অন্ধকারে প্রতিবেশি ঘরে ঢুকে স্বামী সেজে গৃহবধূকে ধর্ষণ

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে রাতের অন্ধকারে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় এক গৃহবধূকে প্রতিবেশি দেখে স্বামী সেজে ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে এমন অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত প্রতিবেশি মো. মাসুদ মিয়া কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের নাপিতেরচর গ্রামের মো. ফজলু মিয়ার ছেলে।

১০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ঠিক রাত সাড়ে ১১টার দিকে অন্ধকারে স্বামী সেজে ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করার এ ঘটনা ঘটে।

পরবর্তীতে ১২ সেপ্টেম্বর রবিবার রাতে ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ এ ব্যাপারে থানায় লিখিত এক অভিযোগ দায়ের করেন।

জানা যায়, ১০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভুক্তভোগী গৃহবধূ তার নিজের বাড়িতে মেয়ের সাথে একটি চৌকিতে ঘুমাচ্ছিলেন।

একই সময়েই তার স্বামী ঘরের অন্য আরেকটি চৌকিতে তাদের ছেলের সাথে ঘুমাচ্ছিলেন।

ঠিক সেইসময় টিনের ঘরের বেড়ার ফাঁকা দিয়ে বাইরে থেকে দরজা খুলে চুপিচুপি ঘরে প্রবেশ করে প্রতিবেশি মাসুদ।

এরপর প্রতিবেশি মাসুদ অন্ধকারে মেয়ে ও গৃহবধূর ঘুমিয়ে থাকা ওই চৌকিতে ধির পায়ে যায়।

এবং বিছানায় গিয়ে গৃহবধূর স্বামী সেজে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে।

শারীরিক সম্পর্ক করার সময় গৃহবধূ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলো যার ফলে তিনি তার স্বামী মনে করে মাসুদকে শারিরীক সম্পর্ক ঘটাতে কোনো প্রকার বাধা দেন নাই। কারণ তিনি মনে করেছেন শারিরীক সম্পর্ক তিনি তার স্বামীর সাথেই করছে।

তবে অন্ধকার আর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকায় শারীরিক সম্পর্ক সময় ওই গৃহবধূ কিছু বোঝেনি তবে শারীরিক সম্পর্ক শেষে প্রতিবেশি মাসুদ যখন দরজা খুলে বাইরে যেতে চায়, তখন গৃহবধূ লাইট জ্বালিয়ে দেখতে পান যার সাথে তিনি এতক্ষন শারীরিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ করলেন তিনি আসলে তার স্বামী নয়, বরং দেখতে পান যার সাথে শারিরীক সম্পর্ক সম্পূর্ণ করলেন তিনি হলেন তাদের প্রতিবেশী মাসুদ।

দেখা মাত্রই সাথে সাথে গৃহবধূ চিৎকার করেন।
তার চিৎকার শুনে স্বামী সন্তানের সকলের ঘুম ভাঙলে মাসুদকে আটকানো চেষ্টা করে কিন্তু মাসুদ দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার ওসি তদন্ত মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আসামিকে গ্রেপ্তার করে কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও এর আগেই তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায়ও একটি মামলা রয়েছে।

রিপোর্ট২৪বিডি/এইচ এ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *