমি কিঁ কঁখনো বঁলেছি যেঁ মাঁনুষ বঁলতে কিঁছু নাঁই, মাঁনুষ বিঁশ্বাস কঁরিনা? বুঝলাম বেশ আত্নমর্যাদা সম্পন্ন ভুত। জিগ্যেস করলাম আমার কাছে তোমার কি দরকার? আমি তোমাকে কিভাবে হেল্প করতে পারি? সে উত্তর দিলো ভাঁইয়া সঁব বঁলবো তাঁর আঁগে আঁপনি দঁয়া কঁরে আঁপনার হাঁতের সিঁগারেট টাঁ ফেঁলে দিঁয়ে নিঁভিয়ে ফেঁলুন। ওঁটাতো এঁমনিতেই শেঁষ হঁয়ে গেঁছে। এঁইভাবে ধঁরে রাঁখলে তোঁ এঁকটু পঁর আঁপনার আঁঙ্গুলে ছেঁকা লাঁগবে। আমি সিগারেটের দিকে তাকালাম। আসলেই এটা শেষ। একটু পর সত্যি ছেকা খাইতাম। ফেলে দিয়ে পা দিয়ে নিভিয়ে ফেললাম। তারপর বললাম এখন বলো কি সমস্যা তোমার? ভুত তার কাহিনী বলা শুরু করলো ।

ভাঁইয়া আঁমার নাঁম উঁত্‍ঘট। বেঁচে থাঁকতে আঁমার নাঁম ছিঁলো উঁত্‍পল, মঁরার পঁর ভুঁত হঁয়ে আঁমার নাঁম হঁয়েছে উঁত্‍ঘট। আমি জিগ্যেস করলাম কত দিন আগে তুমি মারা গেছো? উত্তর দিলো তাঁ তোঁ ভাঁইয়া কঁয়েক লাঁখ বঁছর হঁবে। তারপর সে বললো ভাঁইয়া চঁলেন চাঁ খাঁইতে খাঁইতে গঁল্প কঁরি। আমি অবাক হয়ে জিগ্যেস করলাম ভুতরা আবার চাও খায় নাকি? উত্‍ঘট বললো কেঁনো খাঁবেনা? ভুঁতরা মাঁনুষদের চেঁয়ে বেঁশি চাঁ খাঁয় কাঁরন ভুঁতদের সাঁরারাত জেঁগে থেঁকে মাঁনুষ দেঁর ভঁয় দেঁখাতে হঁয়। চাঁ নাঁ খেঁলে কিঁ এঁত জেঁগে থাঁকা যাঁয়। আমি শুধু একটু ঢোক গিললাম।

কি বলবো কিছুই বুঝলামনা। এই রাতের বেলা কোন ভুতের সাথে চা খাওয়ার ইচ্ছা আমার নাই। আমি বললাম দেখো উত্‍ঘট, তোমাদের তো সারারাত জেগে মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য চা খেতে হয় কিন্তু আমার তো আর রাত জেগে কোন ভুত কে ভয় দেখানোর মত কোন ডিউটি নাই।আমি বাসায় যেয়ে ঘুমাবো তাই আমি এখন চা খাবোনা। তুমি তাড়াতাড়ি তোমার প্রবলেমের কথা বলো।

সে আবার বলা শুরু করলো ভাঁইয়া আঁমি অঁনেক শিঁক্ষিত এঁকজন ভুঁত। আঁমি ক্লাস টু পর্যন্ত পঁড়েছি। ক্লাঁস ফাঁইভে এঁবং এঁইটে ট্যাঁলেন্টপুলে বৃঁত্তি পেঁয়েছি। আমি ওকে থামিয়ে দিয়ে জিগ্যেস করলাম ক্লাস টু পর্যন্ত পড়লে ক্লাস ফাইভ এবং এইটে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাইলা কেমনে? সে উত্তর দিলো ভাঁইয়া আঁপনাদের যেঁমন ক্লাঁস ওঁয়ানে ভঁর্তি হঁয়ে মাঁস্টার্স পঁযন্ত পঁড়ে আঁমাদের ভুঁত সঁমাজে ঠিঁক তাঁর উঁল্টো। মাঁস্টার্সে ভঁর্তি হঁয়ে উঁল্টো দিঁকে আঁসতে আঁসতে ক্লাঁস ওঁয়ানে এঁসে পঁড়া শেঁষ হঁয়। আমি কন্ঠে বিরক্তি এনে বললাম যত্ত সব ফালতু নিয়ম। উত্‍ঘট বললো নাঁ ভাঁইয়া, এঁটাই ঠিঁক নিঁয়ম। আঁপনাদেরটাই ফাঁলতু নিঁয়ম। কাঁরন প্রাঁইমারী, হাঁইস্কুল তোঁ খুঁব সঁহজ পঁড়া। কঁঠিন পঁড়া তোঁ অঁনার্স, মাঁস্টার্সে। সঁহজ পঁড়া পঁড়ে উঁপরের ক্লাঁসে ওঁঠার চেঁয়ে কঁঠিন পঁড়া পঁড়ে নিঁচের ক্লাঁসে যাঁওয়া অঁনেক যৌঁক্তিক। এঁতে ভিঁত্তি মঁজবুত হঁয়। আমি আর তার যুক্তির কাছে কিছু বলতে পারলাম না। জিগ্যেস করলাম তাহলে ক্লাস টু পর্যন্ত পড়ে পড়া ছেড়ে দিলে কেনো? ক্লাস ওয়ান টা পাশ করলেই তো তোমার একেবারে কমপ্লিট হয়ে যেতো। সে তখন বললো ঐঁ কাঁহিনীই তোঁ এঁখন আঁপনাকে বঁলবো ভাঁইয়া।

আঁমি যঁখন ক্লাঁস টুঁ তেঁ ভঁর্তি হঁলাম তঁখন আঁমার ক্লাঁসে ভঁর্তি হঁলো চেঁনেহা নাঁমের এঁক পেঁত্নি। বেঁচে থাঁকতে নাঁম ছিঁলো স্নেঁহা। পেঁত্নি হঁওয়ার পঁর নাঁম হঁয়েছে চেঁনেহা। তাঁরপর ভাঁইয়া আঁমি চেঁনেহার প্রেঁমে পঁড়ে গেঁলাম। এই পর্যন্ত বলে আবার সে চুপ। আমি জিগ্যেস করলাম কি হল? তারপর? সে কয়েক সেকেন্ড পর বললো নিঁজের প্রেঁমের কঁথা বঁলতে যেঁয়ে এঁকটু লঁজ্জা পেঁয়ে গেঁছিলাম তোঁ ভাঁইয়া তাঁই এঁকটু চুঁপ কঁরে ছিঁলাম। আমি মনে মনে বললাম ভুতেরও আবার লজ্জা। মুখে শুধু বললাম তারপর কি কাহিনী? উত্‍ঘট আবার বলা শুরু করলো চেঁনেহাকে আঁমার ভাঁলোবাসার কঁথা জাঁনালাম। সেঁ কিঁছুতেই আঁমার প্রঁস্তাবে সাঁড়া দিঁলোনা। আঁমার নাঁওয়া খাঁওয়া, পঁড়াশুনা সঁব গোঁল্লায় যেঁতে লাঁগলো। এঁকদিন এঁকটা কাঁগজে কঁরে “দেঁখা তোঁ তুঁঝে ইঁয়ার দিঁল মেঁ বাঁজে গীঁটার” কঁথাটা লিখে চেঁনেহাকে দিঁলাম।

চেঁনেহা কঁথাটা খুঁব পঁছন্দ কঁরলো। সেঁ আঁমাকে জিঁগ্যেস কঁরলো এঁই কঁথাটা আঁমি কোঁথায় পেঁয়েছি? আঁমি তোঁ ভাঁইয়া শিঁক্ষিত ভুঁত। মিঁথ্যা কঁথা এঁকদমই বঁলিনা।আঁমি তাঁকে বঁললাম যেঁ এঁটা মাঁনব সঁমাজের এঁকটি হিঁন্দী গাঁন। এঁটা বঁলাটাই আঁমার জঁন্য কাঁল হঁয়ে দাঁড়ালো। চেঁনেহা তঁখন বঁললো যেঁ আঁমি যঁদি মাঁনব সঁমাজ থেঁকে এঁই গাঁনটা তাঁকে সংগ্রঁহ কঁরে দিঁতে পাঁরি তাঁহলে সেঁ আঁমাকে ভাঁলবাসবে। তাঁরপর থেঁকে পঁড়াশুনা বাঁদ দিঁয়ে আঁমি এঁই গাঁন যোঁগাড় কঁরতে নেঁমে গেঁলাম। কিঁন্তু কোঁন মাঁনুষ আঁমাকে হেঁল্প কঁরেনি ভাঁইয়া। আঁমার ভুঁত পঁরিচয শুঁনেই সঁবাই উঁল্টো দিকে দৌঁড় দেঁয় অঁথবা ঐঁখানেই হাঁর্ট এঁট্যাক কঁরে পঁড়ে যাঁয়। আমি বললাম তুমি সবাইকে তোমার ভুত পরিচয় দাও কেনো? তোমরা তো ইচ্ছে করলেই মানুষের রুপ ধরে মানুষ পরিচয় দিয়ে কারও কাছ থেকে গানটা নিতে পারতে। উত্‍ঘট উত্তর দিল তাঁ পাঁরতাম ভাঁইয়া। আঁরও অঁনেক কিঁছু পাঁরতাম যেঁমন এঁই গাঁনটা যাঁদের মোঁবাইলে আঁছে তাঁদের মোঁবাইলটা চুঁরি কঁরে গাঁনটা নিঁয়ে নিঁতে পাঁরতাম। কিঁন্তু ভাঁইয়া আঁমি শিঁক্ষিত ভুঁত। আঁমি কাঁউকে মিঁথ্যা কঁথা বঁলিনা অঁথবা চুঁরি, প্রঁতারনা কঁরিনা। আঁজ যঁখন মঁনের দুঃখেঁ আঁপনাদের এঁই গঁলিতে বঁসে ছিঁলাম তঁখন শুঁনতে পাঁরলাম আঁপনি এঁই গাঁনটা গাঁইতে গাঁইতে যাঁইতেছেন। এঁখন ভাঁইয়া আঁপনি আঁমার শেঁষ ভঁরসা। এই বলেই উত্‍ঘট হাসতে লাগলো।

আমি জিগ্যেস করলাম হাসো কেনো? সে বললো মঁনের দুঃখে হাঁসি ভাঁইয়া। আঁপনারা মঁনের দুঃখে কাঁদেন আঁর আঁমরা হাঁসি। আমি ওকে বললাম হাসি থামাও। সে হাসি থামালো। জিগ্যেস করলাম গান কেমনে দিবো তোমারে? সে বললো ভাঁইয়া আঁমি আঁমার মোঁবাইলের ব্লুঁ টুঁথ চাঁলু কঁরতাছি। আঁপনি সেঁন্ড কঁরুন। আমি ব্লু টুথের নিউ ডিভাইস সার্চ দিলাম। একটু পর দেখি কিছু হিজিবিজি চিহ্ন আসলো। উত্‍ঘট জানালো ওটাই নাকি ওর ডিভাইসের নাম। ভুতের ভাষায় লেখা।আমি সেই ডিভাইসে গানটা সেন্ড করতে করতে বললাম তুমি তো গানটার সিডিও কিনে নিয়ে যেতে পারতে। উত্‍ঘট বললো সিঁডি কিঁনতে গেঁলেই তোঁ আঁমাকে মাঁনুষের পঁরিচয় দিঁয়ে কিঁনতে হঁত। ভুঁতের কাঁছে তোঁ কেঁউ সিঁডি বিঁক্রি কঁরতোনা। আঁমি ভাঁইয়া শিঁক্ষিত ভুঁত। আঁমি তোঁ কাঁউকে মিঁথ্যা মাঁনুষের পঁরিচয় দিঁয়ে সিঁডি কিঁনতে পাঁরিনা। আঁর সিঁডি কিঁনতে গেঁলে তোঁ আঁমার টাঁকার দঁরকার পঁড়তো। আঁমি টাঁকা কোঁথায় পাঁবো ভাঁইয়া। আঁমাদের ভুঁত সঁমাজে তোঁ টাঁকা বঁলতে কিঁছু নাঁই। আঁমাদের মূঁদ্রার নাঁম কাঁটা। ঐঁটা দিঁয়ে তোঁ আঁর মাঁনব সঁমাজে আঁমি সিঁডি কিঁনতে পাঁরতামনা। আঁর আঁমি শিঁক্ষিত ভুঁত। মাঁনুষের টাঁকাও আঁমি চুঁরি কঁরতে পাঁরতামনা।

আমি শিক্ষিত ভুতের ন্যয় পরায়নতা দেখে মুগ্ধ হলাম। একটু পর গান সেন্ড হল পুরোপুরি। উত্‍ঘট আবার হাসতে লাগলো। আমি জিগ্যেস করলাম গান তো পাইছো। আবার হাসো কেনো? উত্‍ঘট বললো ভাঁইয়া এঁটা কঁষ্টের হাঁসি নাঁ ভাঁইয়া এঁটা আঁনন্দের হাঁসি। আঁপনাকে যেঁ কিঁ বঁলে ধঁন্যবাদ দেঁব বুঁঝতে পাঁরছিনা ভাঁইয়া। আঁপনি অঁনেক মঁহান ভাঁইয়া বলতে বলতে সে আবার হাসতে লাগলো। আমি বুঝতে পারলাম সে খুব আবেগপ্রবন হয়ে গেছে। আমি উত্‍ঘট কে বললাম যে এর পর যদি আবার কখনো কোন গানের দরকার পরে তাইলে আমার কাছে এসো। সে বললো মাঁথা খাঁরাপ ভাঁইয়া? জীঁবনে আঁর কোঁনদিন চেঁনেহার সাঁমনে মাঁনব সঁমাজের কোঁন গাঁন নিঁয়ে যাঁবোনা। আমি বললাম তাইলে তো এখন আর চিন্তা নাই। চেনেহার সাথে প্রেম তো হয়ে গেলো। এখন যেয়ে পড়াশুনাটা কমপ্লিট করে বিয়ে করে ফেলো।

উত্‍ঘট জানালো জ্বিঁ ভাঁইয়া অঁবশ্যই। আঁর আঁমাদের বিঁয়েতে আঁপনাকে অঁবশ্যই কাঁর্ড দিঁয়ে দাঁওয়াত দেঁব ভাঁইয়া। আঁমি ভাঁইয়া শিঁক্ষিত ভুঁত। আঁমি কঁখনো কঁথার বঁরখেলাপ কঁরিনা, অঁবশ্যই আঁপনাকে দাঁওয়াত দেঁবো। এঁখন তাঁহলে আঁসি ভাঁইয়া। ভাঁলো থাঁকবেন। এঁই বঁলে উত্‍ঘট হাসতে হাসতে (মানে কাঁদতে কাঁদতে) চলে গেলো। আমি সেখানে আরও কিছুক্ষন দাঁড়ায়ে থাকলাম। তারপর বাড়ির পথে পা বাড়ালাম।

পরিশিষ্ট: আজও আমি অপেক্ষা করি উত্‍ঘট আর চেনেহার বিয়ের কার্ডের জন্য। কিন্তু কোন কার্ড পাইনা। উত্‍ঘট কি আমাকে ভুলে গেলো? না এ হতে পারেনা। উত্‍ঘট একজন শিক্ষিত ভুত। সে তার দেওয়া কথা অবশ্যই রাখবে।

দেখুন | কিভাবে বিয়ের নামে ভাড়া করা পাত্রী দেখিয়ে প্রতারণা চলছে (ভিডিও সহ)

দেখুন | কিভাবে বিয়ের নামে ভাড়া করা পাত্রী দেখিয়ে প্রতারণা চলছে (ভিডিও সহ)

পাত্র চাই। ধনাঢ্য পিতার একমাত্র সুন্দরী ডিভোর্সি কন্যা। ঢাকায় নিজের নামে বাড়ি ও দুটি দোকান রয়েছে। সম্পদ দেখাশোনা করার জন্য সৎ, শিক্ষিত পাত্র চাই। পাত্রকে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। প্রকৃত পাত্ররা যোগাযোগ করুন। সরাসরি। নিচে পাত্রীর ফোন নম্বর। বিভিন্ন পত্রিকায় এভাবেই বিজ্ঞাপন প্রচার করে প্রতারণায় নেমেছিল চক্রটি। এ এক ভয়াবহ প্রতারণা। টার্গেট উচ্চমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের যুবক। সহজে বিত্তশালী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন যারা। তাদেরকে ফাঁদে ফেলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এই চক্র। নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গড়ে উঠা এরকম বিভিন্ন চক্র রয়েছে রাজধানী জুড়ে। বাকিটা দেখুন ভিডিওতে-

ভিডিওঃ-

https://www.youtube.com/watch?v=cPnJvdVt5Ek

 

রিকশা চালক বাবার ঘরে বিসিএস ক্যাডার ছেলে

রিকশা চালক বাবার ঘরে বিসিএস ক্যাডার ছেলে

ঢাকাঃ নান্দু সরকার। বয়স ষাট ছুঁই ছুঁই। এখনও মধ্যরাত রিকশা চালান। এক বুক স্বপ্ন তার, সে স্বপ্নই তাকে মাঝরাত অব্দি জাগিয়ে রাখে, রিকশার প্যাডেলে পা রাখতে সাহস যোগায়। ছেলে একদিন অনেক বড় হবে, সেদিন সব পরিশ্রম শেষ হবে।

তার স্বপ্ন এখন বাস্তবে রূপ পেতে চলেছে, ছেলে মনিরুজ্জামান রাজু ৩৬ তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এখন বুঝি অবসরের সময় এসেছে তার।

শনিবার (০৭ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধানমন্ডি জিগাতলা এলাকায় কথা হয় স্বপ্নবাজ এ রিকশাচালক বাবার সঙ্গে। রাতের ঢাকা দেখার জন্য জিগাতলা থেকে রিকশায় উঠে নেমেছিলাম ধানমন্ডি ছয় নম্বর রোডে।

রিকশা থেকে নামার পর হাস্যোজ্জ্বল মুখে তাকিয়ে বলে, বাবা হামারে (আমারে) আর বেশিদিন রিকশা চালাতে হবে না। তোমগোর মতো ছেলে আমার বিরাট বড় শিক্ষিত হইছে, বড় অফিসার হয়েছে সরকারের।

তার কথা শুনে গল্পটি জানার আগ্রহ জাগে।

নান্দু সরকার জানান, তার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার মহেশপুর গ্রামে। শহরের মগবাজার একটি মেসে থাকেন। প্রতিদিন মেসে থাকা ও খাওয়া খরচ ছাড়াও রিকশার মালিককে দিতে হয় ১শ টাকা। সব খরচ বাদে দৈনিক আয় হয় তিন থেকে ৪শ টাকা। এ দিয়েই চলে ছেলের পড়াশুনার খরচ।

রিকশা চালক বাবার ঘরে বিসিএস ক্যাডার ছেলে
রিকশা চালক বাবার ঘরে বিসিএস ক্যাডার ছেলে

ছেলেকে কোন অভাব বুঝতে দেননি। যখন ছেলে যা চেয়েছে তাই দিয়েছি। নিজে অমানুষিক কষ্ট করেছি।

নিজে এক ক্লাসও পড়তে পারেন নি। তাই ছেলেকে অনেক বড় শিক্ষিত বানানোর স্বপ্ন তার অনেক আগে থেকেই। অনেক কষ্ট হয় সারাদিন রিকশা চালাতে, কিন্তু যখন শুনেন ছেলে ভালো ফল করেছে তখন আনন্দে বুক ভরে যায়, জানান তিনি।

ছেলে মনিরুজ্জামান রাজু স্থানীয় মোরংবাজার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও আজগর আলী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজে ভর্তি হয়েও পড়তে পারে নি। ৫ম শ্রেণি ও অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি, এসএসসিতে জিপিএ-৫ এবং এইচএসসিতেও পান গোল্ডেন জিপিএ-৫।

নিজের প্রচেষ্টাতে ভর্তি হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানি বিভাগে। সেখানে ১ম বিভাগ নিয়ে শেষ করেন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে এখন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

নান্দু সরকার বলেন হামার (আমার) দায়িত্ব ছিলো ছেলেরে শিক্ষিত করার, করেছি। তার বিনিময়ে ছেলের কাছে কিছু চাইবো না। চাওয়া একটাই, ছেলে বুক ফুলিয়ে এ সমাজে বেঁচে থাকুক।

আরো জানান, এখনো রিকশা চালাই বাড়িতে ছেলের মা আছে। ছেলেকে পড়াশুনা করাতে গিয়ে বেশি সম্পত্তি করতে না পারলেও বাড়ির জায়গা আর ফসলি জমিতো আছেই। তা দিয়েই চলে যাবে।

ছেলে এখন বলে বাবা তোমাকে আর রিকশা চালাতে হবে না। তুমি এখন সুখ করবে। ছেলের কথা অনুযায়ী বাবাও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর রিকশা চালাবেন না।

তবুও এখনো কেন রিকশা চালাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছেলে নতুন চাকরি পাইছে, ক’টা দিন যাক। তারপর ছেড়ে দিব।

বিনা পয়সায় কন্ডোম পৌঁছে যাবে ঘরে ঘরে, দিতে হবে না ডেলিভারি চার্জও

দাদা, ক ক ক ক… (কন্ডোম) দেবেন? আঙুল দেখিয়েই বলে দেওয়া এটা (কন্ডোম) দিন! উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত, রোগ ব্যাধি নিয়েও সচেতন, অথচ ওষুধের দোকানে গিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে, ভিড় একটু ফাঁকা হলেই ফিসফিস করে বলে দিতে হবে কন্ডোম চাই। কন্ডোম কিনতে গিয়ে ‘লজ্জায় লজ্জাবতী’ও হয়ে যেতে হয় অনেককে! আম জনতার ‘বিস্ফোরিত চোখ’ আর ঠোঁটের কোণে বাকা হাসি এড়াতে অনেকেই কন্ডোম কেনার লজ্জা নিবারণ না করে কন্ডোম না কিনে ঝুঁকিতেই পা বাড়িয়ে ফেলেন।অসুরক্ষিত যৌনতা, তারপরই বিপদ! এবার সব সমস্যার সমাধান। খালি অর্ডারটুকুই যা করতে হবে। বাড়িতে এসে কন্ডোম দিয়ে যাবে, একটা পয়সাও নেবে না, ভারতে প্রথম শুরু হল ‘ফ্রি কন্ডোম স্টোর’।

বিনা পয়সায় কন্ডোম পৌঁছে যাবে ঘরে ঘরে, দিতে হবে না ডেলিভারি চার্জও
বিনা পয়সায় কন্ডোম পৌঁছে যাবে ঘরে ঘরে, দিতে হবে না ডেলিভারি চার্জও

শুধু ভারতই নয়, গোটা বিশ্বে এটাই প্রথম ‘ফ্রি কন্ডোম স্টোর’। ইমেল আইডিতে মেল করেও কন্ডোমের অর্ডার দেওয়া যাবে। অর্ডার অনুযায়ী ঘরে কন্ডোম পৌঁছে দেবে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। কন্ডোমও ফ্রি, পরিষেবাও ফ্রি। মূলত ফ্রি কন্ডোম পরিষেবার মাধ্যমে ভারতের প্রতিটি নাগরিকের কাছে এইচআইভি সচেতনতা পৌঁছে দেওয়াই এই ফ্রি সার্ভিসের মূল লক্ষ্য। এইডস (AIDS) হেলথকেয়ার ফাউন্ডেশন, যারা একটি বিশ্বব্যাপী দাতব্য সংস্থা তারাই এই ফ্রি কন্ডোম সার্ভিস প্রথম শুরু করল। বর্তমানে ভারত গোটা বিশ্বের তিন নম্বর দেশ যেখানে এইচাইভি আক্রান্তের সংখ্যা ২.১ মিলিয়ন। UNAIDS-এর রিপোর্টের এই তথ্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় সরকারের। কোন দেরি না করেই সরকারও ঝাঁপিয়ে পড়ে সমস্যার সমাধানের জন্য। এবছর এপ্রিলেই কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে HIV এবং AIDS (প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ) বিল পাস করিয়ে নেয়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এই বিষয়ে জানান, “HIV আক্রান্তদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেবে সরকার। আগামীতে ভারতে বসবাসকারী HIV আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য সরকার নতুন নীতি বাস্তবায়নের কথাও ভাবছে”। এরই মধ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ফ্রি কন্ডোম স্টোর লঞ্চ ভারতে HIV এবং AIDS সম্পর্কে সচেতনতা আরও বাড়াবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।  

দিন দুপুরে ভারতে শিশুবলি চলছে যেভাবে!

শিশুবলি:

এ এক অদ্ভূত নগরী, যেখানে হয়তো এখনও শিক্ষার আলো ঠিক করে এসে পৌঁছয়নি। না হলে, ওঝার ঝাড়ফুঁকের জন্য বেশিরভাগ বাচ্চার বাঁ হাতের কড়ে আঙুল ফুটন্ত সরষের তেলের মধ্য ঢুবিয়ে দেওয়া হবে কেন? এক অপদেবতার প্রভাব কাটাতে সদ্যোজাতদের এমন ভয়ানক অত্যাচারের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।

উত্তরপ্রদেশের রায়বেরেলির মহারাজগঞ্জে বাড়ি ৭ বছরের কান্তির। পরিবারের সঙ্গে থাকে। আর পাঁচটা বাচ্চার মতো স্কুলেও যায়। তবে এই অঞ্চলের বেশিরভাগ বাচ্চার মতো ওর হাতেও সব মিলিয়ে ৯টি আঙুল। অপদেবতার নাম ‘জামোগা’। এখানকার লোকেরা বিশ্বাস করেন, এই অপদেবতা সদ্যোজাতদের উপর ভর করে অত্যন্ত কষ্ট দিয়ে তাদের প্রাণ কেড়ে নেয়। এ জন্য ছোটবেলাতেই এই অপদেবতার প্রভাব কাটাতে নানা রকম ঝাড়ফুঁকের সাহায্য নেন তারা। কী ভাবে বোঝা যাবে যে শিশুটির উপর অপদেবতা ভর করেছে?

দিন দুপুরে ভারতে শিশুবলি চলছে যেভাবে
দিন দুপুরে ভারতে শিশুবলি চলছে যেভাবে

এঁরা বলছেন, বারবার বমি-পায়খানা হওয়া, শ্বাসকষ্ট, হাত-পা অসাড় হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যাবে বাচ্চার মধ্যে। তা হলেই ধরতে হবে তার উপর জামোগা ভর করেছে। তার পরই শুরু হয় ঝাড়ফুঁক। শেষ পর্যন্ত অনেক অত্যাচারের পর যদি বাচ্চাটি বেঁচে যায় তবে সেই ওঝার সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এই হচ্ছে বাস্তব চিত্র। তার সঙ্গে আরও একটা চিত্রও রয়েছে, এই কুসংস্কারের জন্য প্রতি বছর প্রায় ৩৫ হাজার শিশু প্রাণ হারায়। আশ্চর্যের ব্যাপার এখানে প্রশাসনিক কোনও তত্‍পরতাই নেই। না আছে এ সব বাবা-মাদের ‘শিক্ষিত’ করার চেষ্টা। না আছে চিকিত্‍সার ব্যবস্থা। যে সব রোগে সাধারণ চিকিত্‍সা করলে বাচ্চা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে, সেখানেই অপদেবতার অজুহাতে অযথা দেরি করার ফলে এ ভাবে বেঘোরে বাচ্চারা প্রাণ হারাচ্ছে। দেখেও দেখছে না সরকার, পুলিশ অথবা স্বাস্থ্য দপ্তর। সকলেই বোধহয় এঁদের ‘বিশ্বাসে’ আঘাত করতে ভয় পায়। তার ফলে ওঝাদের রমরমা। অল্পবিস্তর অসুখে ডাক্তারের কাছে না গিয়ে ওঝার দ্বারস্থ হন সকলে। আর ঘটে চলে একের পর এক দুর্ঘটনা। দোষ গিয়ে পড়ে ‘জামোগা’র উপর।

সার্টিফিকেট থাকলেই শিক্ষিত হওয়া যায়না

সার্টিফিকেট থাকলেই শিক্ষিত হওয়া যায়না

প্রেম করা মানে এ নয় যে বিয়ের আগে সেক্স করা, আজকের ছেলে মেয়েরা ভালবাসার মত পবিত্র একটা সম্পর্ক কে পার্কে বসে নোংরা করছে? মেয়েদের জন্য একটি শিখানীয় পোস্ট ।প্রেম করেছ নিজে গরজে। হোটেলে/ ফ্ল্যাটে sex sex খেলছো নিজের ইচ্ছায়।

প্রেমিকের সাথে যখন তখন ফোন সেক্স করছো।সেটাও নিজের ইচ্ছায়। ডেটে গেলে শরীরের জায়গায় জায়গায় হাত দিতে দিয়ছো। কাওকে জিজ্ঞেস কর নাই। কাজটা কি ঠিক না বেঠিক।দিন শেষে প্রেমিক তোমাকে ছেঁকা দিয়ে চলে গেল। এখন তোমার মাথায় বুদ্ধির উদয় হয়েছে।এখন বলছো, পৃথিবীর সব ছেলেরাই খারাপ।

তুমি যে খারাপ ছেলেটাকে বেছে নিয়েছিলে, তা তো বলো না। তোমাদের তো এসব লুচ্ছা ছেলেই পছন্দ, যারা লুতু পুতু কথা বলে মেয়ে পটাতে পারে।কখনো কি বুঝার বা জানার চেষ্টা করেছো একজন ছেলের পারসোনালিটি বলতে কি বুঝায়? যে ছেলে তোমার পিছে ঘুরে, তোমাকে ইম্প্রেস করছে তার কি ভরসা, যে সে অন্য মেয়ের পিছে ঘুরবে না?কিন্তু না এসবের পর,তুমি যে নিজেই তার হাতে তোমার সমস্ত তুলে দিয়ে, তার কাছে তোমাকে সস্তা করে দিয়েছো। তা আর স্বীকারকরবে না।

আর্টিকেলের বাকি অংশটুকু পড়তে বিজ্ঞাপনের শেষে নেক্সট  বাটনে ক্লিক করুন

জার্মানির শিক্ষা পদ্ধতি । জানলে অবাক হবেন আপনিও

জার্মানির শিক্ষা পদ্ধতি

একটা প্রজন্মকে কিভাবে বাস্তবমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা হয় তা দেখা যায় জার্মানির প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীদের দেখলে।                                                                         কোমলমতি এই বাচ্চাদের ১৪-১৫ টা সাবজেক্ট নেই, ১ম/২য় হবার অসুস্থ প্রতিযোগিতা নেই। এরা মজা করতে করতে গুনতে-লিখতে-পড়তে শিখছে। পাঠ্যক্রমের বাইরেও শিখছে বিভিন্ন সৃজনশীল বিষয়। যেমন:
দলবেঁধে জঙ্গলে গিয়ে কুড়িয়ে আনছে গাছের রঙবেরঙ এর পাতা, ফুল আর ফল – চিনছে প্রকৃতিকে, জানছে ঋতু পরিবর্তন। জাদুঘরে গিয়ে পুরাতন জিনিসপত্র দেখে শিখছে ইতিহাস ও ঐতিহ্য। চিড়িয়াখানার সত্যিকারের গরু দেখে এসে বর্ণনা লিখছে। কাঠ কেটে বা পাথর ঘষে বানাচ্ছে বিভিন্ন জিনিস, করছে শিল্পচর্চা। মজার এক্সপেরিমেন্ট করে আলো জ্বালাচ্ছে, খেলনা-গাড়ি বানাচ্ছে, পাচ্ছে আবিষ্কারের আনন্দ, কৌশলে শিখছে বিজ্ঞান। নিউজ প্রেজেন্টেশন করা শিখছে, কাটছে মনের জড়তা, লজ্জা, ভয়। লাইব্রেরী থেকে পছন্দের বই নিয়ে তৈরি করছে বই পড়ার অভ্যাস। পালা করে নিজেরাই ঘণ্টা বাজিয়ে ক্লাস শুরু করে শিখছে ঘড়ি দেখা, শিখছে নিয়মানুবর্তিতা।

বাংলাদেশ ও জার্মানির | শিক্ষাক্ষেত্রে এত পার্থক্য আগে জানতাম না
                              জার্মানির প্রাইমারী স্কুলের ছাত্র ছাত্রী 

বিভিন্ন খেলাধুলা ছাড়াও শিখছে গান, কবিতা-আবৃতি, গল্প বলা, ছবি আঁকা, ফটোগ্রাফি, অভিনয়, হচ্ছে প্রতিভার বিকাশ। সেলাই শিখে, বিস্কিট-পিজ্জা বেক করে শিখছে আত্মনির্ভরশীল হতে। ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করে নির্দিষ্ট কন্টেইনারে ফেলে শিখছে পরিচ্ছন্নতা। ছাত্র-শিক্ষক মিলে দাবা খেলে করছে বুদ্ধির চর্চা, যোগ-ব্যায়ামে শিখছে ধৈর্যশীল হতে। বাগান করে শিখছে গাছ লাগানো ও পরিবেশ পরিচর্যার উপায়।
সরকারি বা বেসরকারি, সব স্কুলেই মোটামুটি একই পাঠদান পদ্ধতি। জুতার ফিতা লাগানো থেকে শুরু করে সব কাজ নিজে করতে শেখানো, বাবা-মা কে বাসার কাজে সাহায্য করতে শেখানো, সবকিছুই এদের কাছে শিক্ষার মধ্যে পড়ে।
৫ম শ্রেণী থেকে বাচ্চারা আলাদা হতে থাকবে বিভিন্ন সেকেন্ডারি বা হাই স্কুলে। যার যে বিষয়ে আগ্রহ বেশি, সাধারণ সব বিষয়ের পাশাপাশি সে সেই ‘বিশেষ’ বিষয়ে নিবে কারিগরি প্রশিক্ষন ।যে ভালো পিয়ানো যে বাজাতে পারে বা ভালো ফুটবল খেলতে পারে বা অসাধারণ ছবি আঁকাতে পারে, এমন একজনকে ধরেবেঁধে ইঞ্জিনিয়ারিং বা ডাক্তারি পড়ানো হবেনা। প্রতিটা বিষয়ের জন্য আলাদা কোচিং, গৃহশিক্ষক, নোটবই, গাইডবই এর বালাই নেই। সাইন্স না পেলে, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে না পারলে “বাড়িতে ভাত বন্ধ” – এই চাপ এদের নেই।
জীবন ও বাস্তবমুখী শিক্ষাই একটা জাতির উন্নত হবার প্রথম ও প্রধান শর্ত, মেরুদণ্ড শক্ত করে দাঁড়াবার একমাত্র হাতিয়ার। একটা বাচ্চা বড় হয়ে শুধু একটা ‘চাকরি’ করবে না, নিজের জীবনকে গড়বে, সমাজকে গড়বে, একটা জাতিকে নেতৃত্ব দিবে, তাই তাকে সবকিছুই শিখতে হবে হাতে-কলমে।
বলার অপেক্ষা রাখে না কেন জার্মানরা দুই দুইটি বিশ্বযুদ্ধে শোচনীয়ভাবে পরাজয়ের পরও তাদের অর্থনীতিকে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়ে রেখেছে।কিন্তু বাংলাদেশে এগুলোর কিছুই  নাই।