মাস্ক পড়েনি কেনো জিজ্ঞাসায় রিকশাচালক বলেন, মাস্ক পড়লে আমার কানে ব্যাথা লাগে

সারাদেশ জুড়ে করোনা ভাইরাস। তবে করোনার প্রভাব কমে গেলে যেমন লকডাউন নেই সকল কিছু খুলে দিয়েছে সরকার। তবে এমন সময় করোনা ভাইরাস নিয়ে গুরুত্বহীন ভাবে চলাফেরা করছেন অনেকেই।

 

২০২০ সালে করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে আসে এরপর থেকেই তা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন রকম ভাবে সচেতন থেকে গেছেন জনগন। শুরু থেকে লকডাউন দেওয়া হয় তবুও করোনার বিস্তার সেভাবে না কমলেও বর্তমানে ১৪ দিনের বেশ কয়েক দফা লকডাউন শেষে কমে গেছে করোনার বিস্তার।

 

তবে মহামারী করোনা ভাইরাস এর বিস্তার কমে গেলেও তা পুরাপুরি শেষ হয়ে যায়নি এখন ও সারাদেশে কিছু মানুষ করোনা ভাইরাসে মারা যাচ্ছে। তারপর ও কিছু কিছু মানুষজন রাস্তায় বাজারে অসেচতনতার সাথে মাস্কবিহীন ও সামাজিক দুরুত্ব না মেনেই চলাফেরা করছেন। তাদের অনেকের ধারণা লকডাউন নেই মানেই শেষ হয়ে গেছে করোনা।

 

এ বিষয়ে বাজারে অবস্থানকৃত স্কুল ছাত্র মেহেদি হাসান অমি জানায়, অনেক মানুষ আছেন যারা এখন ও সচেতেন না তাদের উচিত সচেতনতার সাথে চলাচল করা আমাদের দেশে এখন ও মহামারী করোনা ভাইরাস সম্পুর্ণ ভাবে সেরে ওঠেনি। সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখা এবং চলাচলের সময় মুখে মাস্ক ব্যাবহার করা।

 

অমি বলেন,২ দিন কিছুদিন আগে অটো তে করে আমি বাজারে যাচ্ছিলাম অটোতে বসে থাকা সকলের মাস্ক ছিলো একজন ব্যাতীত, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম মাস্ক পরেন নাই কেন?

তিনি তার উত্তরে বলেন, লকডাউন উঠে গেছে পুলিশ বিজিবি কেউ কিছু আর বলবেনা তাই মাস্ক পরে কি করবো।

 

পাশাপাশি পরের দিন সন্ধায় রাস্তায় বের হলাম সেখানে কেউই মাস্ক পরিধান করে নাই এক রিকশাই উঠে আমি বাড়ি ফিরছিলাম রিকশা আলা কোনো মাস্ক পড়ে নাই তাকে জিজ্ঞাসা করলে বলে আরে ভাই তুমি কি পাগল, মাস্ক পরে মুখ ব্যাথা করবো কেনো? মাস্ক পরলে আমার কানে ব্যাথা লাগে।

 

মেহেদি হাসান অমি আরো জানান, তাই আমার মনে হয় এ সকল চিন্তা ভাবনা আমাদের দূর করে সকলের বোঝা উচিত করোনার হার কিছুটা কমলেও সম্পুর্ণ রুপে সেরে ওঠেনি আমাদের আরো গুরুত্বপূর্ণ সহকারে ভাবা উচিত এবং সচেতনতার সাথে চলাচল করা উচিত কেনোনা একজন মানুষের উপর একটি পরিবার থেকে অন্যপরিবার অনেক কিছু নির্ভর করে। তাই সবাই মাস্ক পরিধান করুন প্রয়জনে স্যানিটাইজার ব্যাবহার সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে চলুন।

রিপোর্ট২৪বিডি/ এইচ এম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *