নবীগঞ্জে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন | অতঃপর

 প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন:

নবীগঞ্জে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে ৩দিন ধরে অনশন করছিলেন প্রেমিকা সেলিনা আক্তার শারমিন। অবশেষে গতকাল বুধবার দুপুরে বিয়ের পিড়িঁতে বসেছেন প্রেমিক ময়নুল ইসলাম ও প্রেমিকা সেলিনা আক্তার শারমিন। ১ লক্ষ টাকা দেনমোহর দিয়ে ময়নুলের বাড়িতে প্রেমিকজুটির বিবাহ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ নিয়ে এলাকায় রসালো আলোচনা সমালোচনার ঝর বইছে। শত শত উৎসুক জনতা প্রেমিকজুটিকে এক নজর দেখার জন্য ভীড় প্রেমিকের বাড়িতে। ঘটনাটি ঘটেছে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামে। সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাঁও পয়েন্টস্থ মঈনুল টেলিকম এন্ড ডিজিটাল স্টুডিওর স্বত্ত্বাধিকারী ও কামারগাঁও গ্রামের আব্দুল খালিকের পুত্র মঈনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নুরগাঁও গ্রামের ক্ষুদে ব্যবসায়ী হুশিয়ার আলীর কন্যা সেলিনা আক্তার শারমিনের সাথে প্রেমের সখ্যতা গড়ে ওঠে। প্রায় ২বছর ধরে চলে তাদের প্রেম। এদিকে গত ২৩ এপ্রিল রোববার দুপুরে প্রথমেই মঈনুলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসে প্রেমিকা শারমিন। সেখানে গিয়ে থাকে বিয়ের চাপ দিলে মঈনুল কোর্ট ম্যারেজের আশ্বাস দেয়। তবে এতে অস্মতি জানায় শারমিন। এ নিয়ে প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে দীর্ঘক্ষণ বাক বিতন্ডা হওয়ার পর অবশেষে মঈনুল তার এক ভাগিনাকে দিয়ে শারমিনকে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। মঈনুল হয়তো ভাবছিল শারমিন তাদের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবী জানালেই তার অভিভাবকরা হয়তো মান সম্মানের ভয়ে শারমিনকে মেনে নিতে পারেন।

নবীগঞ্জে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন | অতঃপর
নবীগঞ্জে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন অতঃপর

কিন্তু ঘটনা ঘটেছে হিতে বিপরীত। উল্টো মঈনুলের অভিভাবকরা এ ঘটনায় যেন তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেন। পরিবারের এমন অবস্থা দেখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় প্রেমিক মঈনুল। তবে অনড় থাকে প্রেমিকা শারমিন। বাড়িতে পাঠিয়েই মঈনুল গা, ঢাকা দিলেও মঈনুলের বাড়িতেই বিয়ের দাবীতে অনশন শুরু করে প্রেমিকা শারমিন। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ওই বাড়িতে উৎসুকজনতার ভীড় জমে ওঠে। এ নিয়ে গত সোমবার রাতে স্থানীয় ইউপি আবু সাঈদ এওলা মিয়াসহ স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে মঈনুলের বাড়িতেই সামাজিক সালিশ বৈঠক বসিলে মঈনুল শারমিনের সাথে তার প্রেমের সর্ম্পককে অস্বীকার করে। এবং শারমিনকে বিয়ে করবেনা বলেও সোজা জানিয়ে দেয়! এতে বিচারকরা পড়েন বিপাকে। সামাজিক বিচারে কোন সমাধান না হওয়াতে মধ্য রাতে বিচারকরা যার যার পথে চলে যান। এনিয়ে শারমিনের অভিভাবকরা পড়েন চরম হতাশায়। কিন্তু শারমিন অনড় অনশনে থেকে যায় শারমিন। এবং শারমিন ঘোষনা দেয় প্রেমিক ময়নুলের সাথে বিয়ে না হয়ে আত্মহত্যার পথ বেচে নিবেন। এ অবস্থায় পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে গতকাল বুধবার দুপুরে দীঘলবাক ইউপির কাজি ১ লক্ষ টাকা দেনমোহর দিয়ে বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই ধর্মজিৎ সিনহা বলেন, বিয়ের দাবীতে শারমিন নামের এক যুবতি ময়নুলের বাড়িতে অনশন করছিল। এনিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ একাধীকবার সালিশে বসে  সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। অবশেষ বুধবার সকালে উভয় পরিবারের মতামতে বিবাহ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ ব্যাপারে দীঘলবাক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ এওলা মিয়ার সাথে আলাপকালে তিনি অনশনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিয়ের বিষয়টি সালিশে বসে সমাধানের চেষ্টা করেছিলাম। তবে লোকমুখে ও মোবাইল ফোনে শুনেছি তাদের বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

দেখুন | পৃথিবীতে যদি কোন মিথ্যাবাদী থাকে তবে তা হল প্রবাসীরা (ভিডিও)

পৃথিবীতে যদি কোন মিথ্যাবাদী থাকে তবে তা হল প্রবাসীরা

প্রবাসী জীবনের সুখ দুঃখের কথা লিখতে গেলেই মনটা কষ্টে ভরে উঠে, কলম যেন থেমে যেতে চায়।বুকের মধ্যখানে অজানা এক শুন্যতা আসন করে বসে, পুরনো স্মৃতির খাতার প্রতিটি পাতা নতুন করে চোখের সামনে ভেসে উঠে নিজের অজান্তে চোখ থেকে অনাখাংখিত কিছু জল ঝরে পড়ে। প্রবাসীরা তাদের দুঃখগুলোকে বুকের ভেতর চাপা দিয়ে স্বজনদের কাছে হাসিমুখে বলে আমি ভাল আছি , আমি সুখে আছি। আমাদের আজকের এই ভিডিওটি তেমনি এক মিথ্যাবাদী প্রবাসীকে নিয়ে। ভিডিওটি দেখেলেই বুঝতে পারবেন কত বড় মিথ্যাবাদী এই প্রবাসীরাঃ-

ভিডিওটি দেখুনঃ-

সিরিয়া । উত্তর কোরিয়া ও আইএস ইস্যুতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ব বাঁধবে কি জেনে নিন

বিশ্বযুদ্ব :

সিরিয়া, উত্তর কোরিয়া ও আইএস ইস্যুতে এমনিতেই বিশ্ব উত্তাল। পাঁচ বছর যাবত সিরিয়ায় গৃহযুদ্ব চলছে । সৌদী ও পশ্চিমা মদদপুষ্ট আইএস বাসার আল আসাদ সরকারের বিরুদ্বে লড়ছে । উত্তর কোরীয় কমিউনিস্ট নেতার হুংকার পশ্চিমাদের জন্য মোটেও সুখকর নয় । অর্থাৎ সবকিছু মিলিয়ে এক জটিল সংকটকালে সিরিয়ার বিমান ঘাঁটিতে ৫৯টি ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করে মার্কিন রণতরী । ফলে পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারন করারর পাশাপাশি তৃতীয় বিশ্বযুদ্বের আশংকা করছে সচেতন বিশ্ববাসী । বিষয়টি নিয়ে মিডিয়া জগত বেশ সোচ্ছার । সিরিয়ার বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপনাস্ত্র হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে রাশিয়া, ইরান, উত্তর কেরিয়া ও ইরাক সরকার । চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ওয়াশিংটন সফর শেষ করার পরই সিরিয়ায় ক্ষেপনাস্ত্র হামলার নির্দেশ দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প । হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব গ্রহনের পর এ প্রথম ডোনাল্ড ট্রাম্প শক্তি প্রদর্শন করল । হামলার পূর্বে রাশিয়াকে অবহিত করা হয়েছে বলে মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তা দাবি করলেও রাশিয়া সরাসরি তা নাকচ করে দেয় ।

সিরিয়া । উত্তর কোরিয়া ও আইএস ইস্যুতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ব বাঁধবে কি জেনে নিন
যুদ্ধের সেনা

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প কি সত্যিই তৃতীয় বিশ্বযুদ্বে জড়িয়ে পড়বে ? নাকি নির্বাচনকালে রুশ সম্পৃক্ততা বিষয়ক জটিল পরিস্থিতি সামাল দিতে সিরিয়ায় ক্ষেপনাস্ত্র হামলা নির্দেশ দেন । সিরিয়ার বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপনাস্ত্র হামলার আগের দিন রাশিয়ান সেনারা উক্ত ঘাঁটি ত্যাগ করে । এছাড়া বিমান ঘাঁটির বাঙ্কার থেকে দুই দিন পূর্বে বেশ কয়েকটি যুদ্ব বিমান ও হেলিকপ্টার অন্যত্র সরিয়ে নেয় সিরিয় সরকার । আমেরিকার একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেছেন, হামলার বিষয়টি রুশ কর্তৃপক্ষকে অাগে অবহিত করা হয়েছে । এসব ঘটনা বিশ্লেষন করলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে । সিরিয়ায় ক্ষেপনাস্ত্র হামলার বিষয়টি আসলে কি রুশ পক্ষকে অবহিত করা হয়েছিল ? হামলার আগের দিন রুশ সেনা প্রত্যাহার এবং সেখান থেকে সিরিয় বিমান সরিয়ে নেয়ার কারন কি ? সিরিয়া বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা কি সাজানো নাটক ? না কি অন্য কিছু । ফলে পূরো বিষয়টি জটিল মনে হচ্ছে । বিগত নির্বাচনে রুশ সম্পৃক্ততার স্বপক্ষে বিবৃতি প্রদান করেছে সিআইএ । ফলে মার্কিন নির্বাচনে রুশ সম্পৃক্ততার ঘটনা দিবালোকের ন্যায় সত্য । আর এতে করে ডোনাল্ড ট্রাম্প চাপের মধ্যে রয়েছে । ইতিমধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা ও কর্মকর্তা পদত্যাগ করে। মার্কিন জনমত ভিন্ন খাতে ধাবিত করার অংশ হিসেবে ট্রাম্প সিরিয়ায় ক্ষেপনাস্ত্র হামলার সম্মতি দেন । রুশ সরকার সিরিয়ায় বিমান ও ক্ষেপনাস্ত্র বিরোধী শক্তিশালী কাউন্টার ক্ষেপনাস্ত্র সিস্টেম মোতায়েন করেছে । কিন্তু এত সতর্কতার মাঝেও মার্কিন ক্ষেপনাস্ত্র হামলা বেশ রহস্যজনক । হোয়াইট হাউসের অল্পবয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়া কিংবা উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে এখন যুদ্বের ঝুঁকি নিতে চাইবেনা । কারন সিরিয়া ও উত্তর কোরিয়াকে বগলে আলগে রেখেছে দুই শক্তিধর দেশ রাশিয়া ও চীন । ফলে সিরিয়া ও উত্তর কোরিয়ায় হামলার অর্থ হচ্ছে রাশিয়া ও চীনের সাথে যুদ্বে জড়িয়ে পড়া । উল্লেখ্য, সিরিয়া ও উত্তর কোরিয়া কিন্তু ইরাক কিংবা লিবিয়া নয় যে যুদ্বে মার্কিন বাহিনী সহজে পার পেয়ে যাবে । এক কথায় ডোনাল্ড ট্রাম্প এ মূহুর্তে ঝুঁকি নিবে বলে আমার মনে হয়না । নির্বাচনী প্রচারকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের বিরুদ্বে রীতিমত অর্থনৈতিক যুদ্বের ঘোষনা দিলেও বাস্তব পরিস্থিতি তার বিপরীত । শি জিনপিংকে রাজকীয় সম্বর্ধনা প্রদান করে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন । দু’নেতা বেশ আন্তরিক ও খোলামেলা আলোচনায় মিলিত হন । ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা এবং তার শীর্ষ উপদেষ্টার একটি আবাসন প্রকল্পে চীন ইতিপূর্বে চারশত কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে । তাই ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইবে চীনকে হাতে রেখে তার ও জামাতার ব্যাবসার পরিধি আরো সম্প্রসারিত করতে। এতে প্রতীয়মান হয় যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতে মাতাল হলেও নিজের হিসেব নিকেশে কিন্তু পাকা খোলোয়াড় । সিরিয়ায় ক্ষেপনাস্ত্র হামলার পরই সৌদী বাদশা সালমান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান । এছাড়া মার্কিন অনুচর বৃটেন ও জার্মানী ক্ষেপনাস্ত্র হামলার বৈধতা প্রদান করেন । ইরাক ও সিরিয়ায় যখন আইএস পতনের শেষপ্রান্তে ঠিক তখন সিরিয়ায় ক্ষেপনাস্ত্র হামলা আইএস’কে উৎসাহিত করবে । সোদী আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও আরব আমিরাত আইএস’এর জন্য ব্ল্যাঙ্ক চেক তৈরী করে রেখেছে । এছাড়া অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সহযোগীতা করছে উল্লেখিত আরব রাজা বাদশাগন । সিরিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার উপস্থিতি ভ্লামিদির পুতিনের জন্য যেমন চরম অগ্নিপরীক্ষা তেমনিভাবে উত্তর কোরিয়া ইস্যুটিও চীনের জন্য অগ্নিপরীক্ষা । আমেরিকা এদু’টি দেশে সামরিক হামলা চালালে রাশিয়া ও চীন মার্কিনীদের কঠোর হস্তে প্রতিহত করতে চাইবে । এ বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পও বেশ সতর্ক । ফলে সিরিয়া, উত্তর কোরিয়া কিংবা আইএস ইস্যুতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্বের সম্ভাবনা দেখছিনা । বরং বেশ কিছু কাল উত্তেজনা অব্যাহত থাকবে । আফগান ও ইরাকে সামরিক অভিযানের চরম খেসারত দিতে হয়েছে মার্কিন জনগনকে । অপরদিকে সিরিযা ও উত্তর কোরিয়া আরো শক্তিশালী দেশ এমনকি এ দু’টি দেশকে সরাসরি সহযোগীতা করছে রাশিয়া ও চীন । সুতরাং তৃতীয় বিশ্বযুদ্বের সম্ভাবনা না থাকলেও মুসলমানের কপালে দূর্ভোগ অব্যাহত থাকবে । মুসলমান রাজা বাদশারা বিদেশীদের আমন্ত্রন জানিয়েছে মুসলমানদের রক্ত ঝরানোর জন্য । ফলে এখন নিজেরা নিজেদের রক্ত ঝরানোর প্রতিযোগীতায় লিপ্ত রয়েছে । এর চাইতে আর ভাল কি আশা করা যায় ।

দেখে নিন হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে | এর থেকে পরিত্রাণের উপায়

শ্বাসকষ্ট :

হাঁপানি রোগীদের আকস্মিক টান ওঠাটাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে হঠাৎ ঠান্ডা আবহাওয়ায়, ধুলাবালি লাগলে, ঘর ঝাড়মোছ করলে বা ফুলের রেণুর সংস্পর্শে রোগীর হাঁপানির টান ওঠে। ভাইরাস সংক্রমণ, সর্দিকাশিও এই সমস্যার জন্য দায়ী। হঠাৎ এমন হলে কী করবেন। বিশেষত ছোট্ট শিশুর এ রকম হলে করণীয় জেনে রাখা দরকার:

দেখে নিন হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে | এর থেকে পরিত্রাণের উপায়
শ্বাসকষ্ট শুরু হলে পরিত্রাণের উপায়

* রোগীকে সোজা হয়ে বসতে বলুন ও আশ্বস্ত করুন যে কিছুই হয়নি, আতঙ্কের কিছু নেই।
* উপশমকারী সালবিউটামল বা ইপরাট্রোপিয়াম ইনহেলার স্পেসারের সাহায্যে ধীরে ধীরে পাঁচটি চাপ নিতে বলুন। স্পেসার  না থাকলে কাগজের ঠোঙা ব্যবহার করতে পারেন।
* স্পেসারের মধ্যে প্রতিবার এক চাপ দিয়ে তা থেকে পাঁচবার শ্বাস নিতে হবে। এভাবে পাঁচবার চাপ দিন। বয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে খেয়াল করুন, শ্বাস বড় করে ওষুধ ঠিকমতো টেনে নেওয়া হচ্ছে কি না, খেয়ে ফেললে কাজ হবে না।
* পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন। বিশ্রাম নিন। তারপরও শ্বাসকষ্ট না কমলে আবার পাঁচ চাপ নিন। এভাবে মোট পাঁচবার (মোট ২৫ চাপ) নেওয়া যেতে পারে।
* এরপরও শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির টান না কমলে রোগীকে কাছাকাছি হাসপাতালে নিতে হবে বা নেবুলাইজার যন্ত্রের সাহায্য লাগবে। হাসপাতালে পৌঁছার আগ পর্যন্ত পাঁচ চাপ করে ইনহেলার নিতে থাকবেন।
* শুরুতেই জিব, নখ বা আঙুল নীল হয়ে এলে, শ্বাসকষ্টের জন্য কথা পর্যন্ত না বলতে পারলে বা চেতনা হারিয়ে যেতে থাকলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াই ভালো। এ ক্ষেত্রে নেবুলাইজার ছাড়াও অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়।

দেখে নিন আপনি ভাতের পরিবর্তে কি খেলে সুস্থ থাকবেন

ভাত:

ভাত আমাদের প্রধান খাবার। কিন্তু এতে শর্করার মাত্রা অনেক বেশি। তাই এই খাবার আমাদের রক্তে শর্করার মাত্রা ও শরীরের ওজন—দুটোই বাড়ায়। তাই যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের ভাত কম খেতে হয়। ডায়াবেটিসের রোগীদেরও পরিমিত ভাত খাওয়ার নিয়ম মেনে চলা দরকার। কিন্তু মনে রাখবেন, সুষম খাদ্যতালিকায় প্রতিদিনের ক্যালরি চাহিদার ৫ থেকে ৬০ শতাংশ শর্করা থাকতে পারে। তবে ভাতের পরিবর্তে কম ক্যালরিযুক্ত অন্যান্য শর্করা খাওয়া ভালো। আমরা তো মেইন মিল বা দিনের প্রধান খাবার হিসেবে ভাত খেতে অভ্যস্ত। প্রশ্ন হলো, এই খাবারের বিকল্প হিসেবে কী খেতে পারি?

দেখে নিন আপনি ভাতের পরিবর্তে কি খাবেন
রুটি

সাদা ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) বেশি বলে এটি শর্করা বাড়ায়। লাল চালের ভাতে কিন্তু জিআই কম। এ ছাড়া শকর্রা হিসেবে লাল আটার রুটি, চিড়া, মুড়ি, খই, ভুট্টা, ওটস, কর্নফ্লেক্স ইত্যাদি বেশ স্বাস্থ্যকর। পাস্তা ও নুডলসেও শর্করা বেশি থাকে। তবে আজকাল উচ্চ আঁশযুক্ত লালচে ‘লো জিআই পাস্তা’ বাজারে পাওয়া যায়। গ্রামে অনেকে ভাতের বদলে মিষ্টি আলু সেদ্ধ খান। এ আলু শর্করা হলেও এতে প্রচুর আঁশ থাকায় জিআই কম। শর্করা হিসেবে ক্যালরির মান কিন্তু ভাত, রুটি, নুডলস ইত্যাদিতে প্রায় সমান। যেমন ১২০ গ্রাম ভাতে আছে ১৪০ ক্যালরি, দুটো রুটিতে ১৫০ ক্যালরি। এক কাপ মুড়িতে ১১০ ক্যালরি, আধা কাপ নুডলসে ১০০ ক্যালরি। দুই টুকরো পাউরুটিতে একটু বেশি: ১৫৬ ক্যালরি। এক কাপ সেদ্ধ আলুতে ৮৫ ক্যালরি, ৩৫ গ্রাম ওটমিলে ১৩৬ ক্যালরি থাকে। তাই ভাতের পরিবর্তে সমপরিমাণ ক্যালরি হিসাব করে যেকোনো বিকল্প শর্করা খাওয়া যাবে। তবে যে শর্করা যত দ্রুত রক্তে মেশে, তত খারাপ। সে হিসেবে সাদা ভাত, সাদা ময়দার তৈরি খাবার, আলু, পাউরুটি ইত্যাদি তুলনামূলক দ্রুত শোষিত হয়ে রক্তে মেশে। আর এসব খাবারে আঁশের পরিমাণও কম।

দেখে নিন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কিভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতেন

কুরআন তিলাওয়াত :

নবী (সাঃ) প্রতিদিন কুরআন থেকে নির্ধারিত একটি পরিমাণ তিলাওয়াত করতেন। কখনই তিনি এর ব্যতিক্রম করেন নি। তিনি তারতীলের সাথে কুরআন পাঠ করতেন। প্রত্যেকটি অক্ষর তার নিজস্ব মাখরাজ (উচ্চারণের স্থান) থেকে সুস্পষ্ট করে উচ্চারণ করতেন এবং প্রতিটি আয়াত পাঠ শেষে ওয়াক্ফ করতেন (বিরতি গ্রহণ করতেন)। তিলাওয়াতের সময় হরফে মদ্ আসলে লম্বা করে পড়তেন। উদাহরণ স্বরূপ তিনি الرحمن الرحيم পাঠ করার সময় মদ-&এর সাথে পড়তেন। তিলাওয়াতের শুরুতে তিনিأَعُوذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ পাঠ করতেন। কখনও তিনি এই দু’আটি পাঠ করতেন-

أَعُوذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ

দেখে নিন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কিভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতেন
                               কুরআন 

‘‘আমি বিতারিত শয়তান, তার ধোঁকা, ফুঁক ও তার যাদু থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি’’।[1] তিনি অন্যের কাছ থেকে কুরআন তিলাওয়াত শুনতে পছন্দ করতেন। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদকে রসূল (সাঃ) কুরআন তিলাওয়াত করার আদেশ দিতেন। তিনি তাঁর সামনে কুরআন পড়তেন। নবী  (সাঃ) তা শুনতেন। এ সময় তাঁর অন্তরের অবস্থা ও একাগ্রতা এমন হত যে, তাঁর উভয় চোখ থেকে অশ্রম্ন প্রবাহিত হত।[2] তিনি দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। ওযূ ছাড়াও তিনি কুরআন পাঠ করতেন। তবে স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে অপবিত্র হলে পবিত্রতা অর্জন না করে কুরআন পড়তেন না। তিনি আওয়াজ উঁচু করে সুন্দর সুর দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুগাফ্ফাল লম্বা আওয়াজে তাঁর সামনে কুরআন তিলাওয়াত করার ধরণটি আ-আ-আ (তিনবার) বলার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী এরূপই বর্ণনা করেছেন।[3] আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুগাফ্ফাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত ধরণটি যদি রসূল (সাঃ) এর বাণী-

زَيِّنُوا الْقُرْآنَ بِأَصْوَاتِكُمْ

‘‘তোমাদের আওয়াজের মাধ্যমে কুরআনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি কর। অর্থাৎ তোমরা সুন্দর আওয়াজের মাধ্যমে কুরআন পড়’’।[4] এবং তাঁর বাণীঃ

مَا أَذِنَ اللهُ لِشَىْءٍ مَا أَذِنَ لِنَبِىٍّ حَسَنِ الصَّوْتِ يتغنى بِالْقُرْآنِ

‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা সুন্দর কন্ঠের অধিকারী নবীর কাছ থেকে সুন্দর স্বরে কুরআন তিলাওয়াত যেমনভাবে শুনেন অন্য কোন বস্ত্তকে সে রকমভাবে শ্রবণ করেন না’’[5] এই দুইটি হাদীসকে একত্রিত করলে বুঝা যায় যে, তিনি ইচ্ছা করেই কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজকে উঁচু ও সুন্দর করতেন। নিছক উট চালানোর জন্য স্বীয় আওয়াজ উঁচু করেন নি। বরং কুরআন তিলাওয়াতে তাঁর অনুসরণ করার জন্যই তা করেছেন। অন্যথায় আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুগাফাফাল (রাঃ) কুরআন তিলাওয়াতে তাঁর আওয়াজ উঁচু ও সুন্দর করার ধরণ বর্ণনা করে দেখাতেন না। কুরআন তিলাওয়াতে আওয়াজ উঁচু ও সুন্দর করা দু’ভাবে হতে পারে।

 

দেখে নিন ভালো বন্ধু এবং খারাপ বন্ধুর মধ্যে পার্থক্য

বন্ধু :

কিছু বন্ধু ছিলো ক্লাসে প্রচন্ড তৃষ্ণায় পানি চাইলে
বলতো, “স্যরি দোস্ত… বোতলে মুখ দিয়ে
দিসি।”
আর কোন কোন বন্ধু ব্যাগ থেকে সব বই খাতা
নানান বেঞ্চে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখতো বন্ধুদের
জন্যে সীট ধরে রাখতে।
.
পরীক্ষার শেষ পাঁচ মিনিটে রি-এরেঞ্জটা
দেখালে অন্য বন্ধুর পাশমার্কটা উঠে যায়… কিছু
বন্ধু থাকে দেখাবে বলে এমন মুহূর্তে খাতা জমা
দিয়ে গনগন করে হেঁটে চলে যায়।
আবার কিছু বন্ধ থাকে, নিজের উপর রিস্ক নিয়ে
শেষ মিনিট পর্যন্ত বন্ধুর কাছে নিজের এক্সট্রা
পেজগুলো দিয়ে রাখে।

দেখে নিন ভালো বন্ধু এবং খারাপ বন্ধুর মধ্যে পার্থক্য
                                              বন্ধুত্ব

কোন কোন বন্ধু অন্য বন্ধুর প্রেমিকাকে
নিজের করে নেয়… একবারের জন্যেও বন্ধুর
জন্যে খারাপ লাগা কাজ করে না।
আবার কিছু বন্ধু থাকে… নিজের গাড়ির চাবিটা বন্ধুর
হাতে দিয়ে বলে, “যাহ দোস্ত… ওকে নিয়ে
ঘুরে আয়। ভালো লাগবে।”
.
কোন কোন বন্ধু অন্য বন্ধুর বিপদে ধার দেয়ার
ভয়ে ফোন বন্ধ করে রাখে…. আবার কোন
বন্ধু নিজের সব সেভিংস ভেঙ্গে প্লেনের
টিকেট কিনে বন্ধুর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে,
“ব্যাটা… আমেরিকা যা…! ডিগ্রিটা নিয়েই ফিরিস।”
.
চারপাশে অনেক বন্ধু…. কেউ সত্যিকারের। কেউ
বা মুখোশ পরা।