সূর্য বা চন্দ্র গ্রহণের সময় রাসূল ( সাঃ) কি করতেন জেনে নিন

রাসূল( সাঃ):

সূর্য বা চন্দ্র গ্রহণ আল্লাহর বিশেষ নিদর্শন। এসময় আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও ভীতি সহকারে জামা‘আতসহ দু’রাক‘আত সালাত আদায় করা, খুৎবা দেওয়া, হাত তুলে দো‘আ ও ইস্তেগফার করা, দান-ছাদাক্বা করা সুন্নাত (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৫৮০, ‘সূর্য বা চন্দ্র গ্রহণের ছালাত’ অনুচ্ছেদ)।

সূর্য বা চন্দ্র গ্রহণের রাসুল ( সাঃ) কি করতেন জেনে নিন
চন্দ্র গ্রহণের

 আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ( সাঃ) -এর সময়ে একবার সূর্য গ্রহণ হলে আল্লাহর রাসূল ( সাঃ)  সালাত  আদায় করেন ও লোকেরাও তাঁর সাথে ছালাত আদায় করে। প্রথমে তিনি ছালাতে দাঁড়ালেন এবং সূরা বাক্বারাহর মত দীর্ঘ ক্বিরাআত করলেন। অতঃপর (১) দীর্ঘ রুকূ করলেন। তারপর মাথা তুলে ক্বিরাআত করতে লাগলেন। তবে প্রথম ক্বিরাআতের চেয়ে কিছুটা কম ক্বিরাআত করে (২) রুকূতে গেলেন। এবারের রুকূ প্রথম রুকূর চেয়ে কিছুটা কম হ’ল। তারপর তিনি রুকূ থেকে মাথা তুলে সিজদা করলেন। অতঃপর সিজদা শেষে তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং লম্বা ক্বিরাআত করলেন। তবে প্রথমের তুলনায় কিছুটা ছোট। এরপর তিনি (৩) রুকূ করলেন, যা আগের রুকূর চেয়ে কম ছিল। রুকূ থেকে মাথা তুলে পুনরায় ক্বিরাআত করলেন। যা প্রথমের তুলনায় ছোট ছিল। অতঃপর তিনি (৪) রুকূ করলেন ও মাথা তুলে সিজদায় গেলেন। পরিশেষে সালাম ফিরালেন। ইতিমধ্যে সূর্য উজ্জ্বল হয়ে গেল। অতঃপর সালাত  শেষে দাঁড়িয়ে তিনি খুৎবা দিলেন এবং হামদ ও ছানা শেষে বললেন যে, সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শন সমূহের মধ্যে দু’টি বিশেষ নিদর্শন। কারু মৃত্যু বা জন্মের কারণে এই গ্রহণ হয় না। যখন তোমরা ঐ গ্রহণ দেখবে, তখন আল্লাহকে ডাকবে, তাকবীর দিবে, সালাত আদায় করবে ও ছাদাক্বা করবে। … আল্লাহর কসম! আমি যা জানি, তা যদি তোমরা জানতে, তাহ’লে তোমরা অল্প হাসতে ও অধিক ক্রন্দন করতে’। অন্য বর্ণনায় এসেছে যে, এর মাধ্যমে আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের ভয় দেখিয়ে থাকেন। অতএব যখন তোমরা সূর্য গ্রহণ দেখবে, তখন ভীত হয়ে আল্লাহর যিকর, দো‘আ ও ইস্তেগফারে রত হবে (বুখারী হা/১০৫২, ১০৫৯, ১০৪৪; মুসলিম হা/৯০৭;, মিশকাত হা/১৪৮২-৮৪; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ২৫৫-৫৬ পৃঃ)।

দেখে নিন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কিভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতেন

কুরআন তিলাওয়াত :

নবী (সাঃ) প্রতিদিন কুরআন থেকে নির্ধারিত একটি পরিমাণ তিলাওয়াত করতেন। কখনই তিনি এর ব্যতিক্রম করেন নি। তিনি তারতীলের সাথে কুরআন পাঠ করতেন। প্রত্যেকটি অক্ষর তার নিজস্ব মাখরাজ (উচ্চারণের স্থান) থেকে সুস্পষ্ট করে উচ্চারণ করতেন এবং প্রতিটি আয়াত পাঠ শেষে ওয়াক্ফ করতেন (বিরতি গ্রহণ করতেন)। তিলাওয়াতের সময় হরফে মদ্ আসলে লম্বা করে পড়তেন। উদাহরণ স্বরূপ তিনি الرحمن الرحيم পাঠ করার সময় মদ-&এর সাথে পড়তেন। তিলাওয়াতের শুরুতে তিনিأَعُوذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ পাঠ করতেন। কখনও তিনি এই দু’আটি পাঠ করতেন-

أَعُوذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ

দেখে নিন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কিভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতেন
                               কুরআন 

‘‘আমি বিতারিত শয়তান, তার ধোঁকা, ফুঁক ও তার যাদু থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি’’।[1] তিনি অন্যের কাছ থেকে কুরআন তিলাওয়াত শুনতে পছন্দ করতেন। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদকে রসূল (সাঃ) কুরআন তিলাওয়াত করার আদেশ দিতেন। তিনি তাঁর সামনে কুরআন পড়তেন। নবী  (সাঃ) তা শুনতেন। এ সময় তাঁর অন্তরের অবস্থা ও একাগ্রতা এমন হত যে, তাঁর উভয় চোখ থেকে অশ্রম্ন প্রবাহিত হত।[2] তিনি দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। ওযূ ছাড়াও তিনি কুরআন পাঠ করতেন। তবে স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে অপবিত্র হলে পবিত্রতা অর্জন না করে কুরআন পড়তেন না। তিনি আওয়াজ উঁচু করে সুন্দর সুর দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুগাফ্ফাল লম্বা আওয়াজে তাঁর সামনে কুরআন তিলাওয়াত করার ধরণটি আ-আ-আ (তিনবার) বলার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী এরূপই বর্ণনা করেছেন।[3] আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুগাফ্ফাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত ধরণটি যদি রসূল (সাঃ) এর বাণী-

زَيِّنُوا الْقُرْآنَ بِأَصْوَاتِكُمْ

‘‘তোমাদের আওয়াজের মাধ্যমে কুরআনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি কর। অর্থাৎ তোমরা সুন্দর আওয়াজের মাধ্যমে কুরআন পড়’’।[4] এবং তাঁর বাণীঃ

مَا أَذِنَ اللهُ لِشَىْءٍ مَا أَذِنَ لِنَبِىٍّ حَسَنِ الصَّوْتِ يتغنى بِالْقُرْآنِ

‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা সুন্দর কন্ঠের অধিকারী নবীর কাছ থেকে সুন্দর স্বরে কুরআন তিলাওয়াত যেমনভাবে শুনেন অন্য কোন বস্ত্তকে সে রকমভাবে শ্রবণ করেন না’’[5] এই দুইটি হাদীসকে একত্রিত করলে বুঝা যায় যে, তিনি ইচ্ছা করেই কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজকে উঁচু ও সুন্দর করতেন। নিছক উট চালানোর জন্য স্বীয় আওয়াজ উঁচু করেন নি। বরং কুরআন তিলাওয়াতে তাঁর অনুসরণ করার জন্যই তা করেছেন। অন্যথায় আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুগাফাফাল (রাঃ) কুরআন তিলাওয়াতে তাঁর আওয়াজ উঁচু ও সুন্দর করার ধরণ বর্ণনা করে দেখাতেন না। কুরআন তিলাওয়াতে আওয়াজ উঁচু ও সুন্দর করা দু’ভাবে হতে পারে।

 

ব্রাভোর সঙ্গে এ | কী ধরনের খুনসুটি করলো ইউসুফ পাঠান

ব্রাভো ও ইউসুফ:

৪৮ ঘণ্টা পরেই কলকাতা নাইট রাইডার্স দশম আইপিএল-এর অভিযান শুরু করবে৷গতবারের চ্যাম্পিয়ন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেই তাদের মাঠে নামবে, দু’বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন কেকেআর এখন কলকাতাতেই৷ সোমবার বিকেলে ইডেনে প্র্যাকটিসের আগেই দুপুরে অন্য মুডে পাওয়া গেল কেকেআর-কে৷

ব্রাভোর সঙ্গে এ কী ধরনের খুনসুটি করলো পাঠান
                                  ইউসুফ এবং ব্রাভো

এদিন কেকেআর-এর পাঁচ সদস্য এলেন মৌলালির ‘সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস’-এ৷ ইউসুফ পাঠান, মণীশ পাণ্ডে, সূর্যকুমার যাদব, ক্রিস লিন ও ড্যারেন ব্র্যাভোরা মাতলেন সোনার গয়নায়৷এবার সেনকোই কেকেআর-এর অফিসিয়াল জুয়েলারি পার্টনার হল৷সোনা-রুপোর লিমিটেড এডিশন মার্চেন্ডাইজ নিয়ে আসল সেনকো৷পেনডেন্ট থেকে শুরু করে আংটি, কাফলিংকস, বোতাম কভার ও ব্রোচের সম্ভার নিয়ে এসেছে দেশের আশি বছরের পুরনো এই জুয়েলারি সংস্থা৷

