যুল-কিফলের জীবনে পরীক্ষা:ইবলিশ ঐ দিন তার সাথে যা করেছিল

যুল-কিফল’ উক্ত মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছেন দেখে ইবলীস হিংসায় জ্বলে উঠল। সে তার বাহিনীকে বলল, যেকোন মূল্যে তার পদস্খলন ঘটাতেই হবে। কিন্তু সাঙ্গ-পাঙ্গরা বলল, আমরা ইতিপূর্বে বহুবার তাকে ধোঁকা Continue reading “যুল-কিফলের জীবনে পরীক্ষা:ইবলিশ ঐ দিন তার সাথে যা করেছিল”

মৃত্যুর অল্প কিছুক্ষণ আগে মানুষের সাথে যা হয়

মৃত্যু একটি অবধারিত বিষয়। ‘জন্মিলে মরতে হবে’ এটি থেকে কারো বাঁচার উপায় নেই। মহান রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘পৃথিবীর সব প্রাণীকেই মৃত্যুস্বাদ গ্রহণ করতে হবে।’ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভয় পায় মৃত্যুকে। এর থেকে Continue reading “মৃত্যুর অল্প কিছুক্ষণ আগে মানুষের সাথে যা হয়”

জোড়া কলার সাথে লুকিয়ে আছে বড় একটি পাপ

আমাদের সমাজে কিছু প্রচলিত কুসংস্কার রয়েছে যেগুলো অধিকাংশই মানুষের তৈরি করা। কোথাও রওনা দিলে ঝাড়ু, খালি কলসি বা কেউ হাছি দিতে দেখলে অযাত্রা হয়! আসলে ইসলামে এ ধরনের কুসংস্কারের কোনো Continue reading “জোড়া কলার সাথে লুকিয়ে আছে বড় একটি পাপ”

মুসা নবীর সাথে ইবলিশ শয়তানের সাক্ষাৎকার

নবী করিম (দ) বলেন, একদা পাপিষ্ঠ
ইবলিশ,হযরত মূসা (আঃ) নবীর নিকট উপস্থিত হয়ে বলতে লাগলঃ ‘হে মূসা (আঃ) নবী আপনাকে আল্লাহ তা’য়ালা রিসালত ও Continue reading “মুসা নবীর সাথে ইবলিশ শয়তানের সাক্ষাৎকার”

চাচা আবু তালিবের মৃত্যুর সময় নবীজির সাথে কি হয়েছিল

সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব তার পিতা মুসাইয়্যাব (রহঃ) হ’তে বর্ণনা করেন, যখন আবূ ত্বালিব মুমূর্ষু অবস্থায় উপনীত হ’লেন, রাসূল (সাঃ) তার নিকট গেলেন।আবূ জাহলও সেখানে ছিল। নবী (সাঃ) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, চাচাজান! ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ -কালেমাটি একবার পড়ুন, তাহ’লে আমি আপনার জন্য আল্লাহ্‌ নিকট কথা বলতে পারব।

তখন আবূ জাহল ও আব্দুললাহ ইবনু আবূ উমাইয়া বলল, হে আবূ ত্বালিব! তুমি কি আবদুল মুত্তালিবের ধর্ম হ’তে ফিরে যাবে? এরা দু’জন তার সাথে একথাটি বারবার বলতে থাকল। সর্বশেষ আবূ ত্বালিব তাদের সাথে যে কথাটি বলল, তা হ’ল, আমি আব্দুল মুত্তালিবের মিল্লাতের উপরেই আছি। এ কথার পর নবী (সাঃ) বললেন, ‘আমি আপনার জন্য ক্ষমা চাইতে থাকব যে পর্যন্ত আপনার ব্যাপারে আমাকে নিষেধ করা না হয়’।এ প্রসঙ্গে এ আয়াতটি নাযিল হল

‘নবী ও মুমিনদের পক্ষে উচিত নয় যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে মুশরিকদের জন্য যদি তারা নিকটাত্মীয়ও হয়, তবুও যখন তাদের কাছে এ কথা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, তারা জাহান্নামী’ [সূরা তওবা – ১১৩]

আরো নাযিল হল:

‘আপনি যাকে ভালোবাসেন, ইচ্ছা করলেই তাকে হিদায়াত করতে পারবেন না’ [ সূরা কাছাছ – ৫৬]

[ বুখারী হা/৩৮৮৪ ‘আনছারদের মর্যাদা’অধ্যায়, ‘আবু ত্বালিবের কাহিনী’অনুচেছদ ]

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রা:) হ’তে বর্ণিত যে, তিনি নবী (সাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যখন তাঁর সামনে তাঁর চাচা আবূ ত্বালিবের আলোচনা করা হ’ল, তখন তিনি বললেন, আশা করি কিয়ামতের দিনে আমার সুফারিশ তার উপকারে আসবে। অর্থাৎ আগুনের হালকা স্তরে তাকে ফেলা হবে। যা তার পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত পৌঁছাবে আর এতে তার মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে (ঐ, হা/৩৮৮৫)।

শিক্ষা:
১. হেদায়েতের মালিক আল্লাহ্‌ তা‘আলা। তিনি যাকে ইচ্ছা হেদায়েত করেন, যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন। এজন্য সবসময় তার কাছে হেদায়েত চাইতে হবে।

২. জাহান্নামের আযাব অত্যন্ত ভয়াবহ।সবচেয়ে হালকা শাস্তি হওয়ার পরেও যদি আবূ ত্বালিবের এই অবস্থা হয়, তাহ’লে অন্যদের কি অবস্থা হবে তা সহজেই অনুমেয়।

৩. সমাজ ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা মানুষকে অনেক সময় হক গ্রহণ থেকে বিমুখ রাখে।

স্ত্রীর সাথে সহবাসের দুয়া কোনটি? যতবার সহবাস করব ততো বারই কি পড়তে হবে?

ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম বলেনঃ
তোমাদের কেউ যদি স্ত্রী সহবাসের সময় এই দুআ পড়েঃ
باسْمِ اللَّهِ أَللَُّهُمَّ جَنِّبْنِي الشَّيْطَانَ وَجَنِّبْ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
“বিসমিল্লাহ্‌। আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়তান ও জান্নিবিশ শায়তানা মা রাযাকতানা।
অর্থাৎ, আল্লাহুর নামে (মিলন) করছি, হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে শয়তান থেকে দূরে রাখ এবং আমাদেরকে যে সন্তান তুমি দান করবে তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখ।”

অতঃপর এ সহবাসের মাধ্যমে কোন সন্তান দেয়া হলে শয়তান কখনও তার কোন ক্ষতি করতে সক্ষম হবে না। (বুখারী)

একই রাতে যদি কেউ তার স্ত্রীর সাথে একাধিকবার সহবাস করতে চায়, তাহলে এ ক্ষেত্রে উত্তম হচ্ছে, প্রত্যেক সহবাসের পূর্বে অযু করে পবিত্রতা অর্জন করা। সে হিসাবে তাকে প্রত্যেকবারই দুআ পড়তে হবে।

আর যদি বিনা অযুতেই একাধিকবার সহবাস করতে চায়, তাহলে দুআ না পড়াই শ্রেয়। সে ক্ষেত্রে প্রথমবারের দুআই যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে যেকোন সহবাসের মাধ্যমে সন্তান জন্ম গ্রহণ করলে শয়তানের ক্ষতি হতে রেহাই পাবে ইনশা-আল্লাহ।
কেননা বিনা অযুতে আল্লাহর যিকির করা ঠিক নয়।

(আল্লাহই ভাল জানেন)

স্বামী বুঝে পর পুরুষের সাথে : চরম জোকস

প্রবীণ রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকার নিতে এসে সাংবাদিক জানতে চাইলেন, ‘আচ্ছা, আপনি বিয়ে করেননি কেন?’

মুচকি হেসে রাজনীতিবিদ বললেন, ‘এর পিছনে রয়েছে একটি ঘটনা।আজ থেকে বিশ বছর আগে এক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। আমার সাম্নেই বসে ছিলেন এক শাড়ি পরা মহিলা।আমি চেয়ার থেকে উঠতে গেলে হটাৎ তার শাড়ির সাথে পা লেগে যায়। নিচের দিকে তাকিয়েই মহিলা গাধা,উল্ললুক,টিকটিকি,হনুমান,মুখপোড়া বলে শুরু করেন গালাগাল। হঠাৎ মুখ তুলে আমাকে সামনে দেখতে পেয়ে বলেন,”দুঃখিত, কিছু মনে করবেন না। আমি ভেবেছিলাম এটা বুঝি আমার স্বামীর কাজ

