২ কেজি কাঁচা মরিচ খেয়ে গ্রামে নাম ফুটালো রুবেল

মেহেরপুরের পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা রুবেল হোসেন এক জাগায় বসে ২ কেজি কাঁচা মরিচ অনায়সে খেয়ে ফেলতে পারে। যা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ অসাধ্যজনক বিষয়। যেকোনো খাবারে সামান্য ঝাল হলেই মানুষজন বেশ অসস্তি বোধ করে কিন্তু রুবেল হোসেন নামক পিরোজপুর গ্রামের ছেলে সে ২ কেজি কাঁচা মরিচ খুব সহজেই খেয়ে ফেলে যেন সে মুড়ি খাচ্ছে।এ যেন এক অবাক কান্ড। তাই এবার তার এই অবাক কান্ডে তার এলাকা সহ আশেপাশের গ্রাম গুলোতেই মরিচ খাওয়ার জন্য বেশ নাম ফুটেছে রুবেলের

ঝাল খাওয়া অই রুবেল হোসেন (২৫) পিরোজপুর গ্রামের উত্তর পাড়ার মোঃআরশেদ আলীর (৫৬) ছেলে। ছোট বেলা থেকেই রুবেল ছিলো পড়াশোনায় অনেক মেধাবী ছাত্র। কিন্তু সংসারের অভাবে কারণে ক্লাস ফাইভ এর বেশি পড়াশোনা করতে পারেনি রুবেল।

তারপর জীবিকার জন্য রুবেল কৃষি কাজ করা শুরু করে। যদি কারো কাঁচা মরিচের জমিতে কাজ করতে যেত রুবেল তবে সেই জমি থেকে দুই একটা কাঁচা মরিচ চিবিয়ে খেয়ে ফেলতো।

এভাবেই আস্তে আস্তে রুবেল এর কাঁচা মরিচ খাওয়া একটা অভ্যাসে পরিনত হয়।এখন রুবেল মাঝে মাঝে খাবার খাওয়ার মতো ক্ষুধা লাগলে কাঁচা মরিচ খেয়েই তার ক্ষুধা নিবারণ করে।

 

রুবেল এর বাবা বলেন, রুবেল আমার বড় ছেলে।আমাদের সংসার তেমন একটা সচ্ছল না। তাই আমার এই ছেলে কে বেশি পড়াতে পারিনি।রুবেল ছোটবেলা থেকেই ঝাল খায়। এক সাথে ২ কেজি ঝাল খেয়ে ফেলতে পারে।ঝাল রুবেল এর মুখে মিষ্টির মতো লাগে। মানুষ যেমন মিষ্টি খেলে আনন্দ পায় তেমনি রুবেল ঝাল খেয়ে সেরকম আনন্দ পায়।

 

রুবেল এর কাঁচা মরিচ খাওয়া জন্য সে পিরোজপুর গ্রামে ঝাল পাগলা নামে পরিচিত। অনেক মানুষের অনেক রকমের প্রতিভা আছে পিরোজপুর গ্রামের রুবেলের কাঁচা মরিচ খাওয়ার প্রতিভা আছে। রুবেল এর মতো কাঁচা মরিচ তার আশে পাশের গ্রামের কেউ খেতে পারে না।

বিভিন্ন জায়গা থেকে রুবেল এর সাথে কাঁচা মরিচ খাওয়ার প্রতিযোগিতা করতে অনেকে এসেছে পিরোজপুর গ্রামে কিন্তু তারা কেউই রুবেল এর সাথে কাঁচা মরিচ খেতে পারেনি।রুবেল একবারে ২ কেজি কাঁচা মরিচ খেয়ে ফেলতে পারে। এতো ঝাল খাওয়ার কারণে রুবেল এর কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় না।

 

রিপোর্ট২৪বিডি/এম এম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

BengaliEnglish