মার্চেন্ডাইজগুলির দাম ২৫০০ থেকে ২০,০০০ এর মধ্যে রাখা হয়েছে৷শুধু সেনকোর দোকানেই নয়, অনলাইনে ‘অ্যামাজন’ থেকেও পাওয়া যাবে৷অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়দের পাওয়া গেল ফুরফুরে মেজাজেই৷পাঠানরা সেলফিও তুললেন৷আবার সোনার গয়না নিয়ে খুনসুটিও করলেন সতীর্থদের সঙ্গে৷

এক আরব মা তার মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর | যে উপদেশ দিয়েছিলো সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়

এক আরব মা:

উমামা বিনতে হারেছ নিজ কন্যার বিবাহের সময় তাকে এমন কিছু নসীহত করেন যা শুধু মেয়ের জন্যই নয়; বরং পরবর্তী সমস্ত নারীর জন্য মাইল ফলক হিসেবে অবশিষ্ট থাকবে। তুচ্ছ কারণে ঘর ভাঙ্গার এ যুগে যদি এ নসিহতগুলি কেউ গুরুত্ব দিলে, সে তার বিবাহকে টিকিয়ে রাখতে পারবে। তার ঘরে সুখ আসবে। ইন-শা-আল্লাহ,

তিনি তার মেয়েকে লক্ষ্য করে বলেন, “ওহে আমার কলিজার টুকরা মেয়ে ! আজ তুমি নিজের পিতা-মাতা, ভাই-বোন,আত্মীয়- স্বজন, বান্ধবী ও প্রতিবেশী থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে এমন এক অপরিচিত পরিবেশে এমন এক অপরিচিত ব্যক্তির নিকট গমণ করছো যেখানেই রয়েছে তোমার আসল ঠিকানা সেই ব্যক্তিই তোমার প্রকৃত বন্ধু সাথী ও কল্যাণকামী। তুমি ওখানের আচার-আচরণ ও পরিবেশ সম্পর্কে মোটেও অবগত নও।

এক আরব মা তার মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর | যে উপদেশ দিয়েছিলো সত্যি হৃদয় ছুঁয়ে যাই
                                            বিয়ের ছবি

তুমি যদি স্বামীর দাসী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পার, তবে দেখবে সেও তোমার দাসে পরিণত হয়েছে। এই মূহুর্তে আমি তোমাকে কতিপয় নসীহত করছি। আল্লাহ চাহেতো এগুলো তোমার জীবনের সাফল্য ও সুখি দাম্পত্য জীবনের জন্য পাথেয় হবে। 

১. স্বামীর প্রতি বিনীত থাকবে এবং অল্পতেই তার উপর সন্তুষ্ট হবে।

২. ভালভাবে তার কথা শুনবে ও মানবে।

৩-৪. তার চোখ ও নাকের পছন্দের প্রতি লক্ষ্য রাখবে। তোমাকে যেন কখনো খারাপ দৃশ্যে সে না দেখে এবং তোমার নিকট থেকে কখনো যেন সর্বোত্তম সুগন্ধি ছাড়া অন্য কিছু না পায়।

৫-৬. তার খাওয়া দাওয়া ও নিদ্রার বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখবে। কেননা ক্ষুধা ও অনিদ্রা মানুষকে বদমেজাজী ও ক্রোধাম্বিত করে তোলে।

৭. তার ধন-সম্পদের রক্ষণা-বেক্ষণ করবে। হিসাবের সাথে পরিমাণমত তার সম্পদ খরচ করবে।

৮. তার পরিবার-পরিজন ও দাস- দাসীর দেখাশোনা করবে। উত্তমভাবে মনযোগসহকারে তার সন্তান-সন্তানাদিকে লালন-পালন করবে।

৯. তার কোন গোপন বিষয় ফাঁস করবে না ও তার নাফরমানী করবে না। কেননা তার গোপন তথ্য ফাঁস করে দিলে একদিন সে তোমাকে ধোঁকা দিবে। আর অবাধ্য হলে তার বুকে আগুন জ্বলবে ও তাকে ক্রোধাম্বিত করে তুলবে।

১০.তুমি কাঙ্খিত লক্ষ্যে কখনই পৌঁছতে পারবে না যে পর্যন্ত তার সন্তুষ্টিকে নিজের সন্তুষ্টির উপর স্থান না দিবে, তার পছন্দ-অপছন্দকে নিজের পছন্দ-অপছন্দের উপর স্থান না দিবে