ইসলামিক প্রশ্ন উত্তর: ভর্তির সময় সন্তানের বয়স কমানো যাবে কি?

আমাদের দেশে অভিভাবকরা সাধারণত সন্তানদের প্রকৃত বয়স বাদ দিয়ে দুই/তিন বছর কমিয়ে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করান। অনেকে আবার ৫ম বা ৮ম শ্রেণিতে রেজিষ্ট্রেশনের সময় বয়স কমিয়ে দেন। আবার জন্ম নিবন্ধন Continue reading “ইসলামিক প্রশ্ন উত্তর: ভর্তির সময় সন্তানের বয়স কমানো যাবে কি?”

জোকসঃ সন্তানের বাবা বয়ফ্রেন্ড

টেস্ট
এক মহিলা স্বামীকে নিয়ে সাইকিয়াটিস্টের কাছে গিয়েছে।
মহিলাঃ আমার স্বামী রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে খাবারের সঙ্গে কাগজের ন্যাপকিনগুলোও খেয়ে ফেলে।
সাইকিয়াটিস্টঃ সেকি! কাগজের ন্যাপকিনের চাইতে তো কাপড়েরটাই বেশি টেস্টি।

সন্তানের বাবা বয়ফ্রেন্ড
মহিলা ডাক্তার তার রোগিনীকে বলছেন, তুমি মা হতে যাচ্ছ, অথচ বিয়ে করোনি! তবে জলদি এই সন্তানের বাবা মানে তোমার বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করে লোকলজ্জা থেকে নিজেকে বাঁচাও।
রোগিনীর জবাব, আমি বললেই আমার বয়ফ্রেন্ড আমাকে বিয়ে করতে রাজি হবে, কিন্তু কোন বয়ফ্রেন্ড যে এই সন্তানের বাবা তা ঠিক বুঝতে পারছি না।

স্ত্রীকে ফেরত দিতে
মিনিট দশেক তাড়া করে গতিবিধি লঙ্ঘন করা এক ড্রাইভারকে থামাল ট্রাফিক পুলিশ, বলল, আমি থামতে বলা সত্ত্বেও কেন আপনি থামেননি?
এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে ড্রাইভার বলল, আসলে হয়েছে কি, গত সপ্তাহে আমার স্ত্রী এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তাই আপনাকে ছুটতে দেখে ভাবলাম, আমার স্ত্রীকে বুঝি ফেরত দিতে এসেছেন।

পরিবার ও প্রেমিকের কাছে প্রতারিত হয়ে রাস্তায় সন্তানের জন্ম দিলেন তরুণী!

গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে গর্ভবতী হয়ে পড়ে ১৭ বছর বয়সী এক তরুণী। এরপরই তাকে পরিত্যাগ করে প্রেমিক। লোকলজ্জায় মেয়েকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় পরিবারও। এরপর রাস্তাতেই ঠাঁই হয় তার।

গত ২১ অাগস্ট প্রসব বেদনা শুরু হয় তরুণীর। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে ফিরিয়ে দেন সেখানকার কর্মীরা। পরদিন সকাল ৫টায় একরকম বাধ্য হয়ে রাস্তাতেই সন্তানের জন্ম দেয় সে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের ঝাড়খণ্ডের সরাইকেলা-খারসাওয়ান জেলায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রসবের বেশ কিছুক্ষণ পরও রক্ত মাখা অবস্থায় রাস্তায় পড়ে ছিল মা ও সন্তান। তখনও কাটা হয়নি নাড়ি। দুজনকে দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচাতে চার দিক থেকে ইঁট দিয়ে ঘিরে দেন একজন।

হাসপাতালের সামনেই এই কাণ্ড ঘটলেও চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, অভিভাবক না থাকায় ভর্তি নেওয়া যাবে না ওই মহিলাকে।

এরপর স্থানীয়রা হাসপাতালে গিয়ে আর্জি জানালে ওই তরুণীকে ভর্তি নেওয়া হয়।

কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন ধর্ষিতা শিশু

কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন ধর্ষিতা শিশু

ভারতে ধর্ষণের শিকার দশর বছর বয়সী বালিকা বৃহস্পতিবার সকালে একটি শিশুকন্যার জন্ম দিয়েছে। ওই নাবালিকাকে গত সাত মাস ধরে তারই অত্যন্ত নিকটাত্মীয় একজন চাচা বহুবার ধর্ষণ করেছিলেন বলে অভিযোগ। ধর্ষণকারী ওই ব্যক্তিকে এখন গ্রেফতার করা হয়েছে।

কিন্তু দেশের আদালত মেয়েটিকে এই যুক্তিতে গর্ভপাতের অনুমতি দেয়নি যে সে গর্ভাবস্থার একেবারে অন্তিম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল এবং ডাক্তারদের এক প্যানেলের রায় ছিল ওই অবস্থায় গর্ভপাতের চেষ্টা ‘খুব বিপজ্জনক’ হবে।

এই পরিস্থিতিতে এদিন সকালে সিজারিয়ান সেকশন করিয়ে চন্ডীগড়ের এক সরকারি হাসপাতালে ওই ধর্ষিতা বালিকার সন্তানের জন্ম দেওয়ানো হয়। ২.৫ কিলোগ্রাম (সাড়ে পাঁচ পাউন্ড) ওজনের সদ্যোজাত শিশুটি ও তার মা দুজনেই শারীরিকভাবে সুস্থ আছে বলে হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

তবে মেয়েটি এখনও জানে না সে একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছে। গর্ভাবস্থার সময় তাকে বলা হয়েছিল তার পেট ফুলে উঠেছে কারণ তার পেটে একটি বড় আকারের পাথর তৈরি হয়েছে।

ধর্ষিতা মেয়েটি যে গর্ভবতী হয়ে পড়েছে সেটা জানাই গিয়েছিল মাত্র সপ্তাহ পাঁচেক আগে যখন পেটব্যথা হচ্ছে বলায় তার বাবা-মা তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।

ভারতে শিশুদের কল্যাণে কাজ করেন যে অ্যাক্টিভিস্টরা, তারা অনেকেই এই ধর্ষিতা মেয়েটির সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা বলছেন যদিও ওই মেয়েটি খুব মেধাবী, কিন্তু সে আসলে মনে মনে এখনও একেবারে একটি নিষ্পাপ শিশুই রয়ে গেছে। তার সঙ্গে যে কী ঘটে গেছে, সে ঘুণাক্ষরেও তা বুঝতে পারেনি।

ধর্ষিতা মেয়েটির বাবা-মা আগাগোড়াই বলে এসেছেন, তাদের কন্যার গর্ভে যে সন্তান এসেছে তার সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই, তারা কোনও সম্পর্ক চানও না। ফলে সদ্যোজাত ওই সন্তানটিকে পরে দত্তক হিসেবে কোনও দম্পতিকে দেওয়া হবে বলেই স্থির হয়েছে।

সন্তানের কাছে সেলফি তোলা শিখেছেন বিল গেটস!

সন্তানের কাছে সেলফি তোলা শিখেছেন বিল গেটস!

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটস মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। আর তিনিই সেলফি তোলা শিখেছেন সন্তানের কাছ থেকে! বুধবার একটি সেলফি সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুকে শেয়ার করেছেন বিল গেটস। ছবিতে তার সঙ্গে আছেন স্ত্রী মেলিন্ডা ও তার ১৪ বছরের মেয়ে ফোয়েব অ্যাডেলে গেটস।  

সেলফি শেয়ার করে বিল গেটস ফেসবুকে লিখেছেন, সন্তানদের কাছ থেকেই সেলফি তোলা শিখলাম। তারা আমাকে দক্ষতার সঙ্গেই শেখাতে সক্ষম হয়েছে। আপনাদের কী মনে হয়? 

বিল গেটসের স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসও ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন, সবাইকে জাতীয় সেলফি দিবস! (ফোয়েবকে ধন্যবাদ আমাদের এখনো তরুণ রাখার জন্য)।

চার সন্তানের মা শ্রদ্ধা

চার সন্তানের মা শ্রদ্ধা

হাসিনা: দ্য কুইন অব মুম্বাই’ ছবিতে শ্রদ্ধা কাপুর ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ডের গডফাদার দাউদ ইব্রাহিমের বোন হাসিনা পার্কারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে এই ছবির ট্রেলার। ১৭ বছর বয়স থেকে চল্লিশোর্ধ্ব হাসিনার চরিত্রে এখানে দেখা যাবে তাঁকে। শুধু তা-ই নয়, এই সিনেমায় শ্রদ্ধা কাপুর চার সন্তানের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। এই অভিজ্ঞতা ৩০ বছর বয়সী এই নায়িকার জন্য একেবারেই নতুন। নিজেকে চার সন্তানের মায়ের চরিত্রে মানিয়ে নেওয়ার জন্য শ্রদ্ধা কতটা পরিশ্রম করেছেন, তা জানিয়েছেন এই ছবির পরিচালক অপূর্ব লাখিয়া।

অপূর্ব বলেন, এই অভিনেত্রীর কাছে যখন ছবির প্রস্তাব নিয়ে যাওয়া হয়, তখনই জানানো হয়েছিল, তাঁকে মধ্যবয়স্ক এক নারীর চরিত্রে পর্দায় হাজির হতে হবে। এখন তো শ্রদ্ধার গ্ল্যামারাস চরিত্রে অভিনয় করার সময়। এই বয়সেই এমন বয়স্কা চরিত্রে অভিনয় করলে দর্শকেরা কীভাবে নেবেন, তা নিয়ে মনে কিছুটা সংশয় ছিল এই ‘আশিকি ২’ তারকার। পরিচালককে শ্রদ্ধা বলেছিলেন, ‘চিন্তা করার জন্য আমাকে দুটা দিন সময় দেন।’

চার সন্তানের মা শ্রদ্ধা
চার সন্তানের মা শ্রদ্ধা

তবে রাজি হয়ে যাওয়ার পর আর কোনো সংশয় ছিল না শ্রদ্ধার মনে। নিজের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের মধ্যে যাঁদের ছোট ছোট ছেলেমেয়ে আছে, তাঁদের খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতেন শ্রদ্ধা। এমনকি শুধু এই চরিত্রের জন্য অন্তঃসত্ত্বা মায়ের জন্য লেখা বইও নাকি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন শ্রদ্ধা।

এখানে শ্রদ্ধার স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন অঙ্কুর ভাটিয়া। অপূর্ব জানান, প্রতিদিন শুটিং শুরুর আগে সিনেমায় অভিনীত চার শিশুর সঙ্গে আলাদাভাবে সময় কাটাতেন শ্রদ্ধা ও অঙ্কুর। সে সময় ওই শিশুদের আসল মা-বাবাকে আশপাশে থাকতে বারণ করা হতো। পর্দার পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধন তৈরি করার জন্যই এমনটা করা হতো বলে জানিয়েছেন পরিচালক।

‘হাসিনা: দ্য কুইন অব মুম্বাই’ মুক্তি পাবে আগস্ট মাসে। এই ছবিতে দাউদ ইব্রাহিমের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্রদ্ধার আপন ভাই সিদ্ধান্ত কাপুর।

যমজ সন্তানের বাবা হলেন রোনালদো!

যমজ সন্তানের বাবা হলেন রোনালদো

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ঘরে রয়েছে এক সন্তান। ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র এখন ফুটবলে বিশ্বে পরিচিত মুখ। তার বয়স ৬ বছর। ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়ারের মা কে তা এখনো জানা যায়নি। রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগিজ উইঙ্গার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সারোগেট (গর্ভ ভাড়া)-এর মাধ্যমে প্রথম সন্তানের বাবা হন। এবার তিনি যমজ সন্তানের বাবা হলেন বলে জানালো পর্তুগালের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। এমন কি স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক ‘মার্কা’ও এ খবর দিয়েছে।

যমজ সন্তানের বাবা হলেন রোনালদো
যমজ সন্তানের বাবা হলেন রোনালদো

রোনালদোর বর্তমান বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজ। তিনি গর্ভবতী বলে স্পেনের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানায়। কিন্তু এই যমজ সন্তান তার থেকে নয়। পর্তুগিজ এ উইঙ্গার এবারো সারোগেটের মাধ্যমে যমজ সন্তানের বাবা হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্তুগিজ মিডিয়া। তার দুই সন্তানের জন্ম হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। যমজ সন্তানের একটি মেয়ে অন্যটি ছেলে। মেয়ের নাম ইভা ও ছেলের নাম মাতেও বলে জানিয়েছে তারা। ৮ জুন তাদের জন্ম হয়েছে বলে জানিয়েছে ওই পত্রিকাগুলো। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি রোনালদো কিংবা তার কাছের কেউ।    

বিয়ের একদিন পর কন্যা সন্তানের বাবা হলেন ৫ম শ্রেণির ছাত্র

বিয়ের একদিন পর কন্যা সন্তানের বাবা হলেন ৫ম শ্রেণির ছাত্র

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে হাসিব মাল (১২) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্র বিয়ের পরের দিনেই কন্যা সন্তানের বাবা হল। শুক্রবার রাতে অন্ত:সত্ত্বা কনে সোনিয়া আক্তার (১৮) ওই সন্তান প্রসব করে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার উমাজুড়ি গ্রামে।

এদিকে, বিয়ের একদিনের মাথায় সন্তান প্রসবের খবর ছড়িয়ে পড়লে শনিবার সকাল থেকেই এলাকার লোকজন ভীড় করছেন এই নবজাতককে এক নজর দেখার জন্য।

অন্যদিকে কথিত বর উমাজুড়ি গ্রামের আব্দুল হাকিম মালের ছেলে হাসিব মাল এই বিয়ে ও সন্তান কোনো অবস্থাতেই মেনে নিতে পারছে না।

হাসিবের দিনমজুর বাবা বলেন, আমি গরীব অসহায়। মামলা চালানোর সামর্থ্য নেই। তাই স্থানীয় লোকজন ও চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বিয়ে মেনে নিয়েছি।