jokes no : 2
মোজাম্মেল হল আমাদের অফিস এর খাশ কাজের লোক। হেন কাজ নাই যা সে বলবে করতে পারবে না। যদি তাকে বলা হয় যে… কি চাঁদ জয় করতে পারবেন তো? সে খুব বিনম্র ভাষায় বলবে জি স্যার পারব। যদি বলি বাঘ মারতে পারবেন? সে বলবে এখনি মেরে আন্তেসি। তার ডিকশনারী তে না বলে কন শব্দ নাই। নেপলিওন সাহেব আমাদের মোজাম্মেল কে দেখলে খুব খুশি হতেন।
তো যাই হক, সেদিনের কাহিনি। আমি কিছু কাজের জন্য বাসার বাইরে ছিলাম। এমন সময় আমার একটা দরকারি ইমেইল আসলো, ক্কিন্তু আমার কাছে ঐ মুহুরতে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস ছিল না। অফিস এর অন্য কয়েকজনকে ধরার চেষ্টা করে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত মহামান্য মোজাম্মেল কে ফোন করল্লাম শেষ ভরসা হিসেবে। কথোপকথনটা এমন ছিল-
আমিঃ মোজাম্মেল ভাই আমার একটা কাজ করে দিতে হবে।
মোজাম্মেল ঃ জি ভাইয়া বলেন।
আমিঃ আমার একটা ইমেইল আসছে , আপনাকে বললে আপনি ইমেইল খুলে প্রিন্ট আউট নিতে পারবেন?
মোজাম্মেলঃ জি ভাইয়া পারব। (খিন গলায়)
আমিঃ (আমার সন্দেহ হওায়) আপনি সাইবার ক্যাফে বুঝেন? … …ইন্টারনেট বুঝেন?
মোজাম্মেলঃ জি ভাইয়া কি বললেন আরেকবার বলেন…
আমিঃ (একটু রাগত স্বরে) আরে মিয়া ইমেইল বুঝেন?
মোজাম্মেলঃ বলেন না একবার কোন দোকানে পাওয়া জায়…আখনি কিনে নিয়া জাইতেসি…
আমি নিজের বকামি বুঝতে পেরে লজ্জা পেয়ে ফোনটা রেখে দিলাম
jokes no: 3
যুবক: আমি ১৫ বছর থেকে আপনার মেয়েকে ভালবাসি। প্রেমিকার বাবা: তাহলে তুমি এখন কি চাও? যুবক: আমি তাকে বিয়ে করতে চাই। প্রেমিকার বাবা: তাও ভাল, আমি ভেবেছিলাম তুমি… . . . . . . . “পেনশন” চাইতে এসেছো!!!

নবীজির সাথে যুদ্ধে রওনা হলো ১৬ বছরের কিশোর

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধের প্রস্তুতি নিলেন। বদর প্রান্তরে মুশরিকদের সঙ্গে মোকাবেলা হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে একটি কিশোরও রওয়ানা হল। নাম তার উমায়র ইবনে আবী ওয়াক্কাস। বয়স ১৬ বছর।

উমায়েরের ভয় ছিল হয়তো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে যুদ্ধে নিবেন না। কারণ, সে ছোট। সে নিজেকে আড়ালে রাখার চেষ্টা করছিল। যেন কেউ তাকে লক্ষ্য না করে। কিন্তু তার বড় ভাই সা’দ ইবনে আবী ওয়াক্কাস দেখে ফেলল। বলল, কী ব্যাপার আড়ালে থাকার চেষ্টা করছ কেন?
উমায়র বলল, ছোট হওয়ার কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি আমাকে ফিরিয়ে দেন। আমার খুব ইচ্ছা আমি যুদ্ধে যাবো। আশা করি আল্লাহ আমাকে শাহাদাত নসীব করবেন।
উমায়র যা আশঙ্কা করছিল তা-ই হল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তার দিকে তাকালেন দেখলেন সে ছোট। যুদ্ধ তো আর শিশু-কিশোররদের কাজ নয়। তারা যুদ্ধে গিয়ে কী করবে। বড়দের জন্যই তো যুদ্ধ অনেক কঠিন?
কিন্তু উমায়রের ঘরে ফিরে যেতে ইচ্ছে করছিল না। ইচ্ছে করছিল না ঘরে বসে থাকতে। মদীনায় সাথী-সঙ্গীদের সাথে খেলা করতে। তার তো প্রবল ইচ্ছা আল্লাহর রাস্তায় শহীদ হওয়া। কিন্তু উমায়র আল্লাহর রাসূলের কথা অমান্য করেননি। কারণ সে তো আল্লাহর সন্তুষ্টি চায়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা অমান্য করে কি আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যাবে? কখনোই না।
উমায়র বেশ চিন্তিত হল— তার যুদ্ধ করার বয়স হয়নি। শাহাদাতের জন্য তার মন ব্যাকুল। আল্লাহর রাস্তায় মৃত্যু পেতে প্রচণ্ড আগ্রহী। সে আগ্রহী জান্নাতের প্রতি। সে যেন জান্নাত দেখে খুব কাছ থেকে। কিন্তু জান্নাতে যাবে কী করে। তার তো যুদ্ধে যাওয়ার বয়সই হয়নি।
এসব কিছু উমায়রের কাছে কঠিন মনে হতে লাগল। তার ছোট্ট হৃদয় ভীষণ ব্যথিত হল। সে কেঁদে ফেলল। কান্না দেখে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মন গলে গেল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন নরম মনের মানুষ। তাকে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি দিয়ে দিলেন।