বিয়ের একদিন পর কন্যা সন্তানের বাবা হলেন ৫ম শ্রেণির ছাত্র
বিয়ের একদিন পর কন্যা সন্তানের বাবা হলেন ৫ম শ্রেণির ছাত্র

তিনি আরও বলেন, দুই মাস আগে একটি সালিশি বৈঠকে আমার কাছে ১৫ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন ইউপি সদস্য মো. আলম মৃধা। ওই টাকা দিতে না পারায় সোনিয়াকে আমার শিশু ছেলের সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু বৃহস্পতিবার রাতে তার নিজ বাড়িতে কাজী ডেকে এই বিয়ে পড়িয়ে দেন। পাত্র হাসিব গুলিশাখালী ফাজিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। কাগজে কলমে তার বয়স ১২ হলেও বাস্তবে বেশি হবে। সে উমাজুড়ি গ্রামের আব্দুল হাকিম মালের ছেলে। সোনিয়া আক্তার একই গ্রামের আসলাম মালের মেয়ে।

বিয়ের আগে হাসিবের সঙ্গে মেলামেশায় অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়ে সোনিয়া। যার সামাজিক সমাধান করা হয় ওই দু’জনের বিয়ে পড়িয়ে। চেয়ারম্যানের নির্দেশে কাজী মো. আলতাফ হোসেন ৫০হাজার টাকা দেনমোহর ধার্যে বিয়ে পড়িয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু বলেন, ছেলে এবং মেয়ে উভয়ে খুব গরীব। তারা একে অন্যের সাথে মেলামেশা করে অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়েছে তাই বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

৫ বছর যাবৎ শিকলে বন্দি দুই যুবক সন্তানের মা রেহেনা | কারণ জানলে চোখে পানি ধরে রাখতে পারবেন না

৫ বছর যাবৎ শিকলে বন্দি দুই যুবক সন্তানের মা রেহেনা | কারণ জানলে চোখে পানি ধরে রাখতে পারবেন না

মস্তিষ্ক বিকৃতির কারণে শিকলে বন্দি জীবন যাপন করছেন দুই সন্তানের জননী রেহেনা বেগম(৪০)। দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ অসুস্থ্য রেহেনার প্রথম দিকে একবার চিকিৎসার শুরু হলেও টাকার অভাবে কিছুদিন পর তা বন্ধ হয়ে যায়। পিতা আলা বকসের চার সন্তানের মধ্যে মা হারানো সবার বড় কন্যা রেহেনা বেগমের বাড়ি দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বেলাইচন্ডি ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডের ভাটিপাড়া গ্রামে । ২৫ বছর আগে মনমথপুর ইউনিয়নের দেগলাগঞ্জ গ্রামের জনৈক জমির উদ্দিনের সাথে তার বিয়ে হয়। কয়েক বছর বছর আগে স্বামী মারা গেলে মানসিক রোগে আক্রান্ত হন তিনি। আতিকুল (২৪) ও সাদেকুল (১৮) নামে দুই সন্তান একজন মুরগির ফার্মে কাজ করে এবং অন্য জন ভ্যান চালক। মায়ের খোঁজ খবর না নেওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাবার বাড়িতে নোংরা স্যাঁতস্যাঁতে অস্বাস্থ্যকর স্থানে ঠাঁই হয় পায়ে শিকল বাঁধা রেহেনার।

৫ বছর যাবৎ শিকলে বন্দি দুই যুবক সন্তানের মা রেহেনা | কারণ জানলে চোখে পানি ধরে রাখতে পারবেন না
৫ বছর যাবৎ শিকলে বন্দি দুই যুবক সন্তানের মা রেহেনা

সব সময় বিড়বিড় করে আপন মনে কথা বলে, ছেড়ে দিলে লোকদের উপর চড়াও হয় ও ভাঙচুর করে। এজন্য তাকে পায়ে শিকল বেধে আটকে রাখা হয়। চিকিৎসা না করার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে পিতা আলা বকস বলেন, তার দুই সন্তানের একজনও খবর নেয় না। অসুস্থ্য অবস্থায় আমার এখানে রেখে গেছে। এ ব্যাপারে রেহেনার ভাই অাব্দুল মজিদ বলেন, মাঝতে ওক ডাক্তার দেখাছি। ৩/৪ বছর আগত হারে গেছিলো । দুনিয়ার খুঁজাখুঁজি। চারো পেকে খোজার পর কিশান বাজারত পাছি। পাইশা কড়ির কারণে চিকিৎসা বন্ধ হইয়া আছে। যদি কাইয়ো হামাক টাকা দিলে চিকিৎসা করমো। ওর ছেলেরা ধার ধারে না। এত ডাক ডাকাছি কোন দিন আইসে নাই।