অনুমতি পেয়ে উমায়র কতটা খুশি হয়েছেন তা জিজ্ঞেস কর না। মনে হচ্ছিল সে যেন জান্নাতের টিকেট পেয়ে গেছে।
উমায়র তার ভাইয়ের সাথে মুসলমানদের সাথে যুদ্ধে বের হল। সবাই বড়। সবাই শক্তিশালী।
উমায়র যা আকাঙ্ক্ষা করেছিল তাই হল। সে যুদ্ধে শহীদ হল। অনেক যুবকও বৃদ্ধকে ছাড়িয়ে গেল।
আল্লাহ উমায়রের প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাকে সন্তুষ্ট করুন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উহুদ যুদ্ধে রওয়ানা হলেন, তার সাথে অনেক কিশোর রওয়ানা হল। তারা ছিল ছোট। বয়স পনেরও হয়নি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ফিরিয়ে দিলেন। কারণ, তারা ছোট। যুদ্ধের বয়স হয়নি। শত্রুর সাথে যুদ্ধের পরিবর্তে তাদেরকে বড়দের দেখেশুনে রাখতে হবে। পাহারা দিতে হবে।
এই কিশোরদের একজন হল রাফ’ ইবনে খাদীজ। তার বয়সও ছিল পনেরর কম। নিজেকে সে বড় জাহির করার চেষ্টা করছিল। যেন সবাই তাকে বড় মনে করে যে, সে যুদ্ধের বয়সে উপনীত হয়েছে। কেউ যেন না বোঝে সে ছোট। সে দুর্বল।
কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ফিরিয়ে দিলেন। কারণ, তিনি জানেন সে ছোট। সে নিজেকে লম্বা জাহির করার চেষ্টা করছে। তার বাবা সুপারিশ করল। বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার ছেলে রাফে’ ভালো তিরন্দাজ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমতি দিলেন।

অনুমতি পেয়ে রাফে’ অনেক খুশি হল। মুজাহিদদের সাথে রওয়ানা হল ঈদের দিন নতুন জামা পরে ঈদগাহে যাবার শিশুর চেয়েও সে বেশি উৎফুল্ল। রাফে’এর ছিল আরেক ভাই। নাম সামুরা। সে রাফের কাছাকাছি বয়সের। রাফের পর তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে আনা হল। ছোট হওয়ার কারণে তাকেও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরিয়ে দিলেন। সামুরা বলল, আপনি রাফে’কে অনুমতি দিলেন আর আমাকে ফেরত পাঠালেন। রাফের সাথে কুস্তি লাগলে আমিই জয়ী হব।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামুরা ও রাফে’কে কুস্তি লড়ার আদেশ দিলেন। সামুরা রাফে’কে পরাজিত করল। তাই সে মুজাহিদদের কাতারে শামিল হওয়ার যোগ্য প্রমাণিত হল।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামুরাকে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। সামুরা যুদ্ধে গেল। উহুদের দিন আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করল।
আল্লাহ রাফে’ ও সামুরার প্রতি সন্তুষ্ট হোন। আমাদেরকে তাদের অনুসরণ করার তৌফীক দান করুন। আমীন।

অন্তর্বাসের সাথে ভারতের মানচিত্রের তুলনা!

ভারতকে নিয়ে আবারও বিতর্কিত মন্তব্য করলেন অস্ট্রেলিয়ার সাংবাদিক ডেনিস ফ্রিডম্যান। শুরুটা করেছিলেন ভারতের ক্রিকেটার বিরাট কোহলিকে নিয়ে। কোহলিকে সরাসরি ঝাড়ুদারের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। Continue reading “অন্তর্বাসের সাথে ভারতের মানচিত্রের তুলনা